মাধ্যমিকের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বসছে সিসিটিভি

মাধ্যমিক পর্যায়ের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে সিসিটিভি (ক্লোজড সার্কিট ক্যামেরা) ক্যামেরার আওতায় আনা হচ্ছে। প্রথম পর্যায়ে শহরাঞ্চলের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সিসিটিভি বসানো হবে। পর্যায়ক্রমে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে এর আওতায় আনা হবে।শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, গত ১৯ সেপ্টেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সিনিয়র সচিবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মাসিক সমন্বয় সভায় এই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়।

সভায় আলোচনার পর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত উপস্থিতি ও সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যেসব প্রতিষ্ঠানে ডিজিটাল হাজিরা মেশিন নেই বিশেষ করে সেসব প্রতিষ্ঠানে দ্রুত হাজিরা মেশিন স্থাপন করতে হবে। আর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করতে হবে। বিশেষ করে শহরাঞ্চলের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এই দুই প্রযুক্তি যুক্ত করতে হবে। এটি বাস্তবায়ন করবে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের মাধ্যমিক-২ অনুবিভাগ ও মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতর।

এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সিনিয়র সচিব মো: সোহরাব হোসাইন বলেন, ‘দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেই (মাধ্যমিক পর্যায়) সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। আগে শহরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো এর আওতায় নেওয়া হবে।




প্রতিষ্ঠান প্রধানগণ শিক্ষক মূল্যায়নে যে ছক ব্যবহার করবেন

http://www.educationbangla.com/media/PhotoGallery/2019March/jana20190922014954.jpg




সরকারি প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগের ফল প্রকাশ

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এতে মোট ৫৫ হাজার ২৯৫ জন লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন। রোববার (১৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় শিক্ষক নিয়োগের ৪ ধাপে লিখিত পরীক্ষার ফল একযোগে প্রকাশ করে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।  উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মোবাইলে এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানিয়ে দেওয়া হচ্ছে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে ফল জানিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

প্রসঙ্গত, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষার প্রথম ধাপ গত ২৪ মে, দ্বিতীয় ধাপ ৩১ মে, তৃতীয় ধাপ ২১ জুন এবং চতুর্থ ধাপের পরীক্ষা ২৮ জুন অনুষ্ঠিত হয়।

গত বছরের ৩০ জুলাই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। গত ১ থেকে ৩০ আগস্ট পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন কার্যক্রম শেষ হয়। ১২ হাজার আসনের বিপরীতে সারাদেশ থেকে ১৭ লাখ ৭৩ হাজার ৯১৭ প্রার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছিলেন। http://dpe.gov.bd/




আগস্টের এম পি ওর চেক ছাড় মাদরাসা শিক্ষকদের

আগস্টের এম পি ওর চেক ছাড় মাদরাসা শিক্ষকদের

আগস্টের এম পি  ওর চেক ছাড় হয়েছে আজ  সোমবার ২৬ আগষ্ট। শিক্ষকরা আগামী ৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বেতন-ভাতার সরকারি অংশের টাকা তুলতে পারবেন।

 

আদেশের স্মারক নম্বর ৫৭.২৫.০০০০.০০২.০৮.০০৪.১৯-৩৪১




সরকারি প্রাথমিকে অতিরিক্ত ২০ শতাংশ শিক্ষক নিয়োগের সিদ্ধান্ত

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নির্ধারিত পদের অতিরিক্ত ২০ শতাংশ সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। এ জন্য প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরকে (ডিপিই) প্রস্তাবনা তৈরির নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

প্রস্তাবনা পাওয়ার পর তা সচিব কমিটির সভায় অনুমোদন দেয়া হবে। অনুমোদনের পর শিক্ষক নিয়োগ কার্যক্রম শুরু হবে বলে মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে।

জানা গেছে, বিভিন্ন সময়ে শিক্ষকদের বিদেশ ভ্রমণ, ব্যক্তিগত ও মেডিকেল ছুটি, নারী শিক্ষকদের মাতৃত্বকালীন ছুটিসহ বিভিন্ন কারণে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষকরা অনুপস্থিত থাকেন। এ কারণে পাঠদান কার্যক্রম চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে। শিক্ষকদের অনুপস্থিতির কারণে অনেক ছাত্রছাত্রী বিদ্যালয় বিমুখ হয়ে পড়ছে। এ সমস্যা দূর করতে বিদ্যালয়ে নির্ধারিত সৃষ্ট পদের অতিরিক্ত ২০ শতাংশ শিক্ষক নিয়োগ দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। বর্তমানে অতিরিক্ত শিক্ষক নিয়োগের জন্য ডিপিইতে প্রস্তাবনা তৈরির কাজ শুরু হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আকরাম আল হোসেন রোববার (১৮ আগস্ট) বলেন, ‘বিভিন্ন সময় ছুটিতে থাকায় অনেক শিক্ষক বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকেন। তাদের শূন্যতা পূরণ করা সম্ভব হচ্ছে না। সারাদেশে শিক্ষকদের সৃষ্ট পদের রাজস্ব খাতভুক্ত ২০ শতাংশ অতিরিক্ত শিক্ষক নিয়োগ দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘২০ শতাংশ হিসাবে অতিরিক্ত কতজন শিক্ষক নিয়োগ দেয়া প্রয়োজন সেটি উল্লেখ করে ডিপিইকে প্রস্তাবনা দিতে বলা হয়েছে। এ প্রস্তাবনা পাওয়ার পর সচিব কমিটিতে পাঠানো হবে। সেখানে অনুমোদন হলে অতিরিক্ত হিসেবে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সাধারণ নিয়োগের মাধ্যমে এসব শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে।’

সম্প্রতি জাতীয়করণসহ সারাদেশে মোট ৬৫ হাজার ৫৯৩টি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এসব বিদ্যালয়ে ৬৫ হাজার ১৭০ প্রধান শিক্ষক ও ৩ লাখ ৩৪ হাজার ৯৫৬ জন সহকারী শিক্ষকের পদ সৃজন থাকলেও সেখানে ৪৯ হাজার ২১৯ জন প্রধান শিক্ষক (চলতি দায়িত্বসহ) ও ৩ লাখ ৩৯ হাজার ৯৮ জন সহকারী শিক্ষক রয়েছেন। অতিরিক্ত ২০ শতাংশ নিয়োগের জন্য নতুন করে আরও ৬০ হাজারের বেশি শিক্ষক নিয়োগ পাবেন।

এডুকেশন বাংলা/




ঈদের ছুটিতেও পরিচ্ছন্ন অভিযান চালাতে হবে শিক্ষকদের

ঈদের ছুটিতে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ডেঙ্গু প্রতিরোধ কার্যক্রম চলবে। এ লক্ষ্যে প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে ৬ সদস্য করে একটি বা একাধিক টিক গঠন করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। ঈদের ছুটিতে প্রতি ৪৮ ঘণ্টা পরপর পরিচ্ছন্ন অভিযান চালাতে বলা হয়েছে এই টিমের সদস্যদের।

মঙ্গলবার রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত রাজধানীর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানদের এক সভায় এই নির্দেশনা দেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. সোহরাব হোসাইন। একই দিনে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত একটি পরিপত্র জারি করা হয়েছে।

সভায় সোহরাব হোসাইন বলেন, সারাদেশের প্রতিষ্ঠানে এই কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে হবে। কার্যক্রম সম্পর্কে নিয়মিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে প্রতিবেদন দেবে। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মককর্তা জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে প্রতিবেদন পাঠাবেন। জেলা থেকে সেই রিপোর্ট সরাসরি মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতরে (মাউশি) ডেঙ্গু প্রতিরোধ সেলে পাঠাতে হবে।

অনুষ্ঠানে নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা, কোথাও যাতে পানি না জমে সেদিকে নজর রাখাসহ অন্যান্য কার্যক্রম চলছে। কিন্তু ঈদের ছুটিতে যদি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এই কার্যক্রম অব্যাহত না রাখা হয় তাহলে ডেঙ্গু মশা বংশ বিস্তার করতে পারে। আর ডেঙ্গুর ডিম যেহেতু ৭২ ঘণ্টায় প্রজনন হয়, তাই ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বা একদিন পরপর এই পরিষ্কার কার্যক্রম অব্যাহত রাখা দরকার। সেই নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

অনুষ্ঠানে সোহরাব হোসাইন শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে বলেন, প্রতীকীভাবে আপনাদের সঙ্গে মতবিনিময় করা হচ্ছে। আসলে আপনাদের মাধ্যমে আমরা সারাদেশের প্রতিষ্ঠান প্রধান ও শিক্ষকদের সঙ্গেই কথা বলছি। আমাদের এই নির্দেশনা সারাদেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্যই প্রযোজ্য।

তিনি বলেন, প্রতি একদিন পরপর প্রতিষ্ঠানের খেলার মাঠ, ঝোপঝাড়, আশপাশ এলাকা এবং যেসব জায়গায় পানি জমতে পারে সেসব এলাকা চিহ্নিত করে পরিষ্কার করতে হবে। প্রয়োজনে হারপিক ব্যবহার করতে হবে বাথরুমে। ১৩ দিনের জন্য ঈদের ছুটি থাকবে। এই ছুটিতে প্রতিষ্ঠান একেবারে বন্ধ থাকতে পারবে না। কমপক্ষে ৬ জনের একটি টিম থাকবে। সেই টিম প্রতিষ্ঠানে ডেঙ্গু প্রতিরোধের কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কারিগরি ও মাদরাসা বিভাগের সচিব মো. মুনশী শাহাবুদ্দীন আহমেদ। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের (মাউশি) মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. এসএম গোলাম ফারুক এতে সভাপতিত্ব করেন। এছাড়া মাউশির পরিচালক অধ্যাপক শাহেদুল খবীর চৌধুরী বক্তৃতা করেন। সভার শুরুতে শিক্ষকদের পক্ষ থেকে ডেঙ্গু প্রতিরোধের ব্যাপারে মতামত গ্রহণ করা হয়। এ সময় মিরপুরের মডেল স্কুলের প্রধান শিক্ষক আনোয়ার হোসেন, মতিঝিল মডেল স্কুল ও কলেজের সিনিয়র শিক্ষক আবুল কাসেম প্রমুখ।

উল্লেখ্য, ডেঙ্গুু প্রতিরোধ কার্যক্রমের জন্য মাউশিতে একটি সেল গঠন করা হয়েছে। এতে একজন উপপরিচালক সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করছেন। ডেঙ্গু প্রতিরোধ কার্যক্রমে একজন মাউশির পরিচালক (প্রশিক্ষণ) অধ্যাপক প্রবীর কুমার ভট্টাচার্যকে ফোকাল পয়েন্ট নিযুক্ত করা হয়েছে। এ ব্যাপারে সার্বক্ষণিক কাজ করছেন তিনি।

এডুকেশন বাংলা/




৫৮ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিষয় খোলার বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা

৫৮টি বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিষয় খোলার বিষয়ে মন্ত্রণালয় নির্দেশনা প্রদান করেছে। গতকাল ৯ জুলাই মঙ্গলবার এবিষয়ে একটি নির্দেশনা জারি করে মন্ত্রণালয়।

বিস্তারিত:

http://www.educationbangla.com/media/PhotoGallery/2019March/217-120190709143040.jpg

http://www.educationbangla.com/media/PhotoGallery/2019March/217-220190709143122.jpg

 http://www.educationbangla.com/media/PhotoGallery/2019March/217-320190709143231.jpg

এডুকেশন বাংলা/




শিক্ষাভবনে ব্যাপক রদবদল, ১৮ কর্মকর্তা ওএসডি

মাধ্যমিকও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয় ‘শিক্ষাভবনে’ ও মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে গুরুত্বপূর্ণ পদে রদবদল করা হয়েছে। বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি ) করা হয়েছে পরিচালকসহ ১৮ কর্মকর্তাকে। গতকাল রাতে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা ওয়েবসাইটে দেয়া হয়।
শিক্ষামন্ত্রী ডা দীপু মনি দায়িত্ব গ্রহণের পর তার নির্দেশনায় এই ব্যাপক পরিবর্তন আনা হয়েছে শিক্ষাভবনে।  ওএসডি করা হয়েছে শিক্ষাভবনের ৪ জন পরিচালক এবং ঢাকা আঞ্চলিক কার্যালয়ের পরিচালককে,  মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের রেজিষ্ট্রার, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ও কন্ট্রোলার ও অব পাবলিকেশন, শিক্ষাভবনের উপ-পরিচালক দুই জন, সহকারি পরিচালক (প্রশাসন) চারজন, ঢাকা শিক্ষাবোর্ডের উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ও মাদ্রাসা শিক্ষা অধিপ্তরের পরিচালককে (অর্থ ও প্রশাসন)। এইসব পদেও নতুন করে পদায়ন করা হয়েছে। ঢাকা বোর্ডেও সচিব শাহেদুল খবীর চৌধুরীতে পরিচালক ( কলেজ ও প্রশাসন) করা হয়েছে। অন্যান্য পদগুলোতে পরিবর্তন আনা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

তালিকা দেখুন : ওএসডির তালিকা দেখতে এখানে ক্লিক করুন

শূণ্য পদে যাদের পদায়ন করা হয়েছে সেই তালিকা দেখুন এখানে

 

Education Bangla




পূর্বঘোষণা ছাড়া পরিদর্শন করে ১দিনের মধ্যেই রিপোর্ট পেশের নির্দেশ

 

   

http://www.educationbangla.com/media/PhotoGallery/2017June/ins20190312071601.jpg




আইসিটি বিষয়ের সহকারী শিক্ষক পদে যোগদান নিশ্চিতকরণ শুরু

বেসরকারি স্কুলে তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিষয়ে সহকারী শিক্ষক পদে যোগদান নিশ্চিতকরণ শুরু হয়েছে। আজ ৪ মার্চ থেকে শুরু হয়ে ৭ মার্চের মধ্যে সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকদের যোগদান নিশ্চিত করতে হবে। বিজ্ঞপ্তিতে প্রতিষ্ঠান প্রধানগণকে আজ ৪ মার্চ থেকে ৭ মার্চের মধ্যে সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষক যোগদান করেছেন কিনা (হ্যাঁ/না) এ সকল তথ্য প্রদান করার কথা বলা হয়েছে।
সোমবার (৪ মার্চ) এনটিআরসিএ এ তথ্য নিশ্চিত করেছে

প্রতিষ্ঠান প্রধানগণ Institute’s Section-এর Appointment Status ও Joining Status এগিয়ে User ID এবং Password দ্বারা লগ-ইন করে তাঁর প্রতিষ্ঠানে সুপারিশকৃত সহকারি শিক্ষক কম্পিউটার বিষয়ে শিক্ষকের নিয়োগপত্র (Appointment Letter) Confirm ও Issue করেছেন কিনা এবং সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষক যোগদান করেছেন কিনা (হ্যাঁ/না) এ সকল তথ্য প্রদান করবেন। প্রতিষ্ঠান প্রধানগণ মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ তারিখের ৩৭.০২.০০০০.১০৫.৯৯.০১০.২০১৮-৪৩৮ সংখ্যক স্মারকের জরুরি বিজ্ঞপ্তিটি পড়ে, (জরুরি বিজ্ঞপ্তিটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন) জরুরি বিজ্ঞপ্তিটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন) সেখানে বর্ণিত দিক নির্দেশনামতে নিয়োগ কার্যক্রমে সহযোগিতা করুন। সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষক তাঁর Applicant’s Section-এর Appointment and Joining এগিয়ে Application ID এবং Mobile No দ্বারা লগ-ইন করে তাঁর নিয়োগপত্র (Appointment Letter) পেয়েছেন কিনা এবং তিনি যোগদান করেছেন কিনা (হ্যাঁ/না) এ সকল তথ্য প্রদান করবেন। এতদসংক্রান্ত তথ্যাদি আগামী ০৭.০৩.২০১৯ তারিখের মধ্যে অবশ্যই প্রদান করতে হবে।

যে সকল বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উপরে বর্ণিত প্রার্থীদের সুপারিশ করা হয়েছে সেসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তালিকা নিম্নে দেয়া হল।
EIIN                  NAME OF INSTITUTE

100012               CHOTONILGONG HIGH SCHOOL

100019                CHILA HASHEM BISWAS HIGH SCHOOL

100044                GHATKHALI HIGH SCHOOL

100068            TALTALI CHOTOVIZORA SHALEHIA ALIM MADRASAH

100076            DAKKHIN TAKTA BUNIA RAHMIA DAKHIL MADRASA

100085       AMRAGACHIA SHALEHIA DAKHIL AMDRASAH

100121          LATABUNIA SECONDARY SCHOOL

100247          B. L. B. JUNIOR HIGH SCHOOL

100254            PUTIAKHALI ADARSHA SECONDARY SCHOOL

100263             WEST KARUNA HIGH SCHOOL

100268             KAIALGHATA HIGH SCHOOL

100269            DESHANTARKAT SECONDARY SCHOOL

100314             HOGLAPASHA SURENDRANATH HIGH SCHOOL

100325                D.SAYEDA FIROJA BEGUM SECONDARY GIRLS SCHOOL

100363                 RAJIHAR SECONDARY SCHOOL

100364              BATRA PREMCHAND GIRLS SCHOOL

100366                TEMAR MALEKA KHATUN SECONDARY GIRLS SCHOOL

100367                AHUTI BABRA PUBLIC ACADEMY

100372                  RANGTA SECONDARY SCHOOL

100396              BHUTERDIA SECONDARY SCHOOL

100410                 IDILKATI BAHERCHAR HIGH SCHOOL

100411              SABUJ BANGLA HIGH SCHOOL

100413               MODDOH BHUTER DIA HIGH SCHOOL

100488              AULIPUR HIGH SCHOOL

100496                UTTAMPUR HIGH SCHOOL

100499            FAZLUL HAQUE HIGH SCHOOL

100503              RAMNAGAR A.R.K JANATA SECHODARY SCHOOL

100509                 AMINA GIRLS HIGH SCHOOL

100525               DAKKHIN SAHEBPUR MOHILA DAKHIL MADRASHA

100527                  BALIGRAM MRIDHABARI DAKHIL MADRASHA

100554                BHANDARI KATI DAKHIL MADRASHA

100564                   UTTAR KAJLAKATI HAMIDIA DAKHIL MADRASHA

100615                SALIA BAKPUR F. H. SECONDARY SCHOOL

100632              BRAHMAN BARI MALIKANDA JR. SECONDARY SCHOOL

100635                ALHAZ DALIL UDDIN DAKHIL MADRASHA

100639                 AUAR ISLAMIA DAKHIL MADRASAH

100643                NALASREE JALIS MAHMUDIA DHAKIL MADRASHA

পড়তে হবে: উপরে  EIIN  নীচে NAME OF INSTITUTE

100649

PURBA MADDHA UMARER PER DAKHIL MADRASHA

100675

KHANJAPUR PANGASIA HIGH SCHOOL

100691

WEST LAXMONKATHI DARUS SUNNAH DAKHIL MADRASA

100716

HARINATHPUR GIRLS SECONDARY SCHOOL

100717

JANATA HIGH SCHOOL

100732

N. PATTANI DANGA MOHILA DAKHIL MADRASHA

100785

MOHAMMAD ALI HIGH SCHOOL

100792

UNITED SECONDARY SCHOOL

100908

C. H. M. S RAHMAN MEMORIAL SECONDARY SCHOOL

100992

SOFIPUR MUNSHIR HAT NUR-A-TAJ- D.M

101032

KARFA PUBLIC ACADEMY

101048

BAHERGHAT SECONDARY SCHOOL

101119

BHOLA TOWN SECONDARY SCHOOL

101146

KACHIA SHAHAMOTHER SECONDARY SCHOOL

101223

BATAMARA SECONDARY SCHOOL

101224

SWARAJGONJ SECONDARY SCHOOL

101257

GORIBE MAJHI A, ROB DAKHIL MADRASHA

101259

DEULA SIBPUR DARUL AMAN ISLAMIA DAKHIL MADRASHA

101270

SANTIR HAT DARUSSUNNA DAKHIL MADRASAH

101274

JOYA HAZI TOFALIA DAKHIL MADRASHA

101289

DAKHIN DALALPUR ISLAMIA DAKHIL MADRASHA

101309

UTTAR CHARMANIKA SECONDARY SCHOOL

101381

HAMIDPUR HAMIDIA DAKHIL MADRASHA

101421

DHAL CHAR ISLAMIA DAKHIL MADRASHA

101584

MONPURA GIRLS` SECONDARY SCHOOL

101675

BEGUM CHANBARU MEMORIAL HIGH SCHOOL

101676

HIMANANDAKATI HIGH SCHOOL

101721

PASHCHIM CHHITKI SECONDARY GIRLS SCHOOL

101744

PURBA PATIKHAL GHATA M.UDDIN SECONDARY SCHOOL

101748

BEGUM CHAND MIA SECONDARY GIRLS SCHOOL

101750

SOUTH CHANCRY ADARSHA JUNIOR HIGH SCHOOL

101759

CHINGRA KHALI SENIOUR MADRASHA

101760

UTTAR CHENCHRI DAKHIL MADRASHA

101763

BALTALA KAIKHALI ALIM MADRASAH

101764

NIAMAT PUR ISLAMIA FAZIL MADRASHA

101771

WEST SHOULGALIA DAKHIL MADRASA

101779

MAHISKANDI BHAYLA BUNIA H.DAKHIL MADRASAH

101800

SIDDHAKATI HIGH SCHOOL

101815

BHAWANIPUR ADARSHA HIGH SCHOOL

101848

SARMAHAL HASEMIA MOZAHEDIA DAKHIL MADRASA

101851

GOCHRA ISLAMIA HOSSAINIA DAKHIL MADRASA

101889

NORTH UTTAMPUR HIGH SCHOOL

101901

S.G.S HIGH SCHOOL AUKHIRA

101960

ISHAKABAD HOSSAINIA ALIM MADRASA

101983

BIRPASHA SECONDARY SCHOOL

101992

MDDHABPUR NISHI KANTA HIGH SCHOOL

101998

GAZI MAJHI HIGH SCHOOL

102006

CHANDKATI SECONDAY SCHOOL

102013

AGRANI BIDYAPITH NURAINPUR

102014

AYLA SECONDARY SCHOOL

102042

NURAINPUR NESARIA FAZIL MADRASHA

102049

BHARIPASHA GIRL`S DAKHIL MADRASH0

102053

SULTANABAD ISLAMIA DAKHIL MADRASHA

102078

CHANDKATI J.N. ISLAMIA DHAKIL MADRASHA

102081

RAHMAT NAGAR ISLAMIA DAKHIL MADRASHA

102084

INDRAKUL BALIKA DAKHIL MADRASHA

102092

MAYDHYA NOWMALA SALEHIA DAKHIL MADRASHA

102102

NURAINPUR BALIKA DAKHIL MADRASHA

102103

PURBA INDRAKUL CHOWMUHANI GIRLS DAKHIL MADRASHA

102116

DHAKIN ADAMPUR HIGH SCHOOL

102118

S A SECONDARY SCHOOL AROJBEGI

102124

NEHAL GONG SECONDARY SCHOOL

102129

BETAGI SHIKDARIA HIGH SCHOOL

102132

SHANKIPUR SECONDARY SCHOOL

102210

DUMKHI ISLAMIA GIRLS DAKHIL MADRASAH

102229

CHARKAZAL SECONDARY SCHOOL

102246

UTTAR AMKHOLA HIGH SCHOOL

102291

SOUTH CHAR BISWAS M.ALIATIFIA DAKHIL MADRASHA

102371

DAULATPUR SALEHIA ISLAMIA ALIM MADRASHA

102372

KUAKATA ISLAMPUR DAKHIL MADRASHA

102427

KISMAT SREENAGAR ADARSHA HIGH SCHOOL

102434

MONOHAR KHALI ADARSHA HIGH SCHOOL

102457

PACHIM KALIKAPUR HOSSIAN DAKHIL MADRASAH

102458

SULTANABAD DAKHIL MADRASAH

102467

CHATRA OLAMA MANJIL AL-AMIN DAKHIL MADRASHA

102485

BEGHAI HAT HIGH SCHOOL

102487

UTTAR BADURA HIGH SCHOOL

102488

BS SECONDARY SCHOOL

102494

SHERE BANGLA GIRLS HIGH SCHOOL

102497

SOUTH BADURA HIGH SCHOOL

102501

SOUTH KEWABUNIA SWESHA SEBAK HIGH SCHOOL

102514

GHABUA JANATA HIGH SCHOOL

102521

DHARANDI KAMALAPUR HIGH SCHOOL

102523

MIDDLE CHARMAISHADI JANATA HIGH SCHOOL

102529

FAZLUL KARIM MOLLA HIGH SCHOOL

102554

PURBA JAINKATHI SHALEHIA DAKHIL MADRASAH

102561

EAST MARICHABUNIA DARUS SUNNAT DAKHIL MADRASHA

102566

DHARANDI NESARI DAKHIL MADRASAH

102569

SOUTH CHOTO BIGHAI ISHAKIA DAKHIL MADRASHA

102570

JAINKATHI AHAMADIA GIRLS DAKHIL MADRASHA

102574

PACHIM MATIVANGA HATAMIA DAKHIL MADRASAH

102580

TUSKHALI HOSAINIA DAKHIL MADRASHA

102587

CHODDO BURIA ADARSHA BALIKA DAKHIL MADRASAH

102622

JUNIA HIGH SCHOOL

102628

PURBA DHAWA MODEL SECONDARY SCHOOL

102646

CHARAIL ABDUL ALI ALIM MADRASAH

102654

SHINGHKHALI DAKHIL MADRASHA

102661

EKRI NESARIA DAKHIL MADRASHA

102673

RAJPASHA DARUS SARIAT DAKHIL MADRASHA

102691

KEUNDIA HIGH SCHOOL

102725

NALI VHIM CHANDRA HIGH SCHOOL

102737

HATEM ALI GIRLS HIGH SCHOOL

102741

UTTAR TIKIKATA HIGH SCHOOL

102771

JAREPERCHAR ALHAJ A. GANI DAKHIL MADRASAH

102773

BETMORE ASHRAFUL ULUM FAJIL MADRASA

102777

HOGOL PATI N,I, FAZIL DEGREE MADRASHA

102781

PATHAKATA DAKHIL MADRASHA

102783

JHATIBUNI ISLAMIA DAKHIL MADRASHA

102797

CHOTO SAWLA S.H. DAKHIL MADRASHA

102801

UTTER MANIKKHALI MUNSHI A.KARIM GIRLS MADRASA

102806

JANKHALI ULUBARIA H.DAKHIL MADRASA

102807

MADHA DEBATRA N ISLAM DAKHIL MADRASHA

102809

TUSHKHALI ISLAMIA DAKHIL MADRASHA

102810

TEARKHALI HARUNIA DAKHIL MADRASHA

102834

KAILANI GIRL`S HIGH SCHOOL

102850

BILDUMARIA PADMADUBI SECONDARY SCHOOL

102910

DURGAPUR UNION ML SECONDARY SCHOOL

102925

EKPAI JUJKHOLA PANCHAGRAM GIRLS HIGH SCHOOL

102926

SHEKH HASINA ACADEMY

102978

PATTASI S DAKHIL MADRASAH

103003

MAISHANI GIRLS HIGH SCHOOL

103011

SAMADEKATI HIGH SCHOOL

103026

DURGAKATI S,G,S HIGH SCHOOL

103043

SWARUPKATHI GIRLS SECONDARY SCHOOL

103047

ATGHAR SECONDARY SCHOOL

103059

NANDUHAR DARUSSUNNAT ISLAMIA DAKHIL MASRASAH

103062

GUAREKHA RABBANIA DHAKIL MADRASAH

103067

SHEANGAL DARGAH BARI DAKHIL MADRASAH

103088

ALIKADM GIRLS HIGH SCHOOL

103111

GAZALIA HIGH SCHOOL

103152

AKHAURA NASRIN NABI PILOT GIRLS HIGH SCHOOL & COLLEGE

103157

HIRAPUR SHAHID NOWAB MEMORIAL HIGH SCHOOL

103161

CHHOYGHARIA AL HAJ SHAH ALAM HIGH SCHOOL

103173

BANCHARAMPUR S M PILOT HIGH SCHOOL

103174

BANCHARAMPUR GIRLS HIGH SCHOOL

103182

SHAH RAHAT ALI HIGH SCHOOL

103183

FORDABAD ADARSHA HIGH SCHOOL

103185

BAHER CHAR ARDARSHA HIGH SCHOOL

103231

GHATIARA HIGH SCHOOL

103233

HABLA UTCHA ADARSHA HIGH SCHOOL

103333

SABER SADAT PUBLIC HIGH SCHOOL

103344

LIAKAT ALI HIGH SCHOOL

103389

TIARA AYSA BEGUM HIGH SCHOOL

103397

BIDYAKUT AMAR BOHUMUKHI HIGH SCHOOL

103408

KRISHAN NAGAR ABDUL JABBER HIGH SCHOOL

103415

MAJHIARA P M GIRLS HIGH SCHOOL

103416

NORTH LUXMIPUR HIGH SCHOOL

103449

GOKARNA SAYED WALI ULLAH HIGH SCHOOL

103493

BHARIA NURUL ISLAM HIGH SCHOOL

103500

PIR MOHSIN UDDIN POURA GIRLS HIGH SCHOOL

103508

SAFARMALI HIGH SCHOOL

103518

CHHOTA SUNDAR A ALI HIGH SCHOOL

103534

NANUPUR HIGH SCHOOL

103542

DASADI D.SIS KAMIL M A MADRASHA

103557

MONIHAR MOHAMMODIA DAKHIL MADRASAH

103566

AMIAYAPUR HAZRAT BIBIFATEMA(R) MOHILA DAKHIL MAD

103587

KAONIA SHAHID HABIB ULLAH HIGH SCHOOL

103599

BALITHUBA ABDUL HAMID HIGH SCHOOL

103611

CHANDRA ABDUL HAKIM CHOWDHURY M G HIGH SCHOOL

103619

KEROA HOSNEARA BEGUM ADARSHA GIRLS HIGH SCHOOL

103658

SONTOSHPUR DARUSSUNNAT ISLAMIA ALIM MADRASHA

103679

CHARBHANGA HIGH SCHOOL

103683

NIL KAMAL OSMANIA HIGH SCHOOL

103684

GONDAMARA HIGH SCHOOL

103687

K.V.N. HIGH SCHOOL

103706

HAJIGONJ PILOT GIRL`S HIGH SCHOOL

103708

TANGIRPAR HATILA UNION HIGH SCHOOL

103713

NASIR KOT HIGH SCHOOL

103717

RAJARAGON HIGH SCHOOL

103718

RAMPUR HIGH SCHOOL

103728

SREEPUR HIGH SCHOOL

103729

RAMCHANDRA PUR BHUYAN ACADEMY

103750

RAJAPUR SI. ISLAMIA DAKHIL MADRASHA

103766

TATUIYA ADARSHA HIGH SCHOOL

103778

SREERAMPUR HIGH SCHOOL

103781

KAHAL THURI HAMIDIA HIGH SCHOOL

103785

KHAJURIA LAXMIPUR PIR SOBAHANIA HIGH SCHOOL

103793

PROSONNA CUP HIGH SCHOOL

103802

CHAWMOHANI DARUS SUNNAT ALIM MADRASHA

103818

MONOHARPUR FAZIL DIGREE MADRASHA

103824

SREERAMPUR MOHAMMADIA ISLAMIA ALIM MADRASHA

103841

DAGARPUR ABDUL GANI HIGH SCHOOL

103843

PAYALI KADIR BOX MEMORIAL HIGH SCHOOL

103844

LUCK SHIBPUR FEROZA BEGUM HIGH SCHOOL

103850

BAHARI HIGH SCHOOL

103855

LAMCHARI HIGH SCHOOL

103857

NARAYANPUR POPULAR JUNIOR GIRLS SCHOOL

103908

OTER CHAR HIGH SCHOOL

103911

NANDA LALPUR SAMADIA HIGH SCHOOL

103918

BAGAN BARI IDEAL ACADEMY

103931

LABAIR KANDI AL- AMIN ALIM MADRASHA

103945

UNKILA HIGH SCHOOL

103953

ICHHAPURA HIGH SCHOOL

103964

DHAMRA ADARSHA HIGH SCHOOL

103974

KHERIHOR ADRASHA HIGH SCHOOL

103983

PARANPUR FAZIL MADRASAH

104002

UPAKULIA ADORSHA HIGH SCHOOL

104007

NITYA NANDA HIGH SCHOOL GUZARA

104011

BASHIRUZZAMAN MEMORIAL INSTITUTE

104034

MALGHAR AHMADIA TAIBIA SUNNIA DAKHIL MADRASHA

104054

MONAYAMSHA AULIA HIGH SCHOOL

104072

BANSKHALI BONGOBONDHU HIGH SCHOOL

104080

PUKURIA ANSARUL ULUM FAZIL MADRASHA

104110

EAST KADHUR KHILL HIGH SCHOOL

104114

PURNA CHANDRA SEN SAROATALI HIGH SCHOOL

104116

SHAKPURA MODEL HIGH SCHOOL

104118

MUCKTAKESHI GIRL`S HIGH SCHOOL

104120

KANUNGO PARA DR. BHIBUTI BHUSHAN HGH SCHOOL

104121

SRI AUROBINDO GIRL`S HIGH SCHOOL

104122

BENGURA K B K R GIRLS HIGH SCHOOL

104128

KHARANDWIP MULTILATERAL HIGH SCHOOL

104131

SAROATALI IBRAHIM NUR MOHAMMAD HIGH SCHOOL

104166

FATENAGAR S.N.GIRLS HIGH SCHOOL

104167

GASBARIA NITTYANANDA GOURACHANDRA SECONDARY SCHOOL

104169

FATEMA JINNAH ML. GIRLS HIGH SCHOOL

104173

SATBARIA ML HIGH SCHOOL

104178

KASHEM MAHBUB HIGH SCHOOL

104221

SANOWARA HIGH SCHOOL

104222

ABDUL HAMID SAODAGAR HIGH SCHOOL

104225

MUHAMMAD KAMAL UDDIN HIGH SCHOOL

104229

MAZIDIA ISLAMIA ALIM MADRASAH

104248

CHITTAGONG AIRPORT HIGH SCHOOL

104278

WIRELESS JHAUTALA COLONY HIGH SCHOOL

104305

NARAYAN HAT GIRLS HIGH SCHOOL

104319

FATICKCHARI CORONATION MODEL HIGH SCHOOL

104340

HEAKHOW BANANI HIGH SCHOOL

104356

SYED SYEDA MEMORIAL HIGH SCHOOL

104412

NANGOLMORA HIGH SCHOOL

104421

DR.SHAHIDULLAH ACADEMY

104427

KHANDAKIA CHIKANDANDI GIRLS HIGH SCHOOL

104428

ENAYETPUR HIGH SCHOOL

104429

A.K. SIDDIQUEE ADERSHA GIRL`S HIGH SCHOOL

104434

CHARIA HIGH SCHOOL

104509

YAKUB ALI DUBASH GIRLS HIGH SCHOOL

104534

BANGLADESEH MOHILA SAMITY GIRLS HIGH SCHOOL & COLLEGE

104552

BARAHATIA GARANGIA SENERHAT HIGH SCHOOL

104554

BARAHATIA ADARSHA HIGH SCHOOL

104592

DURGAPUR NENDRA CHANDRA HIHG SCHOOL

104605

MITHANALA RAMDAYAL HIGH SCHOOL

104621

OSMANPUR MULTILETERAL HIGH SCHOOL

104629

SAFIUL ALAM ADARSHA HIGH SCHOOL

104640

SHANTER HAT ISLAMIA ALIM MADRASHA

104676

RABEYA BASRI GIRLS HIGH SCHOOL

104713

ARFA-KARIM HIGH SCHOOL

104724

KARTALA BEKHAIN MAHABODHI HIGH SCHOOL

104733

SOUTH BHURSHI HIGH SCHOOL

104734

BATHUA HIGH SCHOOL

104738

MUZAFFARABAD GIRLS HIGH SCHOOL

104739

HAIDGAON HIGH SCHOOL

104788

RANGUNIA M M P HIGH SCHOOL

104795

BEGUM IQBAL ZAKIR HUSSAIN GIRLS HIGH SCHOOL

104799

KODALA HIGH SCHOOL

104818

HOSNABAD LALANAGAR HIGH SCHOOL

104823

POMRA BANGABANDHU HIGH SCHOOL

104854

NOAPARA HIGH SCHOOL

104859

MAHAMUNI ANGLO PALI HIGH SCHOOL

104865

MOHAMMEDPUR HIGH SCHOOL

104868

KADALPUR SCHOOLAND COLLEGE

104874

HARPARA HIGH SCHOOL

104881

AGRASAR BOUDDHA ANATHALAY HIGH SCHOOL

104882

NORTH GUJRA HIGH SCHOOL

104892

KOTOWALI GHONA ADARSHA HIGH SCHOOL

104893

KACHU KHAIN MEAH ALI HIGH SCHOOL

104944

PURBA SANDWIP MULTILATERAL HIGH SCHOOL

104954

ABDUL KHALEK ACADEMY

104958

DWIP BANDHU MUSTAFIZUR RAHMAN HIGH SCHOOL

104961

BAURIA GOLAM KHALEQUE ACADMEY

104995

SATKANIA MODEL HIGH SCHOOL

104999

DHEMSHA HIGH SCHOOL

105003




দুই হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে শিগগিরই ধাপে ধাপে এমপিওভুক্তি

এমপিওভুক্তির জন্য দুই হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে যোগ্য হিসেবে বিচেনা করা হয়েছে। শিগগিরই ধাপে ধাপে এমপিওভুক্তির কাজ শুরু করা হবে।

রোববার (১৭ ফেব্রুয়ারি) স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে বিরোধীদল জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য পীর ফজলুর রহমানের এক সম্পূরক প্রশ্নের উত্তরে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি একথা জানান।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অনলাইনে আবেদন করে প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে তথ্য দিয়েছে। সাড়ে ৯ হাজার আবেদন আসে। এর মধ্যে থেকে দুই হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে যোগ্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। যে ধরনের তথ্য চাওয়া হয়েছিল প্রতিষ্ঠানগুলো সেগুলো পূরণ করেছে। কম্পিউটারাইজড প্রক্রিয়ায় এটা করা হয়েছে। এর ভেতর থেকে অর্থপ্রাপ্তি সাপেক্ষে ধাপে ধাপে এমপিওভুক্তি করা হবে।

‘সবগুলো একসঙ্গে পারবো না। ইতোমধ্যে অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছি। শিগগিরই এমপিওভুক্তির কাজ শুরু করতে পারবো।’

আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য এম আব্দুল লতিফের এক লিখিত প্রশ্নের উত্তরে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে সময়োপযোগী ও যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার ফলে ২০১৮ সালের জেএসসি, এসএসসি, এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস হয়নি। এমনকি প্রশ্নফাঁসের গুজবও ছড়ায়নি। ২০১৯ সালে অনুষ্ঠিত এসএসসি পরীক্ষায় এখন পর্যন্ত কোনো ধরনের প্রশ্নফাঁসের ঘটনা ঘটেনি।

তিনি আরও বলেন, পরীক্ষা পদ্ধতি পরিবর্তনের বিষয়ে সরকারের কাছে বেশ কিছু প্রস্তাব রয়েছে। প্রস্তাবগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে। বাস্তবতার নিরিখে পরীক্ষা পদ্ধতি পরিবর্তনের বিষয়টি বিবেচনা করা হবে। শিক্ষামন্ত্রণালয় থেকে পাবলিক পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস রোধে সম্ভাব্য সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

এডুকেশন বাংলা




‘৫ হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের চেয়ে স্কুলের দুনীতি গুরুত্বপূর্ণ’

দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ বলেছেন, ৫ হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের চেয়ে স্কুলের দুর্নতি গুরুত্বপূর্ণ। আজ রোববার দুপুরে এক ব্রিফিংয়ে তিনি সাংবাদিকদেরকে এ কথা বলেন।

গত সপ্তাহে দেশব্যাপী কোচিং সেন্টারে দুদকে অভিযান সংক্রান্ত একটি রিটের শুনানিতে হাইকোর্ট ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছিলেন, ব্যাংকের হাজার হাজার কোটি টাকা লুট হচ্ছে আর শিক্ষকদের নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে দুদক।

আদালতের এই বক্তব্যের প্রতি সাংবাদিকরা দৃষ্টি আকর্ষণ করলে দুদক চেয়ারম্যান আজ উপরিউক্ত মন্তব্য করেন।

ইকবাল মাহমুদ আরও বলেন, দেশের আর্থ সামাজিক, রাজনৈতিক অবস্থার কারণে অনেক কিছুই আমরা সমানে আনতে পারি না। কমিশনের একার পক্ষে দুর্নীতি দমন সম্ভব না। রাজনৈতিক অঙ্গীকার ছাড়া দুর্নীতি দমন করা যায় না।

তিনি আরও বলেন, সব দুর্নীতি ধরা কমিশনের ম্যান্ডেট না। যে বিষয়গুলো দুদকের আওতায় নেই সেগুলোকে আমরা সরকার বা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নজরে আনি। কমিশন দুর্নীতিকে বিচার বিভাগ পর্যন্ত টেনে নিতে পারে। কিন্তু দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে পারবো না।

তিনি জানান, সরকারি কর্মকর্তাদের যারা দুর্নীতিবাজ তাদের তালিকা তৈরির চেষ্টা করছি, সম্পদের হিসাব নিচ্ছি। দুর্নীতিবাজদের ছাড় দিবো না।

দুদক চেয়ারম্যান বলেন, আমাদের অনেক ব্যর্থতা আছে। কাঙ্খিত মাত্রায় দুর্নীতি কমাতে পারিনি।

কমিশনের ভেতরেও দুর্নীতি আছে স্বীকার করে চেয়ারম্যান আরও বলেন, নেতৃত্ব সঠিক থাকলে সেই প্রতিষ্ঠানের দুর্নীতি কমবে। সিস্টেম ঠিক থাকলে দুর্নীতি কমবে। মানসিকতা, মূল্যবোধের ইতিবাচক পরিবর্তন করা দরকার সবার আগে।




শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষক কোচিং করাতে পারবেন না : হাইকোর্ট

কোচিং বাণিজ্য বন্ধে ২০১২ সালের নীতিমালা অনুসারে দেশের সরকারি কিংবা বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা কোচিং করাতে পারবেন না বলে জানিয়েছেন হাইকোর্ট। তবে, যেসব ব্যক্তি কোনো প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক হিসেবে নিযুক্ত নন, শুধুমাত্র তারাই ফ্রিল্যান্সার হিসেবে কোচিং করাতে পারবেন বলে জানিয়েছেন আদালত।

সোমবার (১১ ফেব্রুয়ারি) আদালতে উপস্থিত থাকা দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আইনজীবী মো. খুরশীদ আলম খানকে উদ্দেশ্য করে হাইকোর্টের বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এমন কথা বলেন।

মো. খুরশীদ আলম খান সাংবাদিকদের বলেন, অন্য একটি মামলাকে কেন্দ্র করে হাইকোর্টে উপস্থিত ছিলাম। তখন আদালত আমাকে ডেকে জানান, কোচিং নিয়ে বিচারপতিগণ টেলিভিশনে দেয়া আমার দুটি টকশো দেখেছেন। তাই কোচিংয়ের সংজ্ঞা নিয়ে তারা (বিচারপতিগণ) বক্তব্য স্পষ্ট করে আমাকে জানান, ‘শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের বাইরে যারা ফ্রিল্যান্সার হিসেবে কোচিংয়ের সাথে যুক্ত তারা তাদের কার্যক্রম চালু রাখতে পারবেন। তবে যারা কোনো না কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সাথে যুক্ত তাদের ক্ষেত্রে সরকারের করা কোচিং বাণিজ্য বন্ধের ২০১২ সালের নীতিমালা প্রযোজ্য হবে।’

আদালতের এই বক্তব্যের ফলে কোচিং বাণিজ্য বন্ধে ২০১২ সালের নীতিমালা অনুসারে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠদানে যুক্ত থাকা শিক্ষকরা কোনোভাবেই কোচিং করাতে পারবেন না বলেও জানান আইনজীবী খুরশীদ আলম খান।

 

গত ৭ ফেব্রুয়ারি কোচিং বাণিজ্য বন্ধে ২০১২ সালে সরকারি অনুমোদিত নীতিমালা বৈধ ঘোষণা করেন হাইকোর্ট। এ সংক্রান্ত পাঁচটি পৃথক রিটের শুনানি শেষে হাইকোর্টের বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও রাজীব আল জলিলের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ রায় দেন। তবে, তারও আগে কোচিং বাণিজ্যের অভিযোগে মতিঝিল সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করতে সরকারের পক্ষ থেকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়া হয়।

দুদকের প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে ওই নোটিশ দেয় সরকার। পরে ওই নোটিশ ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের কোচিং বাণিজ্য বন্ধের নীতিমালা-২০১২ নিয়ে শিক্ষকরা হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন। এরপর আদালত গত বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি ওই চিঠির কার্যকারিতা চার মাসের জন্য স্থগিত করার পাশাপাশি রুল জারি করেন।

 

হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে দুদক ও রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগে আপিল করার অনুমতি চেয়ে লিভ টু আপিল করে। পরে আপিল বিভাগ গত বছরের ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে বিচারপতি শেখ হাসান আরিফের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চেকে মামলার ওপর জারি করা রুল নিষ্পত্তি করতে নির্দেশ দেন।

আদালত এ রুল নিষ্পত্তির জন্য সাবেক দুই অ্যাটর্নি জেনারেল হাসান আরিফ ও ফিদা এম কামালকে অ্যামিকাস কিউরি হিসেবে নিয়োগ দেয়। এর দীর্ঘদিন পর চূড়ান্ত শুনানি শেষ করে গত ৭ ফেব্রুয়ারি রায় ঘোষণা করা হয়।

এডুকেশন বাংলা




যোগদানে বাধা বা ঘুষ চাইলে প্রতিষ্ঠান প্রধানের বেতনভাতা স্থগিত

এনটিআরসিএ সুপারিশপ্রাপ্তদের শিক্ষক পদে যোগদানে বাধা দিলে বা ঘুষ চাইলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রধানের এমপিও স্থগিত অথবা বাতিল করা হবে। একই সাথে পরিচালনা কমিটির বিরুদ্ধেও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে। গতকাল প্রকাশিত মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা গেছে। সুপারিশপ্রাপ্তদের কাছ থেকে ঘুষ চাওয়া ও তাদেরকে হয়রানির অভিযোগ পেয়েছে অধিদপ্তর। এমন প্রেক্ষাপটে এ জরুরি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে অধিদপ্তর।

http://www.educationbangla.com/media/PhotoGallery/2017June/ntr20190211044922.jpg

এডুকেশন বাংলা




‘প্রত্যেক সরকারি প্রাথমিকে অফিস সহকারী দিতে চাই’

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন বলেছেন, ‘সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকরা প্রতিদিন শিক্ষা অফিসে কাগজপত্র নিয়ে দৌড়াদৌড়ি করেন। এই কষ্ট লাঘবের জন্য আমরা একটা ব্যবস্থা করতে চাই, প্রত্যেক স্কুলে অফিস সহকারী দিতে চাই। আর সে কার্যক্রমও চলতি পথে।’

গতকাল শুক্রবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

জাকির হোসেন বলেন, ‘শেখ হাসিনা যদি বেঁচে থাকেন, তাহলে আপনাদের যত দাবি আছে, তা নিয়ে চিন্তা করতে হবে না। কারণ তিনি শিক্ষকদের কথা বলেন, দেশের কথা বলেন, দেশের মানুষের কথা বলেন।’

তবে শিক্ষকদের উদ্দেশে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আপনাদের অনেকেই সময় মতো স্কুলে যান না, প্রক্সি শিক্ষক দ্বারা ক্লাস নেন। এগুলো বন্ধ করতে হবে। প্রকৃত শিক্ষক যদি না হন, তবে মর্যাদা পাবেন না।’

অনুষ্ঠানে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালেদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘এ দেশে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সরকার গঠন করা হয়েছে শিক্ষার অধিকার প্রতিষ্ঠা করার জন্য। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সব সময় আপনাদের সঙ্গে আছে।




মাধ্যমিক পর্যায়ে ‘স্টুডেন্ট কেবিনেট’ নির্বাচন মার্চে

আগামী মার্চে সারাদেশের মাধ্যমিক স্কুল ও মাদ্রাসায় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ‘স্টুডেন্ট কেবিনেট নির্বাচন’।

আগামী ২৬ জানুয়ারি নির্বাচনের কথা বলা হলেও নির্বাচন পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ শিক্ষা তথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরো (ব্যানবেইস) জানিয়েছে, নির্বাচন হবে আগামী মার্চ মাসের প্রথম সপ্তাহে। ভর্তির হার বৃদ্ধি, ঝরে পড়া রোধ, উন্নয়ন কর্মকা-ে সম্পৃক্ত করা এবং শিশুদের মাঝে গণতন্ত্র চর্চার লক্ষ্যকে সামনে রেখে বিদ্যালয়ে স্টুডেন্টস কেবিনেট নির্বাচন হচ্ছে। ২০১৫ সাল থেকে এই নির্বাচন হচ্ছে। ২০১০ সাল থেকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একই আদলে নির্বাচন হয়ে আসছে।

ব্যানবেইস মহাপরিচালক মো. ফসিউল্লাহ গতকাল বলেছেন, ‘আগামী ২৬ জানুয়ারি সারাদেশে স্টুডেন্ট কেবিনেট নির্বাচনের একটা খবর প্রকাশ হয়েছে। ওই তারিখে আসলে আমরা নির্বাচনের বিষয় চূড়ান্ত করিনি।

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতর (মাউশি) ২৬ জানুয়ারি নির্বাচনের তারিখ উল্লেখ করে চিঠি দিয়েছে। আমরা কিছুই চূড়ান্ত করিনি।’

আগামী ২৬ জানুয়ারি নির্বাচন হচ্ছে না জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আবার ফেব্রুয়ারির ১ তারিখ থেকে সারাদেশে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। ফলে তখনো নির্বাচন করা সম্ভব হবে না। পরীক্ষার পরে মার্চ মাসের প্রথম সপ্তাহে নির্বাচনটা আমরা করবো। দু’একদিনের মধ্যেই আমরা বিজ্ঞপ্তি দিয়ে নির্বাচনের বিষয়টি পরিষ্কার করবো।’




কাগজবিহীন দপ্তর হবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জানান তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তফা জব্বার জানান, দেশের প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দফতর ২০২১ সালের মধ্যে কাগজবিহীন হবে।

শুক্রবার (১৮ জানুয়ারি) বিকালে বোয়ালখালী পৌর এলাকার ‘পাঠশালা’র বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে দেশের প্রতিটি স্কুলে মাল্টিমিডিয়া ক্লাস চালু হচ্ছে। মূলত বই, কাগজ, চক ও ডাস্টারবিহীন শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করার জন্য সরকার এই পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। এমনকি এই আধুনিকতার ধারাবাহিকতায় প্রাক-প্রাথমিক থেকে উচ্চতর শিক্ষা ব্যবস্থাকে এই মাল্টিমিডিয়ার আওতায় নেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, এখন ঘরে বসে কৃষি পরামর্শ ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া যাচ্ছে এবং প্রযুক্তিগত শিক্ষায় শিক্ষিত হলে তবেই চাকরি মিলবে।

এই অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সাংসদ মঈনউদ্দীন খান বাদল, ডাক টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব শ্যামসুন্দর সিকদার, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আছিয়া খাতুন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) একরামুল ছিদ্দিক, এসিআই লিমিটেডের পরিচালক প্রিয়তোষ দত্ত ও সহযোগী অধ্যাপক ডা. রজত বিশ্বাস, আনন্দ কম্পিউটার্সের সিইও জেসমিন জুঁই ও ব্যবসায়ী হিরন্ময় দত্ত।




প্রাথমিক শিক্ষকরা সন্তানদের কিন্ডারগার্টেনে পড়াতে পারবেন না

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব মো. আকরাম-আল-হোসেন বলেছেন, ‘প্রাথমিক স্কুলশিক্ষকদের সন্তানদের কিন্ডারগার্টেনে পড়ানো যাবে না।’ মঙ্গলবার (১৫ জানুয়ারি) সচিবালয়ে ভিডিও কনফারেন্সে ঢাকা জেলার প্রাইমারী শিক্ষকদের সাথে মতবিনিময়ের সময়ে এ কথা বলেন তিনি।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন বলেন, প্রাথমিক স্কুল থেকে বাচ্চারা যেন আর কিন্ডারগার্টেনে বা কেজি স্কুলে না যায় সেই ব্যবস্থা করা হবে। প্রাইমারি স্কুলের মান বাড়ানো গেলে কেজি স্কুলের বাচ্চারা প্রাইমারি স্কুলে পড়তে আসবে।’

আকরাম আল হোসেন বলেন, শিক্ষকদের পেনশন পেতে সমস্যা হয়, তা দূর করা হবে। তিনি ভিডিও কনফারেন্সেই স্থানীয় ই্‌উএনওদের নির্দেশ দিয়ে বলেন, যেসব শিক্ষকরা আগামী দুই মাসের মধ্যে অবসরে যাবেন তাদের ডাটা বেইজ তৈরি করুন। কোনো শিক্ষক পেনশন পেতে হয়রানির শিকার হলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। তিনি বলেন, শিক্ষকেদের পদোন্নতি শিগগিরই হবে। এ ক্ষেত্রে যে জটিলতা আছে তা দুই একদিনের ভেতর কেটে যাবে।

সচিব শিক্ষকদের সকাল ৯টার মধ্যে অবশ্যই স্কুলে যাওয়ার নির্দেশ দেন। পাশাপাশি প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের ইংরেজি শিক্ষার ওপরেও জোর দেন তিনি।

প্রাথমিক স্কুলগুলোর প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে সহকারী শিক্ষকদের বেতন বৈষম্য দূর করা হবে এবং এ সংক্রান্ত নীতিমালা তৈরি করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ জাকির হোসেন। প্রাথমিক শিক্ষকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আপনারা সঠিক দায়িত্ব পালন করবেন, জাতি এবং দেশ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন। হারাম খাবেন না। আপনারা সরকারকে সহায়তা করুন, সরকার আপনাদের সহায়তা করবে।’

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘দুর্নীতির ক্ষেত্রে আমরা জিরো টলারেন্স। আপনাদের অভাব থাকলে সরকার তা পূরণ করবে। শিক্ষকরাই পারেন বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে। শিক্ষকরাই পারেন ভালো জাতি উপহার দিতে আবার শিক্ষকরাই পারে জাতিকে ধ্বংস করে দিতে।’

শিক্ষকদের অনেক সমস্যা আছে উল্লেখ করে জাকির হোসেন বলেন, ‘এসব সমস্যা উদঘাটন করে সমাধান করা হবে। প্রাথমিক শিক্ষার মান ভালো না বলে শিক্ষার্থীরা কেজি স্কুলে যাচ্ছে। সেখান থেকে শিক্ষার্থীদের কীভাবে ফিরিয়ে আনা যায় তা আপনাদের ভালো ভূমিকার ওপর নির্ভর করবে। ছেলেমেয়েদের নিজের সন্তানের মত করে দেখুন। এটি আপনাদের কাছে আমার সবিনয় অনুরোধ।’

 




এসএসসি পরীক্ষার প্রবেশপত্র বিতরণ শুরু ২০ জানুয়ারি

এসএসসি পরীক্ষার প্রবেশপত্র ২০ জানুয়ারি থেকে বিতরণ করবে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড। এদিন কেন্দ্র সচিবরা বোর্ড থেকে কেন্দ্রের সব পরীক্ষার্থীদের প্রবেশপত্র সংগ্রহ করবেন। ২১ জানুয়ারি তিনি কেন্দ্রের অধীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে বিতরণ করবেন। আর প্রবেশপত্রে ভুল থাকলে ২২ থেকে ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত বোর্ডে তা সংশোধনের আবেদন করতে পারবেন প্রতিষ্ঠান প্রধানরা।

বুধবার ঢাকা বোর্ড থেকে এ সংক্রান্ত চিঠি কেন্দ্র সচিবদের কাছে পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে।

চিঠিতে বলা হয়, ২০ জানুয়ারি বোর্ডের মাধ্যমিক পরীক্ষা শাখা থেকে ২০১৯ সালের এসএসসি পরীক্ষার প্রবেশপত্র বিতরণ করা হবে। কেন্দ্র সচিব নিজে অথবা তার প্রাধিকারপ্রাপ্ত কোনো শিক্ষককে (স্বাক্ষর সত্যায়িতসহ) অফিস চলাকালীন সময়ে বোর্ড থেকে প্রবেশপত্র সংগ্রহ করবেন। ২১ জানুয়ারি তিনি কেন্দ্রের অধীন প্রতিষ্ঠানগুলোতে এসএসসির প্রবেশপত্র বিতরণ করবেন। এছাড়া কেন্দ্র সচিব বা তার প্রাধিকারপ্রাপ্ত কোনো শিক্ষক ব্যতীত অন্য কাউকে প্রবেশপত্র দেয়া হবে না বলেও চিঠিতে জানিয়েছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড।

প্রবেশপত্রে কোন ভুল-ক্রটি থাকলে তা সংশোধনে ২২ থেকে ৩০ জানুয়ারির মধ্যে প্রতিষ্ঠান প্রধানদের বোর্ডের মাধ্যমিক শাখার উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক বরাবর আবেদন করতে বলা হয়েছে। প্রবেশপত্র সংশোধন করানো না হলে পরীক্ষায় এ সংক্রান্ত জটিলতা সৃষ্টি হলে প্রতিষ্ঠান প্রধানরা দায়ী থাকবেন বলেও জানিয়েছে ঢাকা বোর্ড।

বিস্তারিত জানতে 




এইচএসসি পরীক্ষার ফরমপূরণে সময় ১০ জানুয়ারী পর্যন্ত বাড়লো

২০১৯ সালের এইচএসসি/ডিআইবিএস পরীক্ষার ফরমপূরণের সময় বৃদ্ধি করা হয়েছে। এই সময় আগামী ১০ জানুয়ারী পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।

আজ বুধবার (০২ জানুয়ারী) এ সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডে।

 

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ২০১৯ সালের এইচএসি/ডিআইবিএস পরীক্ষায় ‘সোনালী সেবার’ মাধ্যমে ১০০ (একশত) টাকা বিলম্ব ফিসহ আবেদন ফরম পূরণের সময় ০৩/০১/২০১৯ থেকে ১০/০১/২০১৯ পর্যন্ত পুনঃনির্ধারণ করা হলো।

বিজ্ঞপ্তি:

http://www.educationbangla.com/media/PhotoGallery/2017June/2019010212385497188520190102132234.jpg




প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পাঠ্যপুস্তক বিতরণের নির্দেশিকা

২০১৯ শিক্ষাবর্ষে প্রাক-প্রাথমিক, প্রাথমিক স্তর, মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠির বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক বিতরণের নির্দেশিকা প্রদান করা হয়েছে। আজ ২০ ডিসেম্বর প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে এবিষয়ে এক পরিপত্র জারি করা হয়।

নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, ৩১ জানুয়ারীর মধ্যে সকল পাঠ্যপুস্তক সকল শিক্ষার্থীদের মধ্যে ১০০% বিতরণ সম্পন্ন করতে হবে। এবং ২৮ ফ্রেবরুয়ারীর মধ্যে ভর্তিকৃত সকল ছাত্র-ছাত্রীদের সংখ্যা বা নাম লিপিবদ্ধ করতে হবে।

২০১৯ শিক্ষাবর্ষে মুদ্রিত প্রাক প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের জন্য একটি (০১) আমার বই এবং একটি করে অনুশীলন খাতা সরবরাহ করা হবে।

 

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক ছাড়া কারো নিকট পাঠ্যপুস্তক প্রদান করা যাবে না। আর বেসরকারি স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে নির্বাহী প্রধানের নিকট বই হস্তান্তর করতে হবে।

বোদ্ধ ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা এবং খ্রিস্টান ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা নামীয় পাঠ্যপুস্তক জেলা পর্যায়ে সরবরাহ করা হবে। উপজেলাগুলো প্রয়োজন অনুযায়ী সেখান থেকে সরবরাহ করবে।

২০১৯ সালে নতুন পাঠ্যপুস্তক সরবরাহ করা হবে। বিগত বছরের কোন বই বিদ্যালয়ে পর্যায়ে সরবরাহ করা যাবেনা।

বিনামূল্যের প্রাথমিক স্তরের পাঠ্যপুস্তক বিক্রির অভিযোগ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরোদ্ধে শৃংখলা ও আপিল বিধিমালা ১৯৮৫ অনুযায়ী তার বিরোদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

২০১৯ সালে পাচঁটি(০৫) ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠির ভাষায় প্রাক- প্রাথমিক টিচিং প্যাকেজ ১ম ও ২য় শ্রেণির পাঠ্যপুস্তক সরবরাহ করা হবে।

পাঠ্যপুস্তক বিতরণ করা হবে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাথে সংযুক্ত প্রাথমিক বিদ্যালয়, সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ইত্যাদি আরো অনেক প্রতিষ্ঠানে বিতরণ করা হবে।

বিস্তারিত:

http://www.educationbangla.com/media/PhotoGallery/2017June/206-120181220125636.jpg

 http://www.educationbangla.com/media/PhotoGallery/2017June/206-220181220125643.jpg




শিক্ষকদের ছুটি বাতিল নির্বাচনের ১০ দিন পর পর্যন্ত

নির্বাচন কর্মকর্তা (বিশেষ বিধান) আইনের বিধান সম্পর্কে সচেতন হয়ে নির্বাচনী দায়িত্ব পালন করতে কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষকদের প্রতি বিশেষভাবে অনুরোধ জানিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। এর প্রেক্ষিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং অধিদপ্তরে প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে নির্বাচনের ১০ দিন পর পর্যন্ত শিক্ষকদের দেশের বাইরে যাওয়াসহ সব ধরনের ছুটি বাতিল করা হয়েছে।

এর প্রেক্ষিতে গত ২৫ নভেম্বর মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের পত্রের বরাত দিয়ে শিক্ষাসংশ্লিষ্ট ১৬টি দপ্তরের প্রধানকে চিঠি দেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এতে বলা হয়, সরকারি ও সরকারি অনুমোদনপ্রাপ্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষিকারা নির্বাচনের কাজে প্রত্যক্ষভাবে দায়িত্বপ্রাপ্ত হবেন। ভোটগ্রহণের কাজে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এবং প্রতিষ্ঠানের আসবাবপত্র নির্বাচনে ব্যবহৃত হবে। তাই শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সব অনুবিভাগ প্রধান, অধিদপ্তর, দপ্তর, সংস্থা এবং তাদের আওতাধীন সব প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত শিক্ষক-কর্মচারীদের এ সংক্রান্ত আইন সম্পর্কে সচেতন থেকে নির্বাচনী দায়িত্ব পালন করতে অনুরোধ করা হলো।

এ ছাড়া ২৭ নভেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা (মাউশি) অধিদপ্তরের এক নির্দেশে বলা হয়, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও কর্মচারী কোনো প্রার্থীর নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যবহৃত হতে পারবেন না। এ ছাড়া মাউশি অধিদপ্তর থেকে এখন দেশের বাইরে যাওয়ার জন্য কোনো ছুটির আবেদন মঞ্জুর করা হচ্ছে না। দর্শনীয় স্থান ভ্রমণ, বেড়ানো বা অন্য কোনো কাজে কোনো শিক্ষক বিদেশে যেতে চাইলে তা ফেরত দেওয়া হচ্ছে।

মাউশি অধিদপ্তরের পরিচালক (কলেজ ও প্রশাসন) অধ্যাপক মোহাম্মদ শামছুল হুদা বলেন, ‘শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে নির্বাচন সংক্রান্ত নির্দেশনা এলে আমরা সবাইকে জানিয়ে দিচ্ছি। এরই মধ্যে আচরণ বিধিমালা সংক্রান্ত নির্দেশ ওয়েবসাইটে দেওয়া হয়েছে। আগামী দিনে আরো এলে সেগুলোও দেওয়া হবে।’

তিনি বলেন, ‘নির্বাচনের কারণে এখন শিক্ষকদের কোন ছুটিও মঞ্জুর করা হচ্ছে না। তবে অসুস্থতাজনিত ছুটির আবেদনগুলো মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশনে পাঠানো হচ্ছে। ছুটির ব্যাপারে সিদ্ধান্ত এখন নির্বাচন কমিশনের হাতে।

প্রসঙ্গত, আগামী নির্বাচনে কতসংখ্যক শিক্ষক দায়িত্ব পালন করবেন সে ব্যাপারে কেন্দ্রীয় কোনো তথ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের হাতে নেই। কারণ, উপজেলা ও জেলা পর্যায়ের নির্বাচনী অফিস ও প্রশাসন নির্বাচনী কর্মকর্তাদের তালিকা তৈরি করে থাকে।

আগামী ৩০ ডিসেম্বর জাতীয় সংসদ নির্বাচন। সাধারণত ভোট গ্রহণ করা হয় বিভিন্ন স্কুল ও কলেজে। আর নির্বাচনী দায়িত্ব, বিশেষ করে প্রিসাইডিং অফিসার, সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার ও পোলিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন শিক্ষকদের বড় একটি অংশ। তাই শিক্ষা মন্ত্রণালয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ, ম্যানেজিং কমিটি ও শিক্ষকদের নির্দেশ দিয়েছে তারা যেন নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে নির্বাচন কমিশনকে সর্বাত্মক সহায়তা করেন।

যারা প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তা তাদের সাধারণত প্রিসাইডিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়। এরপর দ্বিতীয় শ্রেণির কর্মকর্তাদের দেওয়া হয় সহকারী প্রিসাইডিং ও পোলিং অফিসারের দায়িত্ব। সরকারি কলেজের সব শিক্ষক এবং সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকরা প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তা। আর বাকি শিক্ষকরা দ্বিতীয় শ্রেণির পদমর্যাদার।

দেশে সরকারি কলেজে শিক্ষকসংখ্যা প্রায় ১৫ হাজার, সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকসংখ্যা ১০ হাজার, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকসংখ্যা প্রায় সাড়ে চার লাখ এবং এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকসংখ্যা প্রায় পৌনে চার লাখ। সব মিলিয়ে সাড়ে আট লাখ শিক্ষক, যারা নির্বাচনী দায়িত্ব পালন করার যোগ্য।




সরকারি কলেজের শিক্ষকদের আইসিটি প্রশিক্ষণ কোর্স শুরু রবিবার

 

   

ঢাকা, ময়মনসিংহ ও চট্টগ্রাম বিভাগের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক অধিদপ্তরের অধীন সরকারি কলেজসমূহের প্রভাষক/সহকারী অধ্যাপক/ সহযোগী অধ্যাপক/ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ৫ দিন ব্যাপী আইসিটি ট্রেনিং কোর্স ৯ ডিসেম্বর (রবিবার) সকাল ৯টা থেকে শুরু হবে।

ঢাকা বিভাগের জন্য সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ ঢাকা। ময়মনসিংহের জন্য ময়মনসিংহ টিচার্স ট্রেনিং কলেজ এবং চট্টগ্রামের জন্য চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত হবে।

শিক্ষকদের তালিকা:

http://www.educationbangla.com/media/PhotoGallery/2017June/f1a7daff0c28fcb4c7f83756231243ac-120181208143456.jpg

http://www.educationbangla.com/media/PhotoGallery/2017June/f1a7daff0c28fcb4c7f83756231243ac-220181208143723.jpg

http://www.educationbangla.com/media/PhotoGallery/2017June/cb10e058da96d7e52961c827e491362920181208143029.jpg

http://www.educationbangla.com/media/PhotoGallery/2017June/c91e9009a4ec1304cecee7e69bd33a1920181208142916.jpg




‘ঈদে মিলাদুন্নবী’ উদযাপনে মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা সব স্কুল-কলেজে

সরকারি ও বেসরকারি স্কুল ও কলেজে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী উদযাপনের জন্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। আগামী ১২ই রবিউল আওয়াল ১৪৪০ হিজরী ইংরেজি ২১ নভেম্বর বুধবার ঈদে মিলাদুন্নবী (সা:) দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জাতীয় পর্যায়ে পালনের নিদের্শ দেয়া হয়েছে।

সোমবার ১৯ নভেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগে এ সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা জারি করা হয়।

নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ঈদে মিলাদুন্নবী উদযাপন উপলক্ষ্যে দেশের সকল সরকারি ও বেসরকারি স্কুল ও কলেজে মহানবী সা: এর জীবনী ও কমের্র উপর আলোচনা, বিশেষ করে ইসলামি শান্তি, প্রগতি, সৌহার্দ, সহিষ্ণুতা, বিশ্ব ভ্রাতৃত্ব, মানবাধিকার, নারীর মর্যাদা ইত্যাদি বিষয়ের উপর আলোচনা সভা ও ওয়াজ মাহফিল অনুষ্ঠান আয়োজনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্যে নিদের্শক্রমে অনুরোধ করা হলো।

http://www.educationbangla.com/media/PhotoGallery/2017June/310 (1)20181119091417.jpg

এডুকেশন বাংলা




গোলাম ফারুক শিক্ষা অধিদপ্তরের নতুন মহাপরিচালক

সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক হিসাবে নিয়োগ পেলেন অধ্যাপক ড. সৈয়দ মো. গোলাম ফারুক। তিনি নায়েমের মহাপরিচালক পদে দায়িত্ব পালন করছেন।

আজ রোববার (১৮ নভেম্বর) আদেশ জারি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ। ২০শে ফেব্রুয়ারি তিনি নায়েমের মহাপরিচালক পদে নিয়োগ পেয়েছিলেন।

আরও পড়ুন: নায়েমের নতুন মহাপরিচালক সাজ্জাদ রশিদ

 

তারও আগে তিনি মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম অঞ্চলেরর পরিচালক পদে ছিলেন। তিনি বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারের একজন অধ্যাপক।

আরো পড়ুন : মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মারা গেছেন

গত ৩ নভেম্বর মারা যান মাউশির মহাপরিচালক অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান। এর পর থেকে রুটিন দায়িত্ব পালন করছিলেন অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক শামসুল হুদা ।

অধ্যাপক ড. সৈয়দ মো. গোলাম ফারুককে অভিনন্দন জানিয়েছেন স্বাধীনতা বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সংসদ। বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতি। শিক্ষা বিষয়ক সাংবাদিকদের সংগঠন এডুকেশন রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ (ইরাব) এর সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান খান ও সাধারণ সম্পাদক সাব্বির নেওয়াজ।

—————————————————————————————————–

 

নতুন মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. সৈয়দ মো. গোলাম ফারুক ১৯৯৩ সালে বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারে ইংরেজি বিভাগের প্রভাষক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। ২০০৬ সালে তিনি অধ্যাপক হিসেবে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজে যোগ দেন। ২০০৮ সালে তৃতীয় গ্রেড লাভ করেন। দীর্ঘ সরকারি চাকরি জীবনে তিনি বাংলাদেশের বিভিন্ন সরকারি কলেজে শিক্ষকতার পাশাপাশি লিয়েনে সৌদি আরবের কিং খালিদ বিশ্ববিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন ইংরেজির অধ্যাপক হিসেবে চাকরি করেছেন।

নায়েমে যোগ দেওয়ার আগে তিনি পরিচালক হিসেবে মাধ্যমিক ও উচচ শিক্ষা অধিদদফরের চট্টগ্রাম অঞ্চলে কর্মরত ছিলেন। মো. গোলাম ফারুক জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি বিষয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তী সময়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফলিত ভাষাবিজ্ঞান ও ইংরেজি ভাষা শিক্ষাদানের ওপর পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন।

উল্লেখযোগ্য বইগুলো হলো—‘প্লেটো: দর্শন ও রাষ্ট্রচিন্তা’, ‘অস্তিত্ববাদের স্রষ্টা সোরেন কিয়ের্কেগার্ড’, ‘দিবালোকে দুঃস্বপ্ন,’ ‘দি মুরং:  এন এথনিক মাইনোরিটি অব বাংলাদেশ’।

 

আদেশ দেখুন।

http://www.educationbangla.com/media/PhotoGallery/2017June/46380942_381822125892143_751480832824180736_n20181118115124.jpg

এডুকেশন বাংলা




বিজয় দিবসে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ক্রীড়া প্রতিযোগিতার নির্দেশ

যথাযোগ্য মর্যাদার সাথে বিজয় দিবস উদযাপনে এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে দেশপ্রেম জাগরণে দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের নিয়ে ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আয়োজনের নির্দেশ দিয়েছে সরকার।

বুধবার (১৪ নভেম্বর) মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা যায়। ক্রীড়া প্রতিযোগিতার মধ্যে রয়েছে- টি-২০ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট, ফুটবল, কাবাডি ও হাডুডু খেলা।

সূত্রে আরো জানা যায়, বিজয় দিবসে সূর্য উদয়ের সাথে সাথে দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করতে হবে এবং উল্লেখিত ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন করতে হবে।

এছাড়াও আগামী ১৬ ডিসেম্বর থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক অনুষ্ঠান, জাতীয় পর্যায়ে বিতর্ক, আবৃত্তি ও রচনা প্রতিযোগিতার আয়োজন করতে হবে।




জানেন কি যে ১০ দেশের শিক্ষকরা বেশি সম্মান পান

শিক্ষকরা সবেচেয়ে বেশি মর্যাদা পান এমন শীর্ষ ১০টি দেশে :

১ চীন ২. মালয়েশিয়া ৩. তাইওয়ান ৪. রাশিয়া ৫. ইন্দোনেশিয়া ৫. দক্ষিণ কোরিয়া

৭. তুরস্ক. ৮. ভারত. ৯. নিউজিল্যান্ড ১০. সিঙ্গাপুর

আপনি যদি শিক্ষক হিসাবে ক্লাসরুমে সম্মান এবং মর্যাদা পেতে চান, তাহলে আপনাকে চীন, মালয়েশিয়া বা তাইওয়ানে যেতে হবে। আন্তর্জাতিক এক সমীক্ষা বলছে, এই তিনটি দেশে শিক্ষকদের সর্বাধিক মর্যাদা দেওয়া হয়।

শিক্ষক হিসাবে মর্যাদা পাওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে কম যে সব দেশে তার মধ্যে রয়েছে ব্রাজিল, ইসরায়েল এবং ইটালি।

ব্রিটেন-ভিত্তিক গবেষণা সংস্থা ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব ইকোনোমকি এবং সোশ্যাল রিসার্চ ৩৫টি দেশে ৩৫,০০০ মানুষের ওপর এক গবেষণা চালিয়ে যে “শিক্ষক মর্যাদা সূচক” প্রকাশ করেছে, তাতে এই চিত্র বেরিয়ে এসেছে।

ব্রিটেনে শিক্ষকের মর্যাদা সূচকের মাঝমাঝি জায়গায়। যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স এবং জার্মানির চেয়ে ওপরে।

চীন তালিকার সবচেয়ে ওপরে। চীনের ৮১ শতাংশ শিক্ষার্থী বিশ্বাস করে শিক্ষকদের সম্মান করতে হবে, যেখানে আন্তর্জাতিকভাবে এই গড় ৩৫ শতাংশ।

সম্মান করার সংস্কৃতি

ইউরোপ এবং দক্ষিণ আমেরিকায় শিক্ষকদের সম্মান দেওয়ার ইস্যু ততটা গুরুত্ব পায়না যতটা পায় এশিয়ায়।

বিশেষ করে চীন, দক্ষিণ কোরিয়া, তাইওয়ান বা মালয়েশিয়ায় শিক্ষকদের সামাজিক মর্যাদা অনেক ওপরে।

এবং আন্তর্জাতিকভাবে যে সব প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা হয়, সেখানে এই দেশের ছাত্র-ছাত্রীরাই সবচেয়ে ভালো করছে।

তার অন্যতম কারণ হচ্ছে, মর্যাদা রয়েছে বলে ভালো শিক্ষক পাওয়া এবং ধরে রাখাও সহজ হয় এসব দেশ।

গবেষণায় দেখা গেছে, চীন, ভারত বা গানায় এখনও পরিবারগুলো তাদের সন্তানদের শিক্ষক হতে উৎসাহিত করে।

অন্যদিকে ইসরায়েল বা ব্রিটেনে বাবা-মায়েরা চাননা তাদের সন্তানরা শিক্ষকতায় ঢুকুক।

ভার্কি ফাউন্ডেশন নামে যে দাতব্য প্রতিষ্ঠানটি এই গবেষণায় পয়সা জুগিয়েছে, সেটির প্রতিষ্ঠাতা সানি ভার্কি বলেন, “এই গবেষণায় একটি প্রচলিত বিশ্বাস প্রমাণিত হলো যে যেসব সমাজে শিক্ষকের মর্যাদা বেশি, সেখানে শিক্ষার্থীরা ভালো শিক্ষা পায়।”

“কোনো সন্দেহ ছাড়াই আমরা এখন বলতে পারি, শিক্ষককে মর্যাদা করা কোনো নৈতিক দায়িত্ব নয়, এটা কোনো দেশের শিক্ষার মানের জন্য জরুরী।”

 

— বিবিসি