স্মার্টফোন ভালো রাখতে যা করা উচিত

স্মার্টফোন এখন সবার হাতে হাতে। অস্বীকার করার উপায় নেই যে আমাদের জীবনযাত্রার গুরুত্বপূর্ন একটি অংশ হয়ে উঠেছে এই স্মার্টফোন। আর এই স্মার্টফোন ব্যবহার করতে গিয়ে প্রত্যেকেই কম বেশি সমস্যার মুখোমুখি হন। সচারচর হয়ে থাকে এমন কিছু সমস্যা থেকে দূরে রাখতে আমাদের যা করা উচিৎ:

অনেকেই এক টানা ফোন ব্যবহার করি। কোন রকম রিস্টার্ট বা শাটডাউন দেইনা ফোন কেনার দীর্ঘদিন অতিবাহিত হলেও। এতে অনেক অপ্রয়োজনীয় ডাটা বা ক্যাশ জমা হতে থাকে। ফোন এক্সপার্টরা বলছেন, সপ্তাহে অন্তত একদিন ফোন শাট ডাউন অথবা রিবুট করা উচিত। এতে ফোনের ক্যাশ ক্লিয়ার হয়।

মোবাইল ফোনের শত্রু পানি। বিষয়টি সবারই জানা। অনেকেই তাড়াহুড়া করে ভেজা হাতেই মোবাইল ফোন ধরি। কল রিসিভ করার চেস্টা করি। এটি মোটেও করা উচিৎ নয়। বিশেষ করে ফোনের হোম বাটনে কখনই ভেজা হাত লাগানো উচিৎ না।

ভাইরাস মুক্ত না থাকলে ফোন ব্যবহার করতে গিয়ে নানান ধরণের ঝুঁকিতে, বিড়ম্বনায় পড়তে হতে পারে আমাদেরকে। কোন কম্পিউটারে বা ল্যাপটপে ইউএসবি ক্যাবলের মাধ্যমে ফোন সংযুক্ত করার আগে সতর্ক থাকা উচিৎ তাতে এন্টিভাইরাস আছে কিনা।

অনেকেই বদঅভ্যাস বশত ফোন চার্জে দিয়ে ঘুমিয়ে যাই। এই বদঅভ্যাস টেনে আনতে পারে অহেতুক দুর্ঘটনা। আর ফুলচার্জ হওয়ার পরও চার্জ দেয়া থাকলে তা ফোন ব্যাটারির জন্যও ক্ষতিকর। অবশ্য অনেক ফোনেই ব্যাটারি ফুল চার্জ হয়ে গেল অ্যাডাপ্টার থেকে স্বয়ক্রিয়ভাবে রিচার্জ প্রক্রিয়া বন্ধ হয়ে যায়।

হুটহাট কোন সফটওয়্যার আপডেট বা ইনস্টল করার আগে জেনে নেয়া উচিৎ সেগুলো নিরাপদ কিনা। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ থার্ড পার্টির অ্যাপস ইনস্টল করার ব্যপারে সতর্ক থাকাটা জরুরি।

ধুলাবালি, ময়লা থেকে দূরে রাখুন আপনার প্রিয় স্মার্টফোনকে। মোবাইলের কভার, স্ক্রিন প্রটেক্টর, গ্লাস প্রটেক্টর ভালমানের ব্যবহার করাই উত্তম। ধুলাবালি, ময়লা থেকে দূরে রাখুন আপনার প্রিয় স্মার্টফোনকে।




যেভাবে কক্ষপথে পৌঁছালো বঙ্গবন্ধু-১

বেশ কয়েকবার তারিখ বদলের পর শুক্রবার বাংলাদেশ সময় দিবাগত রাত ২টা ১৪ মিনিটে মহাকাশের পথে উড়াল দেয় বাংলাদেশের প্রথম স্যাটেলাইট বঙ্গবন্ধু-১। উৎক্ষেপণের পর নির্ধারিত ৩৩ মিনিটেই স্যাটেলাইটটি কক্ষপথে পৌঁছে যায়। রকেট উৎক্ষেপণ সংস্থা স্পেসএক্স টুইটারে জিওস্টেশনারি ট্রান্সফার অরবিটে (জিটিও) স্যাটেলাইটটির অবতরণ নিশ্চিত করেছে।

উৎক্ষেপণের ৩৩ মিনিট ৪৭ সেকেন্ড পর কক্ষপথে পৌঁছায়উৎক্ষেপণের ৩৩ মিনিট ৪৭ সেকেন্ড পর কক্ষপথে পৌঁছায়

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় অবস্থিত ঐতিহাসিক কেপ কেনেডি সেন্টারের লঞ্চিং প্যাড থেকে মহাকাশের পথে উড়াল দেয় বঙ্গবন্ধু-১। স্যাটেলাইটটি বহন করে নিয়ে যায় স্পেসএক্স কোম্পানির সর্বাধুনিক প্রযুক্তির রকেট ফ্যালকন-৯ এর ব্লক-৫ সংস্করণ। সাড়ে তিন হাজার কেজি ওজনের এই স্যাটেলাইট। রকেটটি মহাকাশে বাংলাদেশের ভাড়া নেওয়া অরবিটাল স্লট ১১৯.১ ডিগ্রিতে নিয়ে যাবে স্যাটেলাইটটিকে।

স্পেসএক্স জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় শুক্রবার (১১ মে) কেনেডি স্পেস সেন্টারের লঞ্চ কমপ্লেক্স ৩৯এ থেকে সফলভাবে উৎক্ষেপণ করা হয়েছে বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট। উৎক্ষেপণ শুরু হয় ৪টা ১৪ মিনিটে এবং শেষ হয় ৬টা ২১ মিনিটে। উৎক্ষেপণের ৩৩ মিনিট ৪৭ সেকেন্ড পর স্যাটেলাইটটি জিটিওতে পৌঁছায়।

রকেট উৎক্ষেপণ শুরুরকেট উৎক্ষেপণ শুরু

স্পেসএক্স’র দেওয়া তথ্য অনুসারে, পুরো উৎক্ষেপণ প্রক্রিয়াকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে। প্রথম ধাপটি কাউন্ট ডাউন এবং দ্বিতীয় ধাপটি হচ্ছে লঞ্চ, ল্যান্ডিং ও স্যাটেলাইট ডেপলয়মেন্ট। প্রথম ধাপে স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ শুরু পর্যন্ত বিভিন্ন পদক্ষেপ রয়েছে। দ্বিতীয় ধাপটিতে রয়েছে উৎক্ষেপণের পর অবতরণ পর্যন্ত বিভিন্ন প্রক্রিয়া।

সংস্থাটি জানায়, উৎক্ষেপণের ১ মিনিট ১৪ সেকেন্ড পর রকেট ম্যাক্স কিউতে পৌঁছায়। ২ মিনিট ৩১ সেকেন্ডে প্রথম ধাপে মেইন ইঞ্জিন আলাদা হয়। ২ মিনিট ৩৬ সেকেন্ডে দ্বিতীয় ধাপে ইঞ্জিন চালু হয়। ৩ মিনিট ৩৭ সেকেন্ডে ঘটে ফেয়ারিং ডেপলয়মেন্ট। ৬ মিনিট ১৫ সেকেন্ড পর প্রথম পর্বের এন্ট্রি বার্ন হয়। ৮ মিনিট ১০ সেকেন্ড পর প্রথম পর্বের অবতরণ, ৮ মিনিট ১৯ সেকেন্ড পর দ্বিতীয় পর্বের ইঞ্জিন বিচ্ছিন্ন (এসইসিও-১) হয়। ২৭ মিনিট ৩৮ সেকেন্ডে দ্বিতীয় পর্যায়ের ইঞ্জিন চালু হওয়ার পর ২৮ মিনিট ৩৭ সেকেন্ডে দ্বিতীয় ধাপে ইঞ্জিন বিচ্ছিন্ন (এসইসিও-২) হয়। এরপর ৩৩ মিনিট ৪৭ সেকেন্ডে স্যাটেলাইটটি অরবিটে বা কক্ষপথে অবতরণ করে।

মেইন ইঞ্জিনের বিচ্ছিন্ন হওয়ার পর চালু হয় দ্বিতীয় ইঞ্জিনমেইন ইঞ্জিনের বিচ্ছিন্ন হওয়ার পর চালু হয় দ্বিতীয় ইঞ্জিন

বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইটে ২৬টি ‍কু-ব্যান্ড ট্রান্সপন্ডার ও ১৪টি সি-ব্যান্ড ট্রান্সপন্ডার রয়েছে। এটি সক্রিয় হলে দেশের টেলিভিশন ও ব্রডব্যান্ড যোগাযোগে উন্নতি ঘটবে। এ স্যাটেলাইটের কারণে তিন ধরনের সেবা ও ৪০ ধরনের সুফল পাওয়া যাবে। এই স্যাটেলাইটটি অরবিটাল স্লট ১১৯ দশমিক ১ ডিগ্রিতে অবস্থান করবে। এই অবস্থানে পৌঁছাতে থেকে ১২ দিন সময় লাগতে পারে।

এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত বিটিআরসি’র চেয়ারম্যান ড. শাহজাহান মাহমুদ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘অরবিটাল স্লট ১১৯ দশমিক ১ ডিগ্রিতে পৌঁছে সেট হওয়ার পর সিগন্যাল পাঠাতে স্যাটেলাইটটির ১০-১২দিন সময় লাগতে পারে। এখন আমাদের অপেক্ষা করা ছাড়া আর কোনও কাজ নেই।’

দূর থেকে যেমন দেখা গেছে বঙ্গবন্ধু-১ উৎক্ষেপণদূর থেকে যেমন দেখা গেছে বঙ্গবন্ধু-১ উৎক্ষেপণ

১১৯ দশমিক ১ ডিগ্রির অরবিটাল স্লটে (নিরক্ষরেখায়) অবস্থান করবে বাংলাদেশের নিজস্ব প্রথম স্যাটেলাইট বঙ্গবন্ধু-১। এটি উৎক্ষেপণের জন্য ইন্টারস্পুটনিকের কাছ থেকে ১৫ বছরের জন্য অরবিটাল স্লট বা নিরক্ষরেখা (১১৯ দশমিক ১ ডিগ্রি) লিজ নিয়েছে বাংলাদেশ। ২ কোটি ৮০ লাখ ডলার ব্যয়ে এ স্লট বরাদ্দ নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) সঙ্গে রাশিয়ার ইন্টারস্পুটনিক ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন অব স্পেস কমিউনিকেশনের মধ্যে একটি চুক্তি সই হয়। ১৫ বছরের চুক্তিটি করা হলেও তিন ধাপে তা ৪৫ বছর পর্যন্ত বাড়ানো যাবে। এই প্রকল্পে সরকারের যে টাকা খরচ হবে তা স্যাটেলাইট ভাড়া দিয়ে ৮ বছরে তুলে এনে এই প্রকল্পকে লাভজনক পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইটটি নির্মাণ করেছে ফ্রান্সের থ্যালাস অ্যালেনিয়া নামের একটি প্রতিষ্ঠান। স্যাটেলাইটের কাঠামো তৈরি, উৎক্ষেপণ, ভূমি ও মহাকাশের নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা, ভূ-স্তরে দুটি স্টেশন পরিচালনার দায়িত্ব এ প্রতিষ্ঠানটির। এই প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ২ হাজার ৯৬৭ কোটি টাকা। স্যাটেলাইটে থাকছে ৪০টি ট্রান্সপন্ডার। এগুলোর মধ্যে প্রাথমিকভাবে ২০টি ব্যবহার করবে বাংলাদেশ। অন্যগুলো ভাড়া দেওয়া হবে। স্যাটেলাইট বঙ্গবন্ধু-১-এর গ্রাউন্ড স্টেশন তৈরি করা হয়েছে গাজীপুর ও রাঙ্গামাটিতে।

 

 




প্রস্তুত বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১, বাংলাদেশিদের পদচারণায় মুখর

উৎক্ষেপণের জন্য আনুষ্ঠানিক প্রস্তুত বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার বিকাল ৪টা ১২ মিনিটে মহাকাশে যাবে বাংলাদেশের প্রথম এই কৃত্রিম উপগ্রহ। এই উৎক্ষেপণ উপলক্ষে বাংলাদেশিদের পদচারণায় উৎসবমুখর যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা রাজ্যের মিয়ামি, কোকোয়া বিচ ও অরল্যান্ডো এলাকা।

শুধু ফ্লোরিডা নয়, নিউইয়র্ক, নিউজার্সি, কানেকটিকাট, ম্যাসাচুসেটস, জর্জিয়াসহ বিভিন্ন রাজ্য থেকে শত শত প্রবাসী বাংলাদেশি ফ্লোরিডা যাচ্ছেন।

বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের উৎক্ষেপণ যান নির্মাতা প্রতিষ্ঠান স্পেস এক্স-এর মিডিয়া বিভাগ জানিয়েছে, স্থানীয় সময় বিকাল ৪টা ১২ মিনিটে মহাকাশে যাবে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১। মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা (নাসা) বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের জন্য আনুষ্ঠানিক সময় ঘোষণা করেছে। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনও (বিটিআরসি) প্রস্তুত। ইতিমধ্যে ঢাকা থেকে ফ্লোরিডা ছুটে গেছেন ৩০ সদস্যের বাংলাদেশ প্রতিনিধি দল।

আওয়ামী লীগের যুক্তরাষ্ট্র শাখার সভাপতি ও বিশিষ্ট কৃষি বিজ্ঞানী ড. সিদ্দিকুর রহমান, সেন্ট্রাল ফ্লোরিডা মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি জয়নাল চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন সেন্টুসহ ফ্লোরিডার স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ।

ড. সিদ্দিকুর রহমান জানান, উৎক্ষেপণ অনুষ্ঠান উৎসবমুখর করতে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন রাজ্য থেকে দলের নেতাকর্মীরা ইতিমধ্যে ফ্লোরিডা যেতে শুরু করেছেন। শুধু দলের নেতা-কর্মীরাই নন, এই অনুষ্ঠান পর্যবেক্ষণে ফ্লোরিডাগামী হচ্ছেন বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষজন। ১০ মে‘র অনুষ্ঠান স্মরণীয় করে রাখতে পুরো দিনটি ঘিরে ফ্লোরিডা আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে ব্যাপক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। সকাল থেকে কেনেডি স্পেস সেন্টারের আশপাশে নেতাকর্মীরা আনন্দ র‌্যালি বের করবে। সন্ধ্যার পর থেকে ফ্লোরিডার আকাশজুড়ে আতশবাজির ঝলকানি দেখা যাবে।

তিনি বলেন, ৯ মে থেকে কেনেডি স্পেস সেন্টারের পার্শ্ববর্তী কোকোয়া বিচের অধিকাংশ হোটেলে রুম খালি নেই। অভ্যন্তরীণ এয়ার লাইন্সগুলোতেও আসন মিলছে না।

এদিকে উৎক্ষেপণ অনুষ্ঠানের পরের দিন কোকোয়া বিচ হোটেলে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছে ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ দূতাবাস। সজীব ওয়াজেদ জয় ওই সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত থাকতে পারেন বলে একটি সূত্র জানিয়েছে।

বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট মহাকাশে গেলে নিজস্ব স্যাটেলাইটের অধিকারী বিশ্বের ৫৭তম দেশ হিসাবে বাংলাদেশের আত্মপ্রকাশ ঘটবে। এছাড়া এই স্যাটেলাইট স্থাপনের মাধ্যমে বাংলাদেশের যেমন নির্ভরতা কমবে অন্য দেশের ওপর, তেমনি দেশের অভ্যন্তরীণ টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আসবে।




‘ছয় মাসের মধ্যে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিনামূল্যে ইন্টারনেট’

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, আগামী ছয় মাসের মধ্যে দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিনামূল্যে ইন্টারনেট সংযোগ দেয়া হবে এবং জনগণের সুবিধার্থে পর্যায়ক্রমে বাস-স্ট্যান্ড ও রেল স্টেশনগুলোতেও এ সংযোগ প্রদান করা হবে।

তিনি বলেন, ‘ফাইভ-জি চালু করার জন্য আমরা কাজ শুরু করেছি। পিছিয়ে পড়া জাতি হিসেবে আমরা আর থাকতে চাই না। আগামী এপ্রিল মাসে আমাদের স্যাটেলাইট চালু হবে।’

নেত্রকোনা জেলা প্রেসক্লাব আয়োজিত প্রেসক্লাব ভবনে গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে সাংবাদিকদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় মন্ত্রী এসব কথা বলেন। এসময় তিনি আরো বলেন, ‘রাজধানীর বাইরে ইন্টারনেট ব্যবস্থা নাজুক, এটা সঠিক, তবে এ থেকে উত্তরণের জন্য তার মন্ত্রণালয় কাজ করে যাচ্ছে।’ আর ইন্টারনেটের মূল্য বা ওয়াই-ফাইয়ের মূল্য সারা দেশে এক করার জন্য যা যা করার তার ব্যবস্থাও তিনি অচিরেই করবেন বলে জানান।

মন্ত্রী আরো বলেন, এখন প্রচলিত মিডিয়া সংবাদপত্র বা চ্যানেলগুলোর চেয়ে এখন সামাজিক বা সোশ্যাল মিডিয়া বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে। মুহূর্তের মধ্যে সকল খবর পৌঁছে যাচ্ছে। একটা সময় আসবে কাগজ কলমের যুগ শেষ হয়ে যাবে এবং শুধু ইন্টারনেটের যুগ থাকবে। সামনে যে নতুন নতুন প্রযুক্তি আসছে তা ধারণ বা গ্রহণ করার জন্য আমাদের সকলের সক্ষমতা অর্জন করতে হবে বলে উল্লেখ করেন মন্ত্রী।

নেত্রকোনা জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতিও জেলা প্রশাসক মঈন উল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মত বিনিময় সভায় অতিথিদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন পুলিশ সুপার জয়দেব চৌধুরী, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মতিউর রহমান, সম্পাদক ও সাবেক এমপি আশরাফ আলী খান খসরু, প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা হায়দার জাহান চৌধুরী, সম্পাদক শ্যামলেন্দু পাল, সাংবাদিক আলপনা বেগম, কামাল হোসেন।




উৎক্ষেপণের উদ্দেশ্যে ফ্লোরিডায় যাচ্ছে ‘বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১’

আগামী ১ এপ্রিল বাংলাদেশের প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ ‘বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১’ মহাকাশে উৎক্ষেপণের জন্যে আজ বৃহস্পতিবার ফ্রান্স থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যে পাঠানো হচ্ছে।

প্রকল্প পরিচালক মোহাম্মদ মেসবাহুজ্জামান জানান,  ফ্রান্সের থ্যালেস অ্যালেনিয়া স্পেস আজ সকালে ফ্রান্সের কানে অবস্থিত ওয়ারহাউস থেকে একটি বিশেষ বিমানে করে স্যাটেলাইটটি যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা পাঠাবে। স্যাটেলাইটটি   সেখানে পৌঁছালে উৎক্ষেপণের জন্য দায়িত্ব দেয়া মার্কিন ফার্ম স্পেসএক্স ৩০ মার্চ উপগ্রহটি গ্রহণ করে উৎক্ষেপণের জন্য প্রয়োজনীয় কাজ সম্পন্ন করবে।

৩ দশমিক ৭ টন ওজনের ‘বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১’  উৎক্ষেপণের তারিখ সম্পর্কে জানতে চাইলে প্রকল্প পরিচালক মেসবাহুজ্জামান জানান, স্পেসএক্স স্যাটেলাইটটি গ্রহণ করে আগামী ৩-৪ দিনের মধ্যে আমাদের উৎক্ষেপণের সম্ভাব্য তারিখ জানাবে।

‘বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১’ কে কক্ষপথে উৎক্ষেপণ করার জন্য বহনকৃত রকেটের সম্পর্কে জানতে চাইলে মেসবাহুজ্জামান বলেন, রকেটটি তৈরির কাজ দ্বিতীয় পর্যায়ে রয়েছে এবং আগামী কয়েকদিনের মধ্যে এটির প্রস্তুতকরণের কাজ শেষ হবে। এছাড়া ও তিনি আরও জানান, ‘বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১’ উৎক্ষেপণের জন্য সম্পূর্ণ নতুন একটি রকেট ব্যবহার করছি আমরা।  তাই উৎক্ষেপণের জন্য আমাদের একটু সময় লাগছে। পুরানো রকেট ব্যবহার করা হলে অনেক কম সময় লাগতো।

ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের কেপ ক্যানাভেরাল থেকে যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা স্পেসএক্সের ‘ফ্যালকন-৯’ রকেটে করেই বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ মহাকাশে পাঠানো হবে। উৎক্ষেপণের পর স্যাটেলাইটের জন্য নির্ধারিত ১১৯ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমার স্লটে পৌঁছতে আট দিন সময় নেবে।

‘বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১’ এর মোট ৪০টি ট্রান্সপন্ডার থাকবে।এবং এর মধ্যে ২০টি ট্রান্সপন্ডার বাংলাদেশের ব্যবহারের জন্য রাখা হবে। ও বাকি ২০ টি ট্রান্সপন্ডার বিদেশি প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে বিক্রয়ের জন্য রাখা হবে বলে জানান, বিটিআরসি চেয়ারম্যান ড. শাহজাহান মাহমুদ। তিনি বলেন স্যাটেলাইটটির মেয়াদ ১৫ বছর নির্ধারণ করে পাঠানো হয়েছে।

এই কৃত্রিম উপগ্রহটি টেলিভিশন চ্যানেল, ইন্টারনেট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান, ভি-স্যাট ও বেতারসহ ৪০ ধরনের সেবা দেবে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ ট্যারিস্ট্রিয়াল অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হলে সারা দেশে নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ ব্যবস্থা বহাল থাকা, পরিবেশ যোগাযোগ মাধ্যম হিসেবে ই-সেবা নিশ্চিত করবে।

স্যাটেলাইটের কার্যক্রম পুরোপুরিভাবে শুরু হলে আশপাশের কয়েকটি দেশে টেলিযোগাযোগ ও সম্প্রচার সেবা দেয়ার জন্য জিয়োসিক্রোনাস স্যাটেলাইট সিস্টেম (৪০ ট্রান্সপন্ডার, ২৬ কেইউ ব্র্যান্ড, ১৪ সি ব্যান্ড)-এর গ্রাউন্ড সিস্টেমসহ সব ধরনের সেবা পাওয়া যাবে।




ICT বই থেকে ২৬০ টি গুরুপ্তপূর্ন প্রশ্নোওর

উচ্চ মাধ্যমিক এর ICT বই থেকে উল্টে পাল্টে ২৬০ টি গুরুপ্তপূর্ন প্রশ্নোওর পেলাম। আজ তা আপনাদের মাঝে শেয়ার করলাম।

১) তথ্যের ক্ষুদ্রতম একক – ডেটা
২) ডেটা শব্দের অর্থ – ফ্যাক্ট
৩) বিশেষ প্রেক্ষিতে ডেটাকে অর্থবহ করাই – ইনফরমেশন
৪) তথ্য=উপাত্ত+প্রেক্ষিত+অর্থ
৫) তথ্য বিতরণ, প্রক্রিয়াকরণ ও সংরক্ষণের সাথে যুক্ত – তথ্য প্রযুক্তি
৬) ICT in Education Program প্রকাশ করে – UNESCO
৭) কম্পিউটারের ভেতর আছে – অসংখ্য বর্তনী
৮) তথ্য সংরক্ষণ, বিশ্লেষণ এবং উৎপাদন করে – কম্পিউটার
৯) কম্পিউটার গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে – ৪টি
১০) মনো এফএম ব্যান্ড চালু হয় – ১৯৪৬ সালে
১১) স্টেরিও এফএম ব্যান্ড চালু হয় – ১৯৬০ সালে
১২) সারাবিশ্বে এফএম ফ্রিকুয়েন্সি 88.5-108.0 Hz
১৩) Radio Communication System এ ব্রডকাস্টিং – ৩ ধরণের
১৪) PAL এর পূর্ণরূপ – Phase Alternation by Line
১৫) দেশে বেসরকারি চ্যানেল -৪১টি
১৬) পৃথিবীর বৃহত্তম নেটওয়ার্ক – ইন্টারনেট
১৭) ইন্টারনেট চালু হয় – ARPANET দিয়ে (১৯৬৯)
১৮) ARPANET চালু করে মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগ
১৯) ইন্টারনেট শব্দটি চালু হয় – ১৯৮২ সালে
২০) ARPANETএ TCP/IP চালু হয় – ১৯৮৩ সালে
২১) NSFNET প্রতিষ্ঠিত হয় – ১৯৮৬ সালে
২২) ARPANET বন্ধ হয় – ১৯৯০ সালে
২৩) সবার জন্য ইন্টারনেট উন্মুক্ত হয় – ১৯৮৯ সালে
২৪) ISOC প্রতিষ্ঠিত হয় – ১৯৯২ সালে
২৫) বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী প্রায় ৫কোটি ২২লাখ (৩২%)
২৬) ইন্টারনেটের পরীক্ষামূলক পর্যায় ১৯৬৯-১৯৮৩
২৭) টিভি – একমূখী যোগাযোগ ব্যবস্থা
২৮) “Global Village” ও “The Medium is the Message” এর উদ্ভাবক – মার্শাল ম্যাকলুহান (১৯১১-১৯৮০)
২৯) The Gutenberg : The Making Typographic Man প্রকাশিত হয় – ১৯৬২ সালে
৩০) Understanding Media প্রকাশিত হয় – ১৯৬৪ সালে
৩১) বিশ্বগ্রামের মূলভিত্তি – নিরাপদ তথ্য আদান প্রদান
৩২) বিশ্বগ্রামের মেরুদণ্ড – কানেকটিভিটি
৩৩) কম্পিউটার দিয়ে গাণিতিক যুক্তি ও সিদ্ধান্তগ্রহণমূলক কাজ করা যায়
৩৪) বর্তমান বিশ্বের জ্ঞানের প্রধান ভান্ডার – ওয়েবসাইট
৩৫) EHRএর পূর্ণরুপ – Electronic Heath Records
৩৬) অফিসের সার্বিক কার্যক্রম স্বয়ংক্রিয় করাকে বলে – অফিস অটোমেশন
৩৭) IT+Entertainment = Xbox
৩৮) IT+Telecommunication = iPod
৩৯) IT+Consumer Electronics= Vaio
৪০) কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা থাকবে – ৫ম প্রজন্মের কম্পিউটারে
৪১। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রয়োগের জন্য ব্যবহার করা হয় – প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ
৪২।রোবটের উপাদান- Power System, Actuator, Sensor, Manipulation
৪৩।PCB এর পূর্ণরূপ – Printed Circuit Board
৪৪।খ্রিষ্টপূর্ব ২৫০০ সালে ত্বকের চিকিৎসায় শীতল তাপমাত্রা ব্যবহার করতো – মিশরীয়রা
৪৫।নেপোলিয়নের চিকিৎসক ছিলেন – ডমিনিক জ্যা ল্যারি
৪৬।মহাশূন্যে প্রেরিত প্রথম উপগ্রহ – স্পুটনিক-১
৪৭।চাঁদে প্রথম মানুষ পৌঁছে – ২০জুলাই, ১৯৬৯ সালে
৪৮।MRP এর পূর্ণরুপ – Manufacturing Resource Planning
৪৯।UAV উড়তে সক্ষম ১০০ কি.মি. পর্যন্ত
৫০।GPS এর পূর্ণরুপ – Global Positioning System
৫১।ব্যক্তি সনাক্তকরণে ব্যবহৃত হয় – বায়োমেট্রিক পদ্ধতি
৫২।হ্যান্ড জিওমেট্রি রিডার পরিমাপ করতে পারে – ৩১০০০+ পয়েন্ট
৫৩।আইরিস সনাক্তকরণ পদ্ধতিতে সময় লাগে – ১০-১৫ সেকেন্ড
৫৪।Bioinformatics শব্দটি প্রথম ব্যবহার করেন – Paulien Hogeweg
৫৫।Bioinformatics এর জনক – Margaret Oakley Dayhaff
৫৬।এক সেট পূর্নাঙ্গ জীনকে বলা হয় – জিনোম
৫৭।Genetic Engineering শব্দটি প্রথম ব্যবহার করেন – Jack Williamson l
৫৮। রিকম্বিনান্ট ডিএনএ তৈরি করেন – Paul Berg(1972)
৫৯।বিশ্বের প্রথম ট্রান্সজেনিক প্রাণি- ইঁদুর(1974)
৬০।বিশ্বের প্রথম Genetic Engineering Company – Genetech(1976)
৬১।GMO এর পূর্ণরুপ – Genetically Modified Organism
৬২।পারমানবিক বা আনবিক মাত্রার কার্যক্ষম কৌশল – ন্যানোটেকনোলজি
৬৩।অনুর গঠন দেখা যায় – স্ক্যানিং টানেলিং মাইক্রোস্কোপে
৬৪।Computer Ethics Institute এর নির্দেশনা – ১০টি
৬৫।ব্রেইল ছাড়া অন্ধদের পড়ার পদ্ধতি – Screen Magnification / Screen Reading Software
৬৬।যোগাযোগ প্রক্রিয়ার মৌলিক উপাদান – ৫টি
৬৭।ট্রান্সমিশন স্পিডকে বলা হয় – Bandwidth
৬৮।Bandwidth মাপা হয় – bps এ
৬৯।ন্যারো ব্যান্ডের গতি 45-300 bps
৭০।ভয়েস ব্যান্ডের গতি 9600 bps
৭১।ব্রডব্যান্ডের গতি- 1 Mbps
৭২।ক্যারেক্টার বাই ক্যারেক্টার ট্রান্সমিশন- এসিনক্রোনাস
৭৩।সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশনে প্রতি ব্লকে ক্যারেক্টার ৮০-১৩২টি
৭৪।ডাটা ট্রান্সমিশন মোড- ৩ প্রকার
৭৫।একদিকে ডাটা প্রেরণ- সিমপ্লেক্স মোড
৭৬।উভয় দিকে ডাটা প্রেরণ, তবে এক সাথে নয়- হাফ ডুপ্লেক্স মোড
৭৭।একই সাথে উভয় দিকে ডাটা প্রেরণ – ফুল ডুপ্লেক্স মোড
৭৮।ক্যাবল তৈরি হয়- পরাবৈদ্যুতিক(Dielectric) পদার্থ দ্বারা
৭৯।Co-axial Cable এ গতি 200 Mbps পর্যন্ত
৮০।Twisted Pair Cable এ তার থাকে- 4 জোড়া
৮১।Fiber Optic- Light signal ট্রান্সমিট করে
৮২।মাইক্রোওয়েভের ফ্রিকুয়েন্সি রেঞ্জ 300 MHz – 30 GHz
৮৩।কৃত্রিম উপগ্রহের উদ্ভব ঘটে- ১৯৫০ এর দশকে
৮৪।Geosynchronous Satellite স্থাপিত হয়- ১৯৬০ এর দশকে
৮৫।কৃত্রিম উপগ্রহ থাকে ভূ-পৃষ্ঠ হতে ৩৬০০০ কি.মি. উর্ধ্বে
৮৬।Bluetooth এর রেঞ্জ 10 -100 Meter
৮৭।Wi-fi এর পূর্ণরুপ- Wireless Fidelity
৮৮।Wi-fi এর গতি- 54 Mbps
৮৯।WiMax শব্দটি চালু হয়- ২০০১ সালে
৯০।WiMax এর পূর্ণরুপ- Worlwide Interoperabilty for Microwave Access

৯১।৪র্থ প্রজন্মের প্রযুক্তি- WiMax
৯২।WiMax এর গতি- 75 Mbps
৯৩।FDMA = Frequency Division Multiple Access
৯৪।CDMA = Code Division Multiple Access
৯৫।মোবাইলের মূল অংশ- ৩টি
৯৬।SIM = Subscriber Identity Module
৯৭।GSM = Global System for Mobile Communication
৯৮।GSM প্রথম নামকরণ করা হয়- ১৯৮২ সালে
৯৯।GSM এর চ্যানেল- ১২৪টি (প্রতিটি 200 KHz)
১০০।GSM এ ব্যবহৃত ফ্রিকুয়েন্সি- 4 ধরনের
১০১.GSM ব্যবহৃত হয় ২১৮টি দেশে
১০২.GSM 3G এর জন্য প্রযোজ্য
১০৩.GSM এ বিদ্যুৎ খরচ গড়ে ২ওয়াট
১০৪.CDMA আবিষ্কার করে Qualcom(১৯৯৫)
১০৫.রেডিও ওয়েভের ফ্রিকুয়েন্সি রেঞ্জ 10 KHz-1GHz
১০৬.রেডিও ওয়েভের গতি 24Kbps
১০৭.CDMA 3G তে পা রাখে ১৯৯৯ সালে
১০৮.CDMA ডাটা প্রদান করে স্প্রেড স্পেকট্রামে
১০৯.1G AMPS চালু করা হয় ১৯৮৩ সালে উত্তর আমেরিকায়
১১০.সর্বপ্রথম প্রিপেইড পদ্ধতি চালু হয় 2G তে
১১১.MMS ও SMS চালু হয় 2G তে
১১২.3G চালু হয় ১৯৯২ সালে
১১৩.3G এর ব্যান্ডউইথ 2MHz
১১৪.3G Mobile প্রথম ব্যবহার করে জাপানের NTT Docomo (২০০১)
১১৫.4G এর প্রধান বৈশিষ্ট্য IP ভিত্তিক নেটওয়ার্কের ব্যবহার
১১৬.4G এর গতি 3G এর চেয়ে ৫০ গুণ বেশি
১১৭.4G এর প্রকৃত ব্যান্ডউইথ 10Mbps
১১৮.টার্মিনাল দুই ধরনের
১১৯.ভৌগলিকভাবে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক- ৪ ধরনের
১২০.PAN সীমাবদ্ধ ১০ মিটারের মধ্যে
১২১.PAN এর ধারণা দেন থমাস জিমারম্যান
১২২.LAN সীমাবদ্ধ ১০ কিলোমিটারের মধ্যে
১২৩.LAN এ ব্যবহৃত হয় Co-axial Cable
১২৪.কেবল টিভি নেটওয়ার্ক- MAN
১২৫.NIC=Network Interface Card
১২৬.NIC কার্ডের কোডে বিট সংখ্যা-48
১২৭.মডেম দুই ধরনের
১২৮.Hub হল দুইয়ের অধিক পোর্টযুক্ত রিপিটার
১২৯.স্বনামধন্য রাউটার কোম্পানি- Cisco
১৩০.ব্রিজ প্রধানত ৩ প্রকার
১৩১.নেটওয়ার্কে PC যে বিন্দুতে যুক্ত থাকে, তাকে নোড বলে।
১৩২.Office Management-এ ব্যবহৃত হয়- Tree Topology
১৩৩.বানিজ্যিকভাবে Cloud Computing শুরু করে- আমাজন (২০০৬)
১৩৪.Cloud Computing এর বৈশিষ্ট্য- ৩টি
১৩৫.সংখ্যা পদ্ধতিরর প্রতীক- অংক
১৩৬.সংখ্যা পদ্ধতি দুই ধরণের
১৩৭.Positional সংখ্যা পদ্ধতিরর জন্য প্রয়োজন- 3টি ডাটা
১৩৮.সংখ্যাকে পূর্ণাংশ ও ভগ্নাংশে ভাগ করা হয় Radix Point দিয়ে
১৩৯.Bit এর পূর্ণরুপ- Binary Digit
১৪০.Digital Computerএর মৌলিক একক- Bit
১৪১.সরলতম গণনা পদ্ধতি- বাইনারী পদ্ধতি
১৪২. “O” এর লজিক লেভেল : 0 Volt থেকে +0.8 Volt পর্যন্ত
১৪৩. “1” এর লজিক লেভেল : +2 Volt থেকে +5 Volt পর্যন্ত
১৪৪.Digital Device কাজ করে- Binary মোডে
১৪৫.n বিটের মান 2^n টি
১৪৬.BCD Code = Binary Coded Decimal Code
১৪৭.ASCII=American Standard Code for Information Interchange
১৪৮.ASCII উদ্ভাবন করেন- রবার্ট বিমার (১৯৬৫)
১৪৯.ASCII কোডে বিট সংখ্যা- ৭টি
১৫০.EBCDIC=Extended Binary Coded Decimal Information Code
১৫১.Unicode উদ্ভাবন করে Apple and Xerox Corporation (1991)
১৫২.Unicode বিট সংখ্যা- 2 Byte
১৫৩.Unicode এর ১ম 256 টি কোড ASCII কোডের অনুরুপ
১৫৪.Unicode এর চিহ্নিত চিহ্ন- ৬৫,৫৩৬টি (2^10)
১৫৫.ASCII এর বিট সংখ্যা- 1 Byte
১৫৬.বুলিয়ান এলজেবরার প্রবর্তক- জর্জ বুলি (১৮৪৭)
১৫৭.বুলিয়ান যোগকে বলে- Logical Addition
১৫৮.Dual Principle মেনে চলে- “and” ও “OR”
১৫৯.এক বা একাধিক চলক থাকে Logic Function এ
১৬০.Logic Function এ চলকের বিভিন্ন মান- Input
১৬১.Logic Function এর মান বা ফলাফল- Output
১৬২.বুলিয়ান উপপাদ্য প্রমাণ করা যায়- ট্রুথটেবিল দিয়ে
১৬৩.Digital Electronic Circuit হলো- Logic Gate
১৬৪.মৌলিক Logic Gate – ৩টি (OR, AND, NOT)
১৬৫.সার্বজনীন গেইট- ২টি (NAND,NOR)
১৬৬.বিশেষ গেইট- X-OR,X-NOR
১৬৭.Encoder এ 2^nটি ইনপুট থেকে n টি আউটপুট হয়
১৬৮.Decoder এ nটি ইনপুট থেকে 2^nটি আউটপুট দেয়
১৬৯.Half Adder এ Sum ও Carry থাকে
১৭০.Full Adder এ ১টি Sum ও ২টি Carry থাকে
১৭১.একগুচ্ছ ফ্লিপ-ফ্লপ হলো- রেজিস্ট্রার
১৭২.Input pulse গুনতে পারে- Counter
১৭৩.Web page তৈরি করা হয়- HTML দ্বারা
১৭৪.ছবির ফাইল-. jpg/.jpeg/.bmp
১৭৫.ভিডিও ফাইল-.mov/.mpeg/mp4
১৭৬.অডিও ফাইল- mp3
১৭৭.ওয়েবসাইটকে দৃষ্টিনন্দন করতে ব্যবহৃত হয়-.css
১৭৮.বর্তমানে চালু আছে- IPV4
১৭৯.IPV4 প্রকাশে প্রয়োজন- 32bit
১৮০.IP address এর Alphanumeric address- DNS

১৮১.সারাবিশ্বের ডোমেইন নেইম নিয়ন্ত্রণ করে- InterNIC
১৮২.জেনেরিক টাইপ ডোমেইন- টপ লেভেল ডোমেইন
১৮৩.http = hyper text transfer protocol
১৮৪.URL = Uniform Resource Locator
১৮৫.HTML আবিষ্কার করেন- টিম বার্নার লী(১৯৯০)
১৮৬.HTML তৈরি করে W3C
১৮৭.ওয়েব ডিজাইনের মূল কাজ- টেমপ্লেট তৈরি করা
১৮৮.প্রোগ্রামিংয়ের ভাষা- ৫স্তর বিশিষ্ট
১৮৯.Machine Language(1G)-1945
১৯০.Assembly Language(2G)-1950
১৯১.High Level Language(3G)-1960
১৯২.Very High Level Language(4G)-1970
১৯৩.Natural Language(5G)-1980
১৯৪.লো লেভেল vaSha-1G,2G
১৯৫.বিভিন্ন সাংকেতিক এড্রেস থাকে- লেভেলে
১৯৬.C Language তৈরি করেন- ডেনিস রিচি(১৯৭০)
১৯৭.C++ তৈরি করেন- Bijarne Stroustrup(১৯৮০)
১৯৮.Visual Basic শেষবার প্রকাশিত হয়- ১৯৯৮ সালে
১৯৯.Java ডিজাইন করে- Sun Micro System
২০০.ALGOL এর উদ্ভাবন ঘটে- ১৯৫৮ সালে
২০১.Fortran তৈরি করেন- জন বাকাস(১৯৫০)
২০২.Python তৈরি করেন- গুইডো ভ্যান রোসাম(১৯৯১)
২০৩.4G এর ভাষা- Intellect,SQL
২০৪.Pseudo Code- ছদ্ম কোড
২০৫.Visual Programming- Event Driven
২০৬.C Language এসেছে BCPL থেকে
২০৭.Turbo C তৈরি করে- Borland Company
২০৮.C ভাষার দরকারী Header ফাইল- stdio.h
২০৯.C এর অত্যাবশ্যকীয় অংশ- main () Function
২১০.ANSI C ভাষা সমর্থন করে- 4 শ্রেণির ডাটা
২১১.ANCI C তে কী-ওয়ার্ড- 47 টি
২১২.ANSI C++ এ কী-ওয়ার্ড- 63 টি
২১৩.ডাটাবেজের ভিত্তি- ফিল্ড

২১৪.Database Modelএর ধারণা দেন- E.F.Codd (১৯৭০)
২১৫.সবচেয়ে জনপ্রিয় Query- Selec Query
২১৬.SQL = Structured Query Language
২১৭.SQL তৈরি করে- IBM(১৯৭৪)
২১৮.ERP = Enterprise Resource Planning
২১৯.বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবলে যুক্ত হয়- ২১ মে, ২০০৬
২২০.MIS = Management Information System
২২১।ভুয়া মেইল জমার স্থান- Spam
২২২।CD= Compact Disk
২২৩।MS Excel হলো Spreadsheet Software
২২৪।বাংলাদেশে ইন্টারনেট চালু হয়- ১৯৯৬ সালে
২২৫।বিশ্বের প্রথম কম্পিউটার- ENIAC
২২৬।ল্যাপটপ প্রথম বাজারে আসে-১৯৮১ সালে
২২৭।ROM=Read Only Memory
২২৮।বর্তমান প্রজন্ম- 4G
২২৯।টুইটারের জনক- জ্যাক ডরসি
২৩০। MODEM এ আছে – Modulator + Demodulator
২৩১।UNIX হলো Operating System
২৩২।CPU= Central Processing Unit
২৩৩।IC দিয়ে তৈরি প্রথম কম্পিউটার- IBM360
২৩৪।ডিজিটাল কম্পিউটারের সূক্ষতা ১০০%
২৩৫।১ম প্রোগ্রামার- লেডি অগাস্টা
২৩৬।১ম প্রোগ্রামিং ভাষা-ADA
২৩৭।কম্পিউটারে দেয়া অপ্রয়োজনীয় তথ্য- গিবারিশ
২৩৮।কম্পিউটার ভাইরাস আসে-১৯৫০ সালে
২৪০।কম্পিউটার ভাইরাস নাম দেন-ফ্রেড কোহেন
২৪১। Mother of All Virus-CIH
২৪২।VIRUS=Vital Information Resources Under Seize
২৪৩।প্রোগ্রাম রচনার সবচেয়ে কঠিন ভাষা-মেশিন ভাষা
২৪৪।NORTON-একটি এন্টিভাইরাস
২৪৫।মুরাতা বয়-জাপানি রোবট
২৪৬। 1nm=10^(-9) m
২৪৭।স্বর্ণের পরমাণুর আকার- 0.3nm
২৪৮।আইসোক্রোনাস ট্রান্সমিশনে সময় লাগে শূন্য সেকেন্ড
২৪৯।অপটিক্যাল ফাইবারের কোর ডায়ামিটার- ৮-১০ মাইক্রন
২৫০।১ম Wireless ব্যবহার করেন-Guglielimo Marconi(1901)
২৫১। ASCII-7 কোডের প্রথম 3bitকে জোন এবং শেষ 4bitকে সংখ্যাসূচক বলে
২৫২।ASCII সারণি মতে,
0-3 & 127 = Control Character
32-64 = Special Character
65-96 = Capital Letters & Some Signs
97-127 = Small Letters & Some Signs
২৫৩। EBCDIC কোডে-
0-9 = 1111
A-Z = 1100,1101,1110
Special Signs = 0100,0101,0110,0111
২৫৪। EBCDIC কোডে ২৫৬টি বর্ণ,চিহ্ন ও সংখ্যা আছে
২৫৫। EBCDIC কোড ব্যবহৃত হয়- IBM Mainframe Computer ও Mini Computer- এ।
২৫৬। Unicode উন্নত করে-Unicode Consortium
২৫৭। ফাইবার অপটিক ক্যাবল তৈরিতে ব্যবহৃত অন্তরক পদার্থ- সিলিকন ডাই অক্সাইড ও Muli Component Glass (Soda Boro Silicet, NaOH Silicet etc.)
২৫৮।Real Time Application এর Data Transfer এ বেশি ব্যবহৃত হয় Isochronous
২৫৯।Radio Wave এর Data Transmission Speed – 24 Kbps
২৬০।Wifi এর দ্রুততম সংস্করণ-IE




জেনে নিন স্মার্টফোনে চার্জ দেয়ার সঠিক উপায়

স্মার্টফোনের ব্যাটারি চার্জ দেয়ার সঠিক উপায় জানেন না অনেকেই। ফলে ব্যাটারির আয়ু দিনকে দিন কমে যায়। চার্জার ব্যবহারের অভ্যাসের উপরে অনেকখানি নির্ভর করে ব্যাটারির আয়ু। যেমন সারা রাত ধরে মোবাইল চার্জ দিলে ক্ষতিগ্রস্ত হয় ব্যাটারি। জেনে নিন ফোনের ব্যাটারি চার্জ দেয়ার সঠিক নিয়ম।

সবসময় নিজের ফোনের চার্জার দিয়েই চার্জ করুন। বর্তমানে সার্বজনীন চার্জার মাইক্রো ইউএসবি পোর্ট রয়েছে। ফলে অনেকেই অন্যের চার্জার দিয়ে মোবাইল চার্জ করেন। এই অভ্যাস ছেড়ে দিন। ভোল্টেজ ও অ্যাম্ফিয়ারের সমন্বয় না হলে ক্ষতিগ্রস্ত হয় ফোনের ব্যাটারি।

ফোন চার্জে দেওয়ার আগে কভার খুলে দিন। চার্জের সময় গরম হয় ব্যাটারি। বাধা হিসেবে কাজ করে কভার। এতে ব্যাটারি আরও উষ্ণ হতে পারে।

কম দামি চার্জার ব্যবহার করবেন না। এতে চিরকালের মত ফোন বা ব্যাটারি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

দ্রুত চার্জ হয় এমন চার্জার ব্যবহার করা উচিত নয়। এই প্রক্রিয়ায় আপনার ফোন হাই-ভোল্টেজে চার্জ দেওয়া হয়। ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হয় ব্যাটারি। সুতরাং সাধারণ চার্জারে চার্জ দেওয়াই শ্রেয়।

সারা রাত ধরে ফোনে চার্জ দেবেন না। অতিরিক্ত চার্জ ফোনের ব্যাটারির আয়ু কমিয়ে দেয়।

ব্যাটারি অ্যাপস ব্যবহার এড়িয়ে চলুন। কারণ, এই ধরনের অ্যাপসগুলি সর্বক্ষণ সচল থাকে। বেশিরভাগই সবসময় বিজ্ঞাপন দেখায়। ব্রাউজারে অ্যাপ ইনস্টলের বিজ্ঞাপনে ক্লিক করবেন না। এতে ব্যাটারির চার্জ কমে যায়।

ফোনে অন্তত ৮০ শতাংশ পর্যন্ত চার্জ দিন। সর্বক্ষণ চার্জারে রাখবেন না ফোন।

পাওয়ার ব্যাঙ্ক ব্যবহার করতে পারেন। আপনার ব্যাটারির স্বাস্থ্যের পক্ষে তা ভাল। ওভার চার্জিং ও গরম থেকে বাঁচায়। এতে ব্যাটারি অনেক দিন ধরে চলে।

ফোন চার্জে দিয়ে ব্যবহার করবেন না। এতে ফোনের উষ্ণতা আরও বাড়তে পারে। দুর্ঘটনার সম্ভাবনাও থাকে।




প্রথম শ্রেণীর পাঠ্যবইয়ে যুক্ত হচ্ছে প্রোগ্রামিং : মোস্তাফা জব্বার

প্রথম শ্রেণী থেকেই পাঠ্যবইয়ে প্রোগ্রামিং ভাষা যুক্ত করতে সরকার ইতোমধ্যে কাজও শুরু করেছে বলে জানান তিনি।

বৃহস্পতিবার ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির (ইউআইইউ) ক্যাম্পাসে কলেজ রোবটিক্স প্রতিযোগিতার সমাপনী অনুষ্ঠানের বক্তব্যে এসব কথা জানান তিনি মন্ত্রী।

জব্বার বলেন, শিশুরা বড়দের তুলনায় দ্রুত প্রযুক্তির যে কোন বিষয় শিখতে পারে। তাই শিশুদের প্রযুক্তি সম্পর্কে আগেই জানানো উচিত। এতে উন্নত বিশ্বের শিশুদের মতই আমাদের দেশের শিশুরা প্রযুক্তির জ্ঞান পাবে। তারাই আগামীতে দেশকে প্রযুক্তি মাধ্যমে এগিয়ে নিয়ে যাবে। তাই তারা যেন প্রথম শ্রেণী থেকে প্রোগ্রামিং শিখতে পারে সেই লক্ষ্য কাজ করছে সরকার। শিগগিরই প্রথম শ্রেণীর পাঠ্যবইয়ে প্রোগ্রামিং ভাষা যুক্ত করা হবে।

প্রযুক্তির অনেক ভালো দিক থাকলেও কিছু খারাপ দিক রয়েছে। অনেক মানুষ প্রযুক্তিকে খারাপ কাজে ব্যবহার করে থাকে। অনলাইনে  হয়রানির শিকার হয়ে থাকে অনেকেই। শিক্ষার্থীদের এই ব্যাপারের পরামর্শ দিতে গিয়ে মোস্তাফা জব্বার বলেন, ইন্টারনেট ব্যবহারে শিক্ষার্থীদের সর্তক থাকবে। প্রযুক্তি এই মাধ্যমটিকে ভালো কাজে ব্যবহার করতে হবে।

তিনি আরো বলেন, বর্তমানে ডিজিটাল নিরাপত্তার কোন আইন নেই। ফলে কেউ অনলাইনে হয়রানির শিকার হলে সঠিক বিচার পান না। এই সমস্যা সমাধানে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে কাজ চলছে। আগামী এপ্রিল মাসে কাজটি শেষ হবে। তখন অনলাইনে কেউ হয়রানির শিকার হলে বিচার মিলবে সহজেই।

কলেজ শিক্ষার্থীদের জন্য বুধবার থেকে শুরু হওয়া দুই দিনব্যাপী রোবটিক্স প্রতিযোগিতাটি শেষ হয় বৃহস্পতিবার। সমাপনী অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন ভেনচুরাস লিমিটেডের সিইও ইউরিকো উয়েদা, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর  নির্বাহী চেয়ারম্যান কাজী এম আমিনুল ইসলামসহ আরো অনেকে।

এই প্রতিযোগিতায় জয়ী হয় নটরডেম কলেজ। বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা), জাপান দূতাবাস, জাপান এক্সটারনাল ট্রেড অরগানাইজেশন (জেইটিআরও) ও তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের সহযোগিতায় জাপানের এডুকেশন টেকনোলোজি কোম্পানি ভেনচুরাস প্রতিযোগিতাটির আয়োজন করে।




শরীরের জন্য মোবাইল ফোন কতটা ক্ষতিকর?

মানুষ  দিনের বড় একটি সময় মোবাইল ফোনে কাটান, কিন্তু খুব কম মানুই  জানেন যে এগুলো তার শরীর বা স্বাস্থ্যের উপর কতটা প্রভাব ফেলছে।

গত কয়েক বছর ধরেই এসব প্রশ্নের উত্তর পেতে চেষ্টা করছেন বিজ্ঞানীরা। যদিও এখনো সব প্রশ্নের পুরোপুরি উত্তর পাওয়া যায়নি।

ব্রিটিশ চক্ষুরোগ-চিকিৎসক অ্যান্ডি হেপওর্থ জানান, মোবাইল ফোনের দিকে তাকিয়ে থাকার সময় চোখের পলক কম পড়ে এবং স্বাভাবিকের তুলনায় স্মার্টফোন চোখের বেশি কাছাকাছি এনে কোনো বিষয় দেখা হয়৷ তাই টানা, দীর্ঘ সময় ধরে মোবাইল ফোন, কম্পিউটার, ট্যাবলেট ও ফ্ল্যাট স্ক্রিন টিভি দেখার বিষয়ে সতর্ক থাকতে বলেন চক্ষুরোগ-বিশেষজ্ঞরা৷ তাদের দাবি, যে যন্ত্রগুলো থেকে আলো নির্গত হয় তা চোখের জন্য শুধু ক্ষতিকরই নয়, বিষাক্তও বটে৷ এতে করে ঘাড়ে ব্যথা, মাথাব্যথা বা মাইগ্রেনও হতে পারে৷

তবে আমেরিকান ক্যান্সার সোসাইটির ওয়েবসাইটে বলা হচ্ছে, মোবাইল ফোন হয়তো ব্রেন টিউমার বা মাথা বা গলার টিউমারের ঝুঁকি অনেকটা বাড়িয়ে দিতে পারে।

বিশেষ করে একটি মাইক্রোওয়েভ যেভাবে কাজ করে, সেভাবে এরকম বেতার তরঙ্গ মানুষের শরীরের কোষের উষ্ণতা বাড়িয়ে দিতে পারে।

যদিও মোবাইল ফোনের বিকিরণের মাত্রা খুবই কম এবং এটা শরীরের কোষকে কতটা উষ্ণ করতে পারে, তা পরিষ্কার নয়, কিন্তু বিজ্ঞানীরা বলছেন, আগাম সতর্কতা হিসাবে ফোনের কাছাকাছি কম আসাই ভালো।

আরও জানা যায়, মোবাইল ফোনের অতিরিক্ত ব্যবহার শুক্রাণুর সংখ্যাও কমিয়ে দিতে পারে৷ অধিকাংশ পুরুষই মোবাইল ফোন তাঁদের প্যান্টের পকেটে রাখেন৷ এ সময় রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি ইলেকট্রো ম্যাগনেটিক রেডিয়েশন পুরুষের প্রজননতন্ত্রের ক্ষতি করতে পারে৷

তাই ডাক্তারদের পরামর্শ, ঘন ঘন ‘অফলাইন’ হন এবং আরো বেশি করে মুঠোফোনের আলো নয়, দিনের আলো উপভোগ করুন৷




সিম ফোরজি কি-না জানবেন যেভাবে

২০ ফেব্রুয়ারি লাইসেন্স দেয়া হবে। আর এরপর থেকেই গ্রাহকরা ফোর-জি সেবা পাবেন বলে জানিয়েছে বিটিআরসি।

মোবাইল ফোন অপারেটরগুলো প্রায় একবছর আগে থেকে ফোরজি সিম বিক্রি শুরু করেছে। এছাড়া এসময়ের মধ্যে যারা সিম রিপ্লেস করেছেন, তারাও অপারেটরের কাছ থেকে পেয়েছেন ফোরজি সিম। কিন্তু তারও আগে যারা সিম কিনেছেন, কেবল তারাই জেনে নিন আপনার সিমটি ফোরজি কি-না। কীভাবে জানবেন?

আপনার সিমটি ফোরজি কিনা, তা যাচাইয়ের জন্য মোবাইল ফোন অপারেটরগুলো মেসেজ অপশন চালু করেছে। তাই সংশ্লিষ্ট অপারেটরে এসএমএস পাঠিয়ে জেনে নিতে পারবেন আপনার সিমটি ফোরজি কি-না। কোনো কোনো এসএমএস-এ ফোরজি সিম সংক্রান্ত তথ্যের পাশাপাশি ফোন সেটটি ফোরজি সমর্থন করে কি-না, তাও জানা যাবে।

রবি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গ্রাহক তার মোবাইলের কিপ্যাড অথবা ডায়াল অপশনে গিয়ে *১২৩*৪৪# লিখে ডায়াল বাটন চাপলে ফিরতি এসএমএস-এ জানিয়ে দেওয়া হয়, সিম ও সেটটি ফোরজি কি-না। এয়ারটেল গ্রাহকরাও একইভাবে জানতে পারবেন। এ ছাড়া সিম বদলে ফোরজি সিম নিতে গ্রাহকের খরচ হবে ১০০ টাকা।

গ্রামীণফোন কর্তৃপক্ষ জানায়, মোবাইলের কিপ্যাড অথবা ডায়াল অপশনে গিয়ে *১২১*৩২৩২# লিখে ডায়াল বাটন চাপলে ফিরতি মেসেজে জানা যাবে, সিমটি ফোরজি কি-না। এ ছাড়া যারা সিম বদল করেত চান— তারা ১১০ টাকার বিনিময়ে ফোরজি সিম নিতে পারবেন। তবে ‘জিপি স্টার’ গ্রাহকরা বিনা খরচে সিম বদল করতে পারবেন।

বাংলালিংক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বাংলালিংকের সিম বদলে নিতে গ্রাহককে কোনও খরচই দিতে হবে না। বিনামূল্যে অপারেটরটি গ্রাহকদের সিম বদলে ফোরজি সিম দিচ্ছে। এ ছাড়াও গ্রাহকরা মেসেজ অপশনে গিয়ে ফোরজি লিখে ৫০০০ নম্বরে এসএমএস পাঠালে ফিরতি মেসেজে জানিয়ে দেওয়া হবে, সিমটি ফোরজি কি-না।

টেলিটক সূত্রে জানা গেছে, অপারেটরটির গ্রাহকরা যত সিম ব্যবহার করছে এবং বাজারে অবিক্রিত রয়েছে ৯০ ভাগই ফোরজি সিম। অবশ্য বাকি ১০ ভাগ গ্রাহকের সিম বিনা খরচে, নাকি টাকা দিয়ে বদলে নিতে হবে, সে বিষয়ে এখনও কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি।




পুরাতন ল্যাপটপ দিন নতুন ল্যাপটপ নিন

আবারও পুরাতন ল্যাপটপ দিয়ে নতুন ল্যাপটপ নেওয়ার “ল্যাপটপ এক্সচেঞ্জ” অফার চালু করলো সিস্টেমআই টেকনোলজিস লিমিটেড। নতুন বছরকে সামনে রেখে চালু হওয়া অফারটি ১৯ ডিসেম্বর থেকে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত চলবে। এ সময়ের মধ্যে সচল পুরাতন ল্যাপটপ জমা দিয়ে যেকোন র্ব্যান্ডের নতুন ল্যাপটপ নেওয়া যাবে।

সিস্টেমআই টেকনোলজিসের ওয়েবসাইটে ল্যাপটপের তালিকা থেকে গ্রাহক নতুন ল্যাপটপ পছন্দ করতে পারবেন। প্রতিষ্ঠানটি এক সংবাদ বিজ্ঞতিতে জানিয়েছে, পুরাতন ল্যাপটপের কন্ডিশন অনুযায়ী মূল্য নির্ধারণ করে নতুন ল্যাপটপের মূল্যের সাথে সমন্বয় করা হবে। এ স¤পর্কে আরও বিস্তারিত জানা যাবে http://systemeye.net এই ঠিকানায়।




কম্পিউটার এ স্ক্রীনশট নেয়ার বেস্ট ৩ টি উপায়। কি-বোর্ড দিয়ে স্ক্রীনশট নিবেন যেভাবে

সবাইকে আমার সালাম, কেমন আছেন সবাই? আশা করি ভালই আছেন। আবারো হাজির হলাম আপনাদের মাঝে। আজকে আপনাদের জন্য দারুন একটি টিউটরিয়াল নিয়ে হাজির হলাম। এই টিউটোরিয়ালে আমি আপনাদের দেখাব কম্পিউটার এ স্ক্রীনশট নেয়ার বেস্ট ৩ টি উপায়।

আজকের টিউটোরিয়ালের বিষয়ঃ 3 best way to take screenshoot on pc কি-বোর্ড দিয়ে স্ক্রীনশট নিবেন যেভাবে

তাহলে চলুন বেশি কথা না বলা কাজ সুরু করা যাক।

যা যা ব্যবহার করেছিঃ

  • একটা Computer
  • Keyboard

তাহলে চলুন  টিউটোরিয়াল দেখে শিখে নেই।

 

১। আপনার সাবজেক্ট সিলেক্ট করে কীবোর্ড থেকে প্রিন্ট স্ক্রীন বাটন চাপুন

২। পেইন্ট টুলস বের ctrl+v paste করুন তারপর সেভ করে নিন

 

আজ এই পর্যন্তই। টিউটোরিয়ালটি যদি ভাল লেগে থাকে তাহলে শেয়ার করতে ভুলবেন না। সবাই ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন ধন্যবাদ সবাইকে। নতুন সব টিউটোরিয়াল পেতে সাথেই থাকুন। টিউটোরিয়ালটি কেমন লাগল তা টিউমেন্ট করে জানাতে ভুলবেননা। মেতে উঠুন প্রযুক্তির সুরে।




কিভাবে Disk Partition করতে হয় (How to Make A Partition in Windows?)

Disk Partition হচ্ছে  কম্পিউটার এর Hard Disk কে প্রয়োজনীয় ভাগে বিভক্ত করা . এটা একটু সতর্কতার  সাথে করা ভালো ,কারণ কোনো ভুল হলে আপনাকে নতুন করে Windows Setup দিতে হতে পারে .তাই নিচের নির্দেশনা গুলো ভালোভাবে লক্ষ্য করুন .


১// Computer Icon এ Mouse এর  Right Button ক্লিক করে  Manage অপশন চাপুন .

অথবা  Start > Control Panel >  System and Maintenance >Administrative Tools > Computer Management এ যেতে পারেন .(আপনাকে অবশ্যই Administrative Account থেকে log in করতে হবে ).

২// Disk Management এ ক্লিক করে আপনার কম্পিউটার এর যে Disk থেকে  Partition করতে চাচ্ছেন সেখানে Right button ক্লিক করুন . Shrink Volume নামে একটা অপশন দেখতে পাবেন ,সেটা নির্বাচন করুন .

এই ধাপে আপনার Disk Size অনুযায়ি একটু সময় লাগতে পারে .ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করুন.

৩//  আপনি যতটুকু জায়গা নিয়ে Partition করতে চাচ্ছেন তা নির্ধারণ করে Shrink চাপুন  .এক্ষেত্রে মনে রাখবেন 1024 MB = 1 GB .
উদাহরণ স্বরূপ আমি 1024 MB অর্থাৎ 1 GB Disk Size নির্বাচন করলাম .

৪// দেখা যাবে নতুন একটা Part  আপনার দেয়া  Size অনুযায়ি চলে এসেছে .এখন সেখানে Mouse এর Right Button ক্লিক করে New Simple Volume নির্বাচন করুন .

৫// একটি  Wizard চলে আসবে ,Next বাটনে ক্লিক করুন .

৬// Volume  size নির্ধারণ  করে Next চাপুন. 1024 MB = 1 GB .

৭// যেকোনো একটি Drive Letter নির্বাচন করুন . আপনি Letter না চাইলে Do not assign a drive letter নির্বাচন করতে পারেন  .তারপর Next  চাপুন .

৮// Format this volume with the following setting নির্বাচন করে Volume এর নাম লিখে Perform a quick format এ টিক দিন .আবারও Next চাপুন .

৯// Partition নিশ্চিত করার জন্য Finish চাপুন .

১০//  Disk Partition সম্পন্ন হয়ে গেছে এবং এটা দেখতে নিচের Screen Shot এর মতো হবে .




কিভাবে Modern Shortcut Virus ( শর্টকাট ভাইরাস) ডিলিট করতে হয় ?

শর্টকাট ভাইরাস একটি কমন সমস্যা যা কোনো এন্টি ভাইরাস দিয়ে সমাধান করা যায় না. বেশিরভাগ ব্যবহারকারীরা এই সমস্যার মুখোমুখি হন Pen Drive, SD Card অথবা কম্পিউটার হার্ড ডিস্ক এ.
পেনড্রাইভ থেকে খুব সহজে এটা রিমুভ করা যায় সফটওয়্যার ইনস্টল করে.

স্টেপ ১: ডাউনলোড  USB Fix

স্টেপ ২: টাস্ক বারে যে সব প্রোগ্রাম খোলা আছে  সেসব বন্ধ করুন কেননা সেগুলো সফটওয়্যার টি এমনিতেই  ডিলিট করে দেবে, এতে ডাটা হারিয়ে যেতে পারে।

স্টেপ ৩: যে সব USB ডিভাইস ভাইরাস আক্রান্ত সেগুলো সংযুগ দিন.

স্টেপ ৪:  সফটওয়্যার থেকে ক্লিন অপসন নির্বাচন করুন।

সকল ভাইরাস ডিলিট হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন।


কম্পিউটার হার্ড ডিস্ক থেকে ডিলিট করার পদ্ধতি :

স্টেপ ১: সার্চ বাটনে Command Prompt লিখে সেটি ওপেন করুন

স্টেপ ২: টাইপ করুন   attrib -h -r -s /s /d <Your drive letter>:\*.*
  

            উদাহরণ : যদি কম্পিউটার হার্ড ডিস্ক D ড্রাইভ আক্রান্ত হয়ে থাকে তাহলে টাইপ করুন
attrib -h -r -s /s /d D:\*.*



স্টেপ ৩: Enter চাপুন

English Version: 


How to delete a Modern shortcut virus?

Shortcut virus, which is a common problem can not be solved by any anti-virus. Most users are faced with this problem in the USB drive, SD Card or computer hard disk.

You can easily remove it from the USB Drive by installing a free software.
Step 1: Download USB Fix software

Step two: Turn off the programs opened in the Task Bar otherwise the software will delete those automatically which may caused data lost.

Step 3: Connect all USB devices that are affected with virus.

Step 4: Select Clean Options from the software.

Wait until deleting all the viruses.

To delete from the computer hard disk:

Step 1: Open Command Prompt by typing on the search button

Step two: Type:  attrib -h -r -s /s /d<Your drive letter>:\*.* 
  Example: If the drive D is infected then type:     attrib -h -r -s /s /d D:\*.*


Step 3: Press Enter




কিভাবে একটি ওয়েবসাইট ব্লক করবেন (How To Block a Website ?)

আমাদের অনেক সময় website ব্লক করার প্রয়োজন হয় . এটা হয়তো বিভিন্ন site এ অতিরিক্ত সময় ব্যায় কিংবা পর্নো site গুলো থেকে শিশুদের দূরে রাখার জন্য প্রয়োজন হতে পারে .এজন্য  অনেকেই খোজ  করে থাকেন কিভাবে একটি website ব্লক করা যায় ?


নিচের ধাপ গুলো অনুসরণ করে খুব সহজেই আপনি যেকোনো website ব্লক করতে পারেন.
*Computer > Local Disk(C:) > Windows > System32 > drivers>etc

**এখন host ফাইল এ mouse এর right বাটন ক্লিক করে notepad এ ওপেন করুন .সব নিচে localhost লেখা অংশ খুঁজে বের করুন .

***এর নিচে 127.0.0.1  লিখে আপনি যে  website  ব্লক করতে চান তার URL লিখে  file অপশন এ গিয়ে  save করুন  .এবার আপনার সার্চ  ইঞ্জিনে গিয়ে website টি সার্চ করুন .
দেখবেন ওই site ওপেন হচ্ছে না .এখানে উদাহরণ স্বরূপ আমি facebook ব্লকের নিয়ম দেখালাম .

এভাবে এক বা একাধিক website আপনি 127.0.0.1 এর পর URL লিখে  ব্লক করতে পারেন .
 একইভাবে Unblock করার জন্য এ অংশটুকু delete করে পুণরায় save করুন .



কিভাবে হার্ড ডিস্কের Error ঠিক করা যায় (How to do Error Checking in Computer ?)

Disk Error Checking :

কম্পিউটার এর Hard Disk এ অনেক সময় Bad Sector তৈরি হয় যা সম্পূর্ণ System কে ধীর করে ফেলে ,আবার অনেক সময় ফাইল Save করতেও সমস্যা হয়  . Disk Error Checking এর সাহায্যে  এটা সমাধান করা যায় .এটা খুবই প্রয়োজনীয় এবং সপ্তাহে অন্তত একবার করা উচিত .


১//  প্রথমে সকল Program বন্ধ করে Start  বাটন থেকে Computer / My Computer  ক্লিক করুন .

২// যে Disk এর Error Fixed করতে চান সেটায় Mouse এর Right বাটন ক্লিক করে Properties চাপুন .

৩// একটি Dialogue Box আসবে ,সেখান থেকে Tools এ ক্লিক করে Check Now চাপুন .

৪//  দুটি Option আসবে ,একমাত্র Scan For and  attempt recovery of bad sectors এ  টিক দিয়ে Start চাপুন . এখানে এখানে Disk Size অনুযায়ী একটু সময় লাগতে পারে .নিচের ছবিটি দেখুন  .

৫// কম্পিউটার Scanning  করে ফলাফল দেখাবে .

যদি Bad Sector পাওয়া যায় তাহলে Fix বাটন চাপুন অন্যথায় Program টি Close করুন .



সেরা ২০ টি কম্পিউটার টিপস ট্রিক্স বাংলায়↓ 20+Basic

সেরা ২০ টি কম্পিউটার  টিপস ট্রিক্স বাংলায়↓ 20+Basic computer tips for Beginners

কম্পিউটার টিপস /ট্রিক্স▬1▬Computer tips & tricks bangla

পেনড্রাইভ/মেমোরী কার্ডে লুকানো থাকা ফাইল উদ্ধার  করার জন্য search option গিয়ে “.” শুধু ডট লিখে search দিন। সব ফাইল চলে আসবে।

কম্পিউটার টিপস /ট্রিক্স▬কম্পিউটার হয়ে যাক আরও গতিশীল▬Computer tips & tricks bangla

১> GO “ RUN “ – tree লিখে এন্টার করুন।
২> GO “ RUN “ – prefetch লিখে এন্টার করুন।( একটা নতুন উইন্ডো আসবে সব ফোল্ডার এবং ফাইল ডিলিট করুন।
৩> GO “ RUN “ – temp লিখে এন্টার করুন। এখন টেম্পোরারী ফাইল গুলো ডিলিট করুন।
৪> GO “ RUN “ – %temp% লিখে এন্টার করুন। এখন টেম্পোরারী ফাইল গুলো ডিলিট করুন।

প্রতিটা ড্রাইভের উপর মাউসের রাইট বাটুন ক্লিক করুন তারপুর প্রপারট্রিজ এ ক্লিক করুন ডিস্ক ক্লিনআপ এ ক্লিক করুন। আশা করি আপনার কম্পিটার এ অনেক গতি বেড়ে যাবে। পুরাতন কম্পিউটার এর জন্য বেশী কার্যকরী। নতুনদের জন্য ২০টি কম্পিউটার টিপস্

কম্পিউটার টিপস /ট্রিক্স▬ Computer কেন এবং কিভাবে Hang হয়?▬Computer tips & tricks bangla

→ কম্পিউটারের প্রসেসরের মান বা কাজের তুলনায় স্পীড কম হলে ।
→ কম্পিউটার র‌্যামের তুলনায় বেশী পরিমাণ কাজ করলে।আপনার কম্পিউটার র‌্যাম এর পরিমাণ কম কিন্তু আপনি অনেক বড় বড় কয়েকটি প্রোগ্রাম চালু করলেন। তাহলে তো হবেই।
→ কম্পিউটার হার্ডডিক্স এর কানেকশন এবং প্রসেসরের কানেকশন ঠিকমত না হলে, বার বার একই সমস্যা হতে পারে
→ যদি বার বার হ্যাং হয় তাহলে Cooling Fan টা check করেন এটা স্পীডে গুরছে কিনা।
→ hard diskএ Bad sector থাকলে বা অন্য কোন হার্ডওয়্যারে ত্রুটি থাকলে।
→ অপারেটং সিস্টেমে ত্রুটি থাকলে মানে…কোনো সিস্টেম ফাইল file delete হয়ে যাওয়াকে বুঝায়। যার কারণে কম্পিউটারে সমস্যা হতে পারে।
→ কম্পিউটার ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হলে সাধারণত Hang হতে পারে।
এই কারণেই কম্পিউটারে বেশী Hangহয়। আর এই ভাইরাস অপারেটিং সিস্টেমের কিছু ফাইলের কার্যপদ্ধতিকে বন্ধ করে দেয় যার কারণে কম্পিউটার প্রয়ই হ্যাং হয়। কম্পিউটারে অতি উচ্চ মানের এন্টি ভাইরাস ব্যবহার করুন।
→ হাই গ্রাফিক্স সম্পন্ন গেইম চালালে তখন র‌্যাম সম্পূর্ণ লোড হয়ে যায় এবং hang হওয়ার সম্ভনা থকে।
→ কম্পিউটারের ফাইলগুলো এলোমেলোভাবে সাজানো থাকলে তার জন্য hang হওয়ার সম্ভনা থকে। refresh চাপেন এবং RUN এ গিয়ে tree চাপেন।

কম্পিউটার টিপস /ট্রিক্স▬2▬Computer tips & tricks bangla

মনিটর এ ছবি দেখা না গেলে- Confirm হন যে মনিটরটি on. এবং  brightness control চেক করুন , এবং এটি ঠিক মত সেট হয়েছে কিনা খেয়াল করুন।  মনিটর এর সকল কানেকশন চেক করুন এবং  surge protector ও surge protector টি চালু কি না চেক করুন।  নতুনদের জন্য ২০টি কম্পিউটার টিপস্

কম্পিউটার টিপস /ট্রিক্স▬3▬Computer tips & tricks bangla

কিছু সময় পরপর Start থেকে Run-এ ক্লিক করে tree লিখে ok করুন। এতে র‌্যামের কার্যক্ষমতা বাড়ে।

কম্পিউটার টিপস /ট্রিক্স▬4▬Computer tips & tricks bangla

Ctrl + Alt + Delete চেপে বা টাস্কবারে মাউস রেখে ডান বাটনে ক্লিক করে Task Manager খুলুন।তারপর Processes-এ ক্লিক করুন। অনেকগুলো প্রোগ্রাম-এর তালিকা দেখতে পাবেন। এর মধ্যে বর্তমানে যে প্রোগ্রামগুলো কাজে লাগছে না সেগুলো নির্বাচন করে End Process-এ ক্লিক করে বন্ধ করে দেন। যদি ভুল করে কোনো প্রোগ্রাম বন্ধ করে দেন এবং এতে যদি অপারেটিং সিস্টেম এর কোন সমস্যা হয় তাহলে কম্পিউটার রিস্টার্ট করুন।

কম্পিউটার টিপস /ট্রিক্স▬5▬Computer tips & tricks bangla

প্রতি সপ্তাহ একবার আপনার hard drive Defragment এবং disk cleanup করুন।(1. click start – all programs – accessori – system utility – Defragment drive utility
2. click start – all programs – accessori – disk cleanup)  নতুনদের জন্য ২০টি কম্পিউটার টিপস্

কম্পিউটার টিপস /ট্রিক্স▬6▬Computer tips & tricks bangla

পিসি সেফ মোডে চালু হলে কি করবেন?

উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম স্বাভাবিকভাবে চালু হতে না পারলে অনেক সময় সেফ মোডে চালু হয়৷ সেফ মোড হলো উইন্ডোজের বিশেষ একটি অবস্থা যখন এটি একেবারে প্রয়োজনীয় ফাইল এবং ড্রাইভারসমূহ নিয়ে লোড হয়৷ বলা যেতে পারে ‘বিপদকালীন‘ অবস্থা যখন নূন্যতম রসদ দিয়ে প্রাণে বেচে থাকাটাই গুরুত্বপূর্ণ৷ সেফ মোডে উইন্ডোজ চালু হলে প্রাথমিক ভাবে রিস্টার্ট করে দেখা যেতে পারে পুনরায় স্বাভাবিকভাবে তা চালু হয় কিনা৷ বার বার করে ব্যর্থ হলে বুঝতে হবে সমস্যাটি গুরুতর৷ উইন্ডোজের কোনো গুরুত্বপূর্ণ ফাইলের ক্ষতি বা হার্ডওয়ারের সমস্যার কারণে তা হতে পারে৷ কোনো নতুন হার্ডওয়্যার সেটিংস পরিবর্তনের ফলে যদি উইন্ডোজ বার বার সেফ মোডে চলে যায় তবে পূর্ববর্তী সেটিংসটি রিভার্স করে ফেলাই শ্রেয়৷ সেফ মোডকে এজন্য ডায়াগনিস্টিক মোডও বলা হয়৷ উইন্ডোজ চালু হওয়ার সময় F8 চাপলে যে মেনু আসে সেখান থেকে সেফ মোড চালু করা যেতে পরে৷ তবে আগেই বলা হয়েছে; এটি ডায়াগনিস্টিক মোড৷ এই মোডে বাড়তি কোনো কিছুই যেমন- সাউন্ড, প্রিন্টার, হাই কালার ডিসপ্লে ইত্যাদি কিছুই কাজ করবে না৷.  নতুনদের জন্য ২০টি কম্পিউটার টিপস্

কম্পিউটার টিপস /ট্রিক্স▬7▬Computer tips & tricks bangla

আপনার hard disk এ দুইটি partition করুন এবং সেকেন্ড পার্টিশনে Install করুন সব large Softwares (like PSP, Photoshop, 3DS Max etc). Windows এর জন্য আপনার C Drive যথাসম্ভব খালি রাখুন যাতে Windows RAM full হওয়ার পর আপনার C Drive কে virtual memory হিসেবে use করতে পারে।

কম্পিউটার টিপস /ট্রিক্স▬8▬Computer tips & tricks bangla

আপনার পিসি পুরো বুট না হওয়া পযর্ন্ত কোন application open করবেননা।

কম্পিউটার টিপস /ট্রিক্স▬9▬Computer tips & tricks bangla

যে কোন application close করার পর আপনার desktop F5 চেপে refresh করে নিন, যা আপনার পিসির RAM হতে unused files remove করবে।

কম্পিউটার টিপস /ট্রিক্স▬10▬Computer tips & tricks bangla

.ডেস্কটপ wallpaper হিসেবে very large file size image ব্যবহার হতে বিরত থাকুন।
ডেস্কটপে অতিরিক্ত shortcuts রাখবেননা। আপনি জানেন কি ডেস্কটপে ব্যবহৃত প্রতিটি shortcut up to 500 bytes of RAM ব্যবহার করে।  নতুনদের জন্য ২০টি কম্পিউটার টিপস্

কম্পিউটার টিপস /ট্রিক্স▬11▬Computer tips & tricks bangla

প্রতিদিন আপনার ডেস্কটপের recycle bin Empty করে রাখুন। (The files are not really deleted from your hard drive until you empty the recycle bin.)

কম্পিউটার টিপস /ট্রিক্স▬12▬Computer tips & tricks bangla

অনেক সময় PC’র র‍্যাম কম থাকলে PC slow হয়ে যায়। ভার্চুয়াল মেমোরি বাড়িয়ে কিছুতা গতি বাড়ানো যায়। এর জন্য- My Computer এ মাউস রেখে right button ক্লিক করে properties-e যান। এখন advance এ ক্লিক করে performance এর settings এ ক্লিক করুন। আবার advance -এ ক্লিক করুন। এখন change এ ক্লিক করে নতুন উইন্ডো এলে সেটির Initial size ও Maximum size-এ আপনার ইচ্ছামত size লিখে set-এ ক্লিক করে ok দিয়ে বেরিয়ে আসুন। তবে Initial size এ আপনার PC’র র‍্যামের দ্বিগুণ এবং Maximum size এ র‍্যামের চারগুন দিলে ভাল হয়।

কম্পিউটার টিপস /ট্রিক্স 13▬Computer tips & tricks bangla

এ ছাড়াও কম্পিউটার ভাল রাখার কিছু টিপ্স জেনে নিন

১. প্রতি ১ বা ২ মাস পর পর কম্পিউটার খুলে সব parts মুছে নতুন করে লাগিয়ে দিন।
২. Ram খুলে পাতলা তুলো দ্বারা মুছে নতুন করে লাগিয়ে নিন।
৩. কম্পিউটারের উপর কোন ভারী কিছু রাখবেন না।
৪. রাতে ঘুমাবার সময় কম্পিউটার shut down করে দিন।
৫. বিদু্ৎ চলে গেলে যেন কম্পিউটার বন্ধ না হয়ে যায় সে জন্য UPS ব্যবহার করা উচিৎ।
৬. কম্পিউটার VIRUS দূর করার জন্য অ্যান্টিভাইরাস ব্যবহার করা উচিৎ।
৭. কম্পিউটারকে আলো-বাতাসপূর্ণ জায়গায় রাখুন।
৮. প্রতিদিন মনিটর, বিশেষ করে LCD মনিটর একবার করে মুছে রাখবেন।
৯. অনেকে কম্পিউটার চলার সময়ও CPU-র উপর আলাদা পর্দা দিয়ে রাখেন, যাতে ময়লা প্রবেশ না করে। এতে আরও ক্ষতিই হয়।
১০. ওয়ালপেপার হিসেবে এমন ছবি সেট করুন, যা আপনার চোখকে আরাম দেয়। ওয়ালপেপার সাইজে যত ছোট হবে, আপনার কম্পিউটারের গতির জন্য ততই ভাল।
১১. নিয়মিত ‘কুলিং ফ্যান’ মুছে পরিষ্কার করে রাখুন।  নতুনদের জন্য ২০টি কম্পিউটার টিপস্

কম্পিউটার টিপস /ট্রিক্স▬14▬Computer tips & tricks bangla

কম্পিউটারের র‌্যা ম কম থাকলে কম্পিউটার ধীর গতির হয়ে যায়। ভার্চুয়াল মেমোরি বাড়িয়ে কম্পিউটার গতি কিছুটা বাড়ানো যায়। ভার্চুয়াল মেমোরি বাড়ানোর জন্য প্রথমে My computer-এ মাউস রেখে ডান বাটনে ক্লিক করে properties-এ যান। এখন Advance-এ ক্লিক করে performance এর settings-এ ক্লিক করুন। আবার Advance-এ ক্লিক করুন। এখন change-এ ক্লিক করে নতুন উইন্ডো এলে সেটির Initial size ও Maximum size-এ আপনার ইচ্ছামত size লিখে set-এ ক্লিক করে ok দিয়ে বেরিয়ে আসুন। তবে Initial size-এ আপনার কম্পিউটারের র‌্যা মের size-এর দ্বিগুন এবং Maximum size-এ র‌্যা মের size-এর চারগুন দিলে ভাল হয়।

কম্পিউটার টিপস /ট্রিক্স▬15

যে কোন Software uninstall করার সময় ……কন্ট্রোল প্যানেলে যান। Add or Remove-এ দুই ক্লিক করুন। Add/Remove windows components-এ ক্লিক করুন। নতুন যে উইন্ডো আসবে সেটির বাম পাশ থেকে অদরকারি প্রোগ্রামগুলোর পাশের টিক চিহ্ন তুলে দিন। তারপর Accessories and Utilities নির্বাচন করে Details-এ ক্লিক করুন। নতুন যে উইন্ডো আসবে সেটি থেকে যে প্রোগ্রামগুলো আপনার কাজে লাগে না সেগুলোর টিক চিহ্ন তুলে দিয়ে OK করুন। এখন next-এ ক্লিক করুন। Successful meassage আসলে Finish-এ ক্লিক করুন।

কম্পিউটার টিপস /ট্রিক্স▬16

প্রত্যেকবার কম্পিউটার অন করার সময় বিভিন্ন ড্রাইভ চেকিং অপশন আসে যেমনঃ- Checking Drive E:

কম্পিউটার টিপস /ট্রিক্স▬17

Press any key to canceled এর সমাধান…..
>স্টার্ট থেকে রানে লিখুন সিএমডি (cmd) এবার এন্টার চাপুন।
>এরপর লিখুন সিএইচকেএনটিএফএস-স্পেস-ড্রাইভ লেটার (E:) স্পেস ব্যাকস্লাস(/)এক্স অর্থাতঃ (chkntfs E: /X) লিখে এন্টার দিন ব্যাস এবার কম্পিউটার রিস্টার্ট দিন।

কম্পিউটার টিপস /ট্রিক্স▬18

তৈরি করুন একটি অদৃশ্য ফোল্ডার একটি New Folder তৈরি করুন, যখন New Folder লিখাটি নীল রং এ সিলেক্ট করা থাকবে তখন keyboard এর ডান পাশের Alt চেপে ধরে 0160 চাপুন, এবার Alt key থেকে আঙুল সরিয়ে নিন এবং Enter এ ক্লিক করুন। এবার দেখুন একটি নাম ছাড়া ফোল্ডার তৈরি হয়েছে । এখন এই নাম ছাড়া Folder এ mouse এর right buttome ক্লিক করে Properties এ যান, তারপর customize > change icon এ ক্লিক করুন, তারপর icon window থেকে একটি blank icon সিলেক্ট করুন এবং ok তে ক্লিক করুন। এবার দেখুন আপনি একটি অদৃশ্য Folder তৈরি করেছেন।  নতুনদের জন্য ২০টি কম্পিউটার টিপস্

কম্পিউটার টিপস /ট্রিক্স▬19

অনেক সময় START MENU SHOW করতে দেরি হয় বা LOCAL   DISK ‍এর যে কোন পেজ ওপেন করতে দেরি হয় যা খুব বিরক্তিকর। ‍এ‍ই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে নিচের পথ অনুসরন করুন। প্রথমে START MENU থেকে RUN এ ক্লিক করুন। তাতে REGEDIT.EXE লিখে OK করুন। REGISTRY EDITOR BOX আসবে, সেখান থেকে HKEY_CURRENT_USER ট্যাবে ক্লিক করুন তারপর সেখান থেকে  CONTROL PANEL হয়ে DESKTOP ক্লিক করুন। DESKTOP এ ক্লিক করার পর ডান পাশের BINARY DATA হতে MENUSHOWDELAY তে ডাবল ক্লিক করুন। যে EDIT STRING BOX ‍আসবে তা হতে VALUE DATA “0” করে OK করুন। তারপর কম্পিউটার RESTART করুন। দেখবেন ‍আপনার কম্পিউটার ‍আগের তুলোনায় দ্রুত গতি সম্পন্ন হয়েছে ‍এবং LOCAL DISK পেজ OPEN হতে সময় কম নিচ্ছে।  নতুনদের জন্য ২০টি কম্পিউটার টিপস্

কম্পিউটার টিপস /ট্রিক্স▬20

কি বোর্ডের সাহায্যে চালু করুন কম্পিউটার
আমরা সাধারণত CPU-এর পাওয়ার বাটন চেপে কম্পিউটার চালু করি। কিন্তু অনেক সময় দেখা যায়, পাওয়ার বাটনে কোনো সমস্যা থাকলে কম্পিউটার চালু করতে অনেক কষ্ট হয়। আমরা ইচ্ছা করলে CPU-এর পাওয়ার বাটন না চেপে কি-বোর্ডের সাহায্যে খুব সহজেই কম্পিউটার চালু করতে পারি। এর জন্য প্রথমে কম্পিউটার চালু হওয়ার সময় কি-বোর্ড থেকে Del বাটন চেপে Bios-এ প্রবেশ করুন। তারপর Power Management Setup নির্বাচন করে Enter চাপুন। এখন Power on my keyboard নির্বাচন করে Enter দিন। Password নির্বাচন করে Enter দিন। Enter Password-এ কোনো একটি কি পাসওয়ার্ড হিসেবে দিয়ে সেভ (F10) করে বেরিয়ে আসুন। এখন কি-বোর্ড থেকে সেই পাসওয়ার্ড কি চেপে কম্পিউটার চালু করতে পারেন। এই পদ্ধতিটি গিগাবাইট মাদারবোর্ডের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। অন্যান্য মাদারবোর্ডেও এই পদ্ধতি পাওয়া যাবে।




Computer Help Line (কম্পিউটার বিষয়ক তথ্য জানতে ঘুরে অাসুন)

Computer Help লাইন

 

 

 

 

Bangla computer tips

 



কম্পিউটার হার্ডওয়ার সম্পর্কিত কিছু টিপস:

Computer Hardwar & Software Tips :

সিকিউরিটি সম্পর্কিত কিছু

  Website Security–

  1. SSL ( Secure Sockets Layer ) কানেকশন ব্যবহার করুনঃ নিরাপদে আপনার আ্যকাউন্ট আ্যকশেস করার জন্য একটি নতুন ওয়েব ব্রাউজার খুলুন (যেমনঃ ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার বা নেটস্কেপ প্রভৃতি) এবং আপনার সাইটের URL লিখুন নিন্মলিখিত পদ্ধতিতেঃ
https://www.Webname.com/.

Password Safety-

  1. কখনো পাসোয়ার্ড শেয়ার করবেন নাঃ কোনো ওয়েব সাইট নির্মাতা কখোনই পাসোয়ার্ড জানতে চায় না। তাই সর্বদা সতর্ক থাকুন। আপনার যদি কখোনো মনে হয় আপনার পাসোয়ার্ড অন্ন্যের হাতে চলে গেছে, তবে সময় নস্ট না করে তৎক্ষনাত পাসোয়ার্ড বদলে ফেলুন।
  2. মজবুত এবং প্রচলিত নয় এমন পাসোয়ার্ড ব্যবহার করুনঃ এমন পাসোয়ার্ড ব্যবহার করুন যার মধ্যে থাকবে একিই সঙ্গে লেটার, নম্বর এবং সাংকেতিক চিহ্ন। যেমনঃ $coo!place2l!ve or 2Barry5Bonds#1। দয়া করে নিকনেম, জন্ম তারিখ এই সমস্ত প্রচলিত পাসোয়ার্ড সজত্নে এড়িয়ে চলুন। এবং বারবার পাসোয়ার্ড ভুলে যাওয়া অভ্যাস ত্যাগ করুন।
  3. বিভিন্ন পাসোয়ার্ড ব্যবহার করুনঃ একিই পাসোয়ার্ড সকল অনলাইন (যেমনঃ AOL, eBay, MSN, or Yahoo) সাইটের ক্ষেত্রে ব্যবহার করবেন না। একিই পাসোয়ার্ড সকল অনলাইন সাইটের ক্ষেত্রে ব্যবহার করলে, একটি আ্যকাউন্ট যদি হ্যাকিং এর কবলে পড়ে তাহলে আপনার সকল আ্যকাউন্টই দ্রুত কপি হয়ে যাবে, আপনি দ্রুত সকল আ্যকাউন্ট এর পাসোয়ার্ড পরিবর্তন করতে পারবেন না।

ল্যাপটপ টিপস

  • ব্যাটারীতে ল্যাপটপ চালানোর সময় স্ক্রিনের ব্রাইটনেস কমিয়ে দিন।
  • দরকারি ছাড়া অন্য উইন্ডোগুলো মিনিমাইজ করে রাখুন
  • মাঝে মাঝে ব্যাটারীর কানেক্টর লাইন পরিস্কার করুন।
  • হার্ডডিস্ক থেকে মুভি-গান প্লে করুন, কারন সিডি/ডিভিডি রম অনেক বেশি পাওয়ার নেয়।
  • এয়ার ভেন্টের পথ খোলা রাখুন, সহজে বাতাস চলাচল করে এমন ভাবে ল্যাপটপ পজিশনিং করুন, সরাসরি সূর্যের আলোতে রাখবেন না।
  • সাট ডাউনের পরিবর্তে হাইবারনেট অপশন ইউজ করুন।
  • ব্লু-টুথ ও ওয়াই-ফাই কানেকশন বন্ধ রাখুন
  • ভালো মানের এন্টিভাইরাস ব্যবহার করুন। তবে অবশ্যই নরটন এন্টিভাইরাস না, কারন সিস্টেমকে অনেক স্লো করে।
  • হার্ডডিস্ক ও সিপিইউ এর মেইনটিনেন্স কোন কাজ করবেন না।
  • ব্যাটারী দিয়ে ল্যাপটপ চালানো না লাগলেও ২/৩ সপ্তাহে মাঝে মাঝে ব্যাটারী থেকে চালাতে হবে, নতুবা ব্যাটারী আয়ু  কমে যাবে।
  •  অপ্রয়োজনীয় প্রোগ্রামগুলো বন্ধ করুন।
  •  মাঝে মাঝে মেমরী ক্লিনের জন্য Ram Cleaner, Ram Optimizer, Mem Monster, Free Up Ram, Super Ram,
  •  নিয়মমাফিক ডিফ্রাগমেন্ট করুন।
  •  আপাতত দরকার নাই এমন প্রোগ্রাম আনইনস্টল করুন।
      XP তে Fax সেটআপ করা

যারা windows xp ব্যবহার করেন তারা শুধুমাত্র একটি Fax modem এর মাধ্যেম কম্পিউটারে Fax এর সুবিধা গ্রহন করতে পারেন। প্রথমে আপনার কম্পিউটারে Fax modem আছে কিনা নিশ্চিত হউন। না থাকেল নতুন Fax modem ( সেটি যে কোন কোম্পানীর হতে পারে।) আপনার কম্পিউটারে সেটআপ করে নিন। এবার Start > Printer and Fax এ ক্লিক করে Printer and Fax window চালু করেন। window এর ডান কোণার কমন টাস্ক মেনু স্লাইড বার হতে Setup Faxing এ ক্লিক করেন। এই অবস্থায়  windows xp এর সেটআট ডিস্ক চাইবে। windows xp এর সিডিটি রমড্রাইভে প্রবেশ করান। কিছুক্ষনের মধেই Fax আইকন দেখা যাবে। এবার Fax আইকনে ডাবল ক্লিক করুন।
welcome Fax configuration window হতে Next এ ক্লিক করুন। Select informatiom  হতে আপনার প্রয়োনীয় তথ্য গুলি টাইপ করে Next এ ক্লিক করুন। অতপর Finish এ ক্লিক করুন। Windows security Alert হতে Unblock  ক্লিক করুন । Fax করার জন্য এবার যে কোন প্রোগাম হতে Print command দিন এবং printer name drop down box হতে Fax select করে OK বাটনে ক্লিক করুন। আর Fax Recive অটোমেটিক ভাবে কল আসেল হয়ে যাবে।
 হার্ডডিস্ক সমস্যা ও সমাধান
 সবসময় হার্ডডিস্ক নষ্ট হয়ে গেলেই যে এই ধরনের মেসেজ দিবে তা কিন্তু নয়। অনেক সময় ডসে কোনো ফাইলে ত্রুটি থাকলে এমনটি ঘটতে পারে। তাছাড়া আপনার Ram স্লটে কোনো সমস্যা থাকলে কিংবা পাওয়ার ইউনিটে বা মাদারবোর্ডে সমস্যা থাকলেও এমনটি ঘটতে পারে। সর্বোপরি আপনার হার্ডডিস্কের কেবল ঠিকমতো লাগানো না থাকলে বা ঠিলা হয়ে থাকলে এইধরনের ঘটনা ঘটতে পারে।
আপনার হার্ডডিস্কে সত্যিকার অর্থে জটিল কোনো সমস্যা দেখা দিয়েছে কিনা এ বিষয়ে নিশ্চিত হতে হলে আপনাকে আরো একটু সতর্ক হতে হবে।
কম্পিউটারের স্টার্ট সুইচ চাপ দিয়ে যখন কম্পিউটার চালু হতে থাকবে তখন সিস্টেম ইউনিটের কাছে আপনার কান নিয়ে যান।যদি এমনটি না হয় তাহলে বুঝতে হবে কম্পিউটারের সমস্যা অন্য কোনো জায়গায়। এই অবস্থায় আপনার সিস্টেম ইউনিট বাক্সটা খুলে হার্ডডিস্কে কেবলগুলো ঠিকমতো লাগানো আছে কিনা চেক করে নিন। Ram স্লটগুলো ঠিক জায়গা মতো আছে কিনা চেক করে নিন। পাওয়ার কানেকশন ঠিকমতো মাদারবোর্ডে আছে কিনা চেক করে নিন। সবকিছু ঠিক থাকলে তারপর বক্সটির কভার লাগিয়ে সিপিইউ এর সুইচ অন করুন।

Ram সমস্যা সমাধান :

অন্য একটি Ram স্লট লাগিয়ে পরীক্ষা করে দেখতে পারেন কোনো সমস্যা হচ্ছে কিনা।
Ram স্লট খোলার জন্যে আপনি আপনার দুই হাত ব্যবহার করবেন। দুই হাতের তর্জনী আঙুলের সাহায্যে Ram স্লটের দুইপাশের ক্লিপে চাপ দিন। Ram স্লট সুন্দরভাবে খুলে আসবে।
ত্রুটিপূর্ণ Ram সিপিউতে লাগিয়ে রাখা বুদ্ধিমানের কাজ নয়। কারেণ Ram স্লটের দাম খুব একটা বেশি না। সুতরাং কোনো Ram ত্রুটিপূর্ণ হয়েছে বুঝতে পারার সাথে সাথে সেটি বদলে ফেলাই ভালো। নতুবা, পরবর্তীতে এর প্রভাব পড়তে পারে আপনার দামী মাদারবোর্ডে। কিংবা অন্য কোনো যন্ত্রাংশের উপর।

    ল্যান কাডের সমস্যা সমাধান  

 ১. ল্যান কাডের ভিতরের সোনালী নচ এর ভিতরে ইনসুলেশন থাকতে পারে। চিকন স্ক্র-ড্রাইভার দিয়ে সুক্ষভাবে নচ গুলো পরিষ্কার করুন।
২. ল্যান কাডটি অন্য একটি ভালো পিসিতে লাগিয়ে সিউর হয়ে নিন ল্যান কাড ঠিক আছে কিনা।
৩. যদি ঠিক থাকে, তবে অন্য একটি পিসিআই স্লটে বসিয়ে দেখতে পারেন।
৪.  বায়োসের ব্যাটারী চেঞ্জ করুন এবং বায়োসকে ডিফোল্ট সেটআপ করুন।সফটওয়্যার জানিত সমস্যার সমাধান:
১. মাই নেটওয়ারক প্লেস এর উপর রাইট বাটন ক্লিক করে প্রোপারটিস এ ক্লিক করুন। যদি ল্যান কারড সো না করে তবে ডিভাইজ ম্যানেজার থেকে নেটওয়ারক এডাপ্টার এ নেটওয়ারক কাড এ যদি ল্যান কারড এর কোনো সিম্বল শো করে কিনা দেখুন। নেটওয়ারক এডাপ্টার এ রাইট বাটন ক্লিক করে প্রোপারটিজ এ ক্লিক করুন। ড্রাইভার ট্যাবে ক্লিক করে আপগেড ড্রাইভার এ ক্লিক করে ড্রাইভার আপগ্রেড করে নিন।

  পাওয়ার সাপ্লাইটা কি ঠিক আছে 

  • পিসিতে পাওয়ার না আসা।
  • পাওয়ার সাপ্লাই এর ফ্যান ঘোরে কিন্তু কোন কাজ হয় না।
  • প্রসেসরের ফ্যান ঘোরে কিন্তু কোন কাজ হয় না।
  • পিসি মাঝে মাঝে রির্স্টাট হয়
    মাদারবোর্ডের লাইট জ্বলে কিন্তু পাওয়ার সাপ্লাই ও প্রসেসরের ফ্যান ঘোরে না।
  • পিসির কাছ থেকে কোন সাড়া শব্দ পাওয়া যায়না।

    বাড়িয়ে নিন আপনার কম্পিউটারের গতি

    পরিস্কার এর মাধ্যমে পিসির কাজ কে আরো দ্রুত করে।

          http://www.glaryutilities.com/gu.html?tag=download

    হার্ডওয়্যার সম্পর্কিত বিভিন্ন সমস্যা ও সমাধান : হার্ডডিস্কে সমস্যা ও সমাধান

    আপনার হার্ডডিস্কটি যে কোনো সময় নষ্ট হয়ে যেতে পারে বা ত্রুটি দেখা দিতে পারে। ছোটখাট ত্রুটিগুলো আপনি যেকোনো Disk First Aid Tool Kit দিয়ে সেরে নিতে পারেন। তবে বড় আকারের কোনো ত্রুটি হলে সেটাকে কোনো ক্রমেই মেরামত করা যায় না। সেই স্থলে একটা নতুন হার্ডডিস্ক লাগাতে হয়।
    আপনার হার্ডডিস্ক নষ্ট হয়ে গেলে কম্পিউটার চালানোর সময় ডস প্রম্পটে নিচের লেখা দিতে পারেঃ NO SYSTEM DISK IS FOUND

    অর্থাৎ, আপনার কম্পিউটার চালানোর জন্যে সিস্টেম ডিস্কটি খুঁজে পাচ্ছে না সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট বা সিপিইউ। অবশ্য, সবসময় হার্ডডিস্ক নষ্ট হয়ে গেলেই যে এই ধরনের মেসেজ দিবে তা কিন্তু নয়। অনেক সময় ডসে কোনো ফাইলে ত্রুটি থাকলে এমনটি ঘটতে পারে। তাছাড়া আপনার Ram স্লটে কোনো সমস্যা থাকলে কিংবা পাওয়ার ইউনিটে বা মাদারবোর্ডে সমস্যা থাকলেও এমনটি ঘটতে পারে। সর্বোপরি আপনার হার্ডডিস্কের কেবল ঠিকমতো লাগানো না থাকলে বা ঠিলা হয়ে থাকলে এইধরনের ঘটনা ঘটতে পারে।
    আপনার হার্ডডিস্কে সত্যিকার অর্থে জটিল কোনো সমস্যা দেখা দিয়েছে কিনা এ বিষয়ে নিশ্চিত হতে হলে আপনাকে আরো একটু সতর্ক হতে হবে।
    কম্পিউটারের স্টার্ট সুইচ চাপ দিয়ে যখন কম্পিউটার চালু হতে থাকবে তখন সিস্টেম ইউনিটের কাছে আপনার কান নিয়ে যান।
    হার্ডডিস্কে বড়ো আকারের কোনো সমস্যা থাকলে এইসময় “ঢং ঢং, টিট টিট, পিপ পিপ” এই ধরনের কিছু ব্যড সাউন্ড হবে। এছাড়া ফ্লেক্সিবল ঘূর্ণায়মান ঝির ঝির শব্দ থেমে থেমে হতে পারে। এমনটি ঘটলে বুঝে নিতে হবে আপনার হার্ডডিস্কে বড় আকারের কোনো ত্রুটি দেখা দিয়েছে।
    যদি এমনটি না হয় তাহলে বুঝতে হবে কম্পিউটারের সমস্যা অন্য কোনো জায়গায়। এই অবস্থায় আপনার সিস্টেম ইউনিট বাক্সটা খুলে হার্ডডিস্কে কেবলগুলো ঠিকমতো লাগানো আছে কিনা চেক করে নিন। Ram স্লটগুলো ঠিক জায়গা মতো আছে কিনা চেক করে নিন। পাওয়ার কানেকশন ঠিকমতো মাদারবোর্ডে আছে কিনা চেক করে নিন। সবকিছু ঠিক থাকলে তারপর বক্সটির কভার লাগিয়ে সিপিইউ এর সুইচ অন করুন।
    আশাকরি এবার আপনার কম্পিউটার ঠিকঠাক মতো অন হয়ে যাবে। এটা না হলে বুঝতে হবে আপনার হার্ডডিস্কে বা মাদারবোর্ডে সমস্যা আছে। এইসব ক্ষেত্রে সবচেয়ে ভালো হয় অন্যকোন অ্যাকটিভ কম্টিউটারে আপনার হার্ডডিস্ক সেট করে চেক করে নেয়া- এটা সত্যি নষ্ট হয়েছে কিনা।
    যদি সত্যি সত্যি তা নষ্ট হয়ে থাকে তবে সেটা পাল্টে ফেলা ছাড়া আর কোনো উপায় নেই।




কম্পিউটার দ্রুত গতির করার কিছু টিপস

কম্পিউটার দ্রুত গতির করার কিছু টিপস

**কিছু সময় পরপর Start থেকে Run-এ ক্লিক করে tree লিখে ok করুন। এতে র‌্যামের কার্যক্ষমতা বাড়ে।

**Ctrl + Alt + Delete চেপে বা টাস্কবারে মাউস রেখে ডান বাটনে ক্লিক করে Task Manager খুলুন।তারপর Processes-এ ক্লিক করুন। অনেকগুলো প্রোগ্রাম-এর তালিকা দেখতে পাবেন। এর মধ্যে বর্তমানে যে প্রোগ্রামগুলো কাজে লাগছে না সেগুলো নির্বাচন করে End Process-এ ক্লিক করে বন্ধ করে দেন। যদি ভুল করে কোনো প্রোগ্রাম বন্ধ করে দেন এবং এতে যদি অপারেটিং সিস্টেম এর কোন সমস্যা হয় তাহলে কম্পিউটার রিস্টার্ট করুন।
**কম্পিউটারের র‌্যা ম কম থাকলে কম্পিউটার ধীর গতির হয়ে যায়। ভার্চুয়াল মেমোরি বাড়িয়ে কম্পিউটার গতি কিছুটা বাড়ানো যায়। ভার্চুয়াল মেমোরি বাড়ানোর জন্য প্রথমে My computer-এ মাউস রেখে ডান বাটনে ক্লিক করে properties-এ যান। এখন Advance-এ ক্লিক করে performance এর settings-এ ক্লিক করুন। আবার Advance-এ ক্লিক করুন। এখন change-এ ক্লিক করে নতুন উইন্ডো এলে সেটির Initial size ও Maximum size-এ আপনার ইচ্ছামত size লিখে set-এ ক্লিক করে ok দিয়ে বেরিয়ে আসুন। তবে Initial size-এ আপনার কম্পিউটারের র‌্যা মের size-এর দ্বিগুন এবং Maximum size-এ র‌্যা মের size-এর চারগুন দিলে ভাল হয়।

** কন্ট্রোল প্যানেলে যান। Add or Remove-এ দুই ক্লিক করুন। Add/Remove windows components-এ ক্লিক করুন। নতুন যে উইন্ডো আসবে সেটির বাম পাশ থেকে অদরকারি প্রোগ্রামগুলোর পাশের টিক চিহ্ন তুলে দিন। তারপর Accessories and Utilities নির্বাচন করে Details-এ ক্লিক করুন। নতুন যে উইন্ডো আসবে সেটি থেকে যে প্রোগ্রামগুলো আপনার কাজে লাগে না সেগুলোর টিক চিহ্ন তুলে দিয়ে OK করুন। এখন next-এ ক্লিক করুন। Successful meassage আসলে Finish-এ ক্লিক করুন।




Computer Refresh করুন হাত ছাড়া

Computer Refresh করুন হাত ছাড়া

কম্পিউটারে কোন কাজ করার পর রিফ্রেস দেওয়াটা অনেকের কাছে রীতিমত অভ্যাসে পরিনত হয়ে গেছে। কারো কারো অভ্যাসটা এত বেশী হয়ে গেছে যে কারণে-অকারণেই অনেকে রিফ্রেস দেন icon smile Computer Refresh করুন হাতের ছোঁয়া ছাড়া । যাই হোক, আমি আজকে আপনাদের একটা ছোট টিপস শেখাব। টিপসটি হল কিভাবে সয়ংক্রিয়ভাবে রিফ্রেস করা যায়। এই কাজটি করার ফলে কম্পিউটার নিজে নিজেই রিফ্রেস করে নেবে। আপনাকে আর কষ্ট করে মাউস দিয়ে রিফ্রেস করতে হবে না। এজন্য আপনাকে যা করতে হবে:
Start Menu -> Run এ গিয়ে regedit লিখে ok করুন। Registry Editor চালু হবে। HKEY_LOCAL_MACHINE -> SYSTEM -> CurrentControlSet -> Control -> Update এ গিয়ে ডান পাশে লেখা দেখবেন UpdateMode। এটাতে ডাবল ক্লিক করে ডাটা 1 এর পরিবর্তে 0 করে দিন। কম্পিউটার রিস্টার্ট করুন।
এখন থেকে আপনার কম্পিউটার অটোমেটিক রিফ্রেস হবে।



পি.ডি.এফ. কনভার্টার, নিজেই তৈরি করুন পি.ডি.এফ. ফাইল, পি.ডি.এফ. প্রিন্টার।

আমি আজ আপনাদের জন্য ফাটাফাটি একটি সফটওয়্যার নিয়ে এসেছি। এটি ফ্রীওয়্যার

আমরা অনেক সময় ইন্টারনেটে অনেক কিছু ব্রাউজ করি। অনেক সময় প্রয়োজনীয় অনেক পেজ সেভ করে রাখি। তবে এটি অনেক ঝামেলাদায়ক।

তাছাড়া আমরা মাইক্রোসফট অফিসের ওয়ার্ড, এক্সেল, পাওয়ার পয়েন্ট ইত্যাদিতে কাজ করে থাকি কিন্তু অনেকের কাছে প্রিন্টার থাকে না। আর তাই অন্য জায়গায় প্রিন্ট করতে গেলে ফন্ট নিয়ে সমস্যা দেখা দেয়। তাছাড়া আমরা অনেকে ই-বুক তৈরি করতে চাই, কিন্তু টাকার অভাবে আমরা পি.ডি.এফ. কনভার্টার কিনতে পারিনা।

আর এই সকল সমস্যার সমাধান হচ্ছে Do PDF। এই সফটওয়্যার ব্যবহার করে আপনি সহজেই পি.ডি.এফ. ফাইল তৈরি করতে পারবেন। এটি আপনি ২ভাবে ব্যবহার করতে পারেন। প্রথমত, যে সফটওয়্যার এর প্রিন্ট অপশনটি আছে সেটি ব্যবহার করে আপনি পি.ডি.এফ. ফাইল তৈরি করতে পারবেন। এজন্য প্রিন্টার DoPdf সিলেক্ট করে দিতে হবে। দ্বিতীয়ত, আপনি Start Menu হতে Do Pdf ওপেন করে নির্দিষ্ট ফাইল সিলেক্ট করে দিয়ে কনভার্ট করতে পারেন।

কোন ওয়েবপেজ পি.ডি.এফ. এ কনভার্ট করতে চাইলে- File Menu হতে Print সিলেক্ট করুন। ব্যাস শেষ।

আশা করি আপনারা অনেক উপকৃত হবেন। পোস্টটি পছন্দ হলে মন্তব্য করবেন। সহজে মন্তব্য করতে চাইলে ফেসবুক লগইন থাকা অবস্থায় মন্তব্যের ফেসবুক অপশন সিলেক্ট করে মন্তব্য করবেন।

PDF

PDF




নাম ছাড়া ফোল্ডার তৈরি করুন

নাম ছাড়া ফোল্ডার বানাতে চান? এইটা কোন ব্যাপার না। কি নিয়ে লেখব ভাবছিলাম, ঠিক তখনই কম্পিউটার ক্লাব বিডি গ্রুপের একভাই জিজ্ঞাসা করল কিভাবে নাম ছাড়া ফোল্ডার বানানো যায়। তাই সাথে সাথে লিখতে বসে গেলাম। সাধারনত নাম ছাড়া ফোল্ডার তৈরি করা যায় না। তো নামছাড়া ফোল্ডার বানাতে চাইলে নিচের নিয়মটি অনুসরন করুন-

Folder

Folder

ð  একটি ফোল্ডার তৈরি করুন যে কোন নামে।

ð  এবার ফোল্ডারটি সিলেক্ট করে কী-বোর্ড থেকে F2 চাপুন অথবা ফোল্ডারটির উপর মাউসের রাইট বাটন ক্লিক করে Rename এ ক্লিক করুন।

ð  এবার কী বোর্ড থেকে Alt কী চেপে ধরে রেখে কীপ্যাড হতে 0160 চাপুন।

ð  Alt কী ছেড়ে দিন। তাহলে ফোল্ডারের নামটি মুছে যাবে তখন কী বোর্ড হতে Enter প্রেস করুন।

ð  ব্যাস কাজ শেষ, নাম ছাড়া ফোল্ডার।

আশা করি অনেক ভাল লাগবে এই টিপসটা। ভাল লাগলে কমেন্ট করবেন।

ধন্যবাদ।




ফাংশন কী এবং তার ব্যবহার | The Uses of Function Keys | F1 – F12

কীবোর্ডের একেবারে উপরে এক সারিতে F1-F12 যে কী গুলো আছে সেগুলো হলো ফাংশন কী। এদের একেক কী একেক কাজে ব্যবহার করা হয়। মূলত কম্পিউটার সহজেই অপারেট করতে এই কী গুলোর কোন বিকল্প নেই। তথাপি আমাদের এই কী গুলো সম্পর্কে অনেকের কোন ধারণা নেই, আবার অনেকেই অল্প জানেন। তাছাড়া সব ফাংশন কী আমরা সাধারনত সবসময় ব্যবহার করি না বলে ভুলে যেতে পারি। তাই আপনাদের সবার কথা চিন্তা করে সকল ফাংশন কী এর সর্বোচ্চ ব্যবহারের কথা চিন্তা করে আজকের পোস্টটি করা। আশা করি আপনাদের উপকারে আসবে।

The Uses of F1 - F12 by Computer Club BD

F1

  • এটি হেল্প কী হিসেবে কাজ করে। যেকোন প্রোগ্রামের উইন্ডো ওপেন থাকা অবস্থায় F1 কী প্রেস করুন। তাহলে হেল্প উইন্ডো দেখতে পাবেন।
  • CMOS Setup এ ঢুকতে এ কী প্রেস করতে হয়।
  • Ctrl + F1 প্রেস করে মাইক্রোসফট অফিসের রিবন/টাস্ক প্যান শো ও হাইড করা যায়।
  • Windows Key + F1 প্রেস করলে মাইক্রোসফট উইন্ডোজ হেল্প ও সাপোর্ট সেন্টার ওপেন হবে।

F2

  • উইন্ডোজের সকল ভার্সনে ফাইল ও ফোল্ডার রিনেম করার জন্য ফাইল বা ফোল্ডার সিলেক্টেড অবস্থায় এটি প্রেস করে রিনেম করা যায়।
  • Alt + Ctrl + F2 প্রেস করে মাইক্রোসফট অফিসে ডকুমেন্ট উইন্ডো ওপেন করা যায়। যেমন আপনি পাওয়ার পয়েন্টে গিয়ে যদি এ কীগুলো প্রেস করেন তাহলে একটি উইন্ডো আসবে যার টাইটেল হলো “ওপেন”। সেটির মাধ্যমে আপনি পাওয়ার পয়েন্টের ফাইল ওপেন করতে পারবেন (অন্য ফাইল ও ওপেন করা যায়)।
  • Ctrl + F2 মাইক্রোসফট অফিসে প্রিন্ট প্রিভিউ দেখা যায়।
  • CMOS Setup এ ঢুকতে এ কী প্রেস করতে হয়।

F3

  • আপনি ডেস্কটপ হতে যদি F3 কী প্রেস করেন তাহলে সার্চ অপশন ওপেন হবে। তেমনি যেসব এপ্লিকেশানে সার্চ অপশন ব্যবহার হয় যেমন ওয়েব ব্রাউজার – F3 প্রেস করলে সার্চ অপশন আসবে। তবে এটি সব এপ্লিকেশানে সেম কাজ করে না।
  • MS-DOS বা Windows command line এ F3 প্রেস করলে লাস্ট কমান্ডটি দেখাবে।
  • Shift + F3 মাইক্রোসফট অফিসে কেস (সব গুলো আপার, সব গুলো লোয়ার, শুধু প্রতি শব্দের প্রথম লেটার বড় হাতের) চেঞ্জ করার কাজে ব্যবহার করা হয়।
  • Windows Key + F3 প্রেস করলে আউটলুকের সার্চ অপশন দেখাবে।
  • Apple computer এর Mac OS X এ Mission Control ওপেন করবে।

F4

  • উইন্ডোজ 95 হতে XP এ ফাইন্ড উইন্ডো ওপেন করবে।
  • Windows Explorer ও Internet Explorer এড্রেস বার ওপেন করবে। (ফায়ার ফক্সে বা অন্যন্য ব্রাউজারে এড্রেসবার সিলেক্ট করে F4 প্রেস করলে এড্রেস বার ওপেন হবে।
  • মাইক্রোসফট অফিসে সর্বশেষ যে কাজটি করেছেন সেটি রিপিট করবে। যেমন ব্যাকস্পেস প্রেস করার পর F4 প্রেস করলে এটি ব্যাকস্পেস এর কাজ করবে। কোন একটা লেখা একবার পেস্ট করার পর আপনি যতবার F4 প্রেস করবেন ততবার লেখাটি পেস্ট হবে ইত্যাদি।
  • Alt + F4 প্রেস করলে যে উইন্ডোটি ওপেন করা অবস্থায় থাকবে তা ক্লোজ হবে। আর ডেস্কটপ হতে এ কী দুটো প্রেস করলে শাটডাউন অপশন আসবে।
  • Ctrl + F4 প্রেস করে সাবউইন্ডো গুলো ক্লোজ করা হয়। যেমন মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে যদি আপনি কোন ফাইল ওপন থাকা অবস্থায় এ কী দুটো প্রেস করেন তাহলে আপনার ওপেন করা ডকুমেন্টটি ক্লোজ হবে, ওয়ার্ড এপ্লিকেশনটি নয়। তেমনি ফটোশপ বা মাল্টি ডকুমেন্ট ওপেন করা যায় এমন এপ্লিকেশানে এই শর্টকাটটি কাজে আসবে।

F5

  • F5 ওয়েব ব্রাউজারের ওয়েবপেজ বা ডকুমেন্ট রিফ্রেশের কাজে করে।
  • ডেস্কটপ বা উইন্ডোজ এক্সপ্লোরারেও এটি রিফ্রেশ করার কাজ করে।
  • মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে গো টু ট্যাব সিলেক্টের অবস্থায় ফাইন্ড, রিপ্লেস ও গো টু উইন্ডো ওপেন হবে।
  • মাইক্রোসফট পাওয়ার পয়েন্টে স্লাইড শো দেখানোর জন্য F5 কী প্রেস করতে হয়।

F6

  • ওয়েব ব্রাউজারের এড্রেস বারে কার্সর নেয়ার জন্য F6 প্রেস করতে হয়।
  • Ctrl + Shift + F6 প্রেস করে মাইক্রোসফট অফিসে (যেমন ওয়ার্ড) এক ডকুমেন্ট হতে অন্য ডকুমেন্টে টোগল করা যায়।

F7

  • মাইক্রোসফট অফিসে স্পেলিং ও গ্রামার চেক করার জন্য F7 কী প্রেস করতে হয়।
  • Shift + F7 প্রেস করলে হাইলাইটেড ওয়ার্ড (ওয়ার্ডে কার্সর থাকলেই হবে) Thesaurus চেক করবে।
  • ফায়ার ফক্সে ক্যারেট ব্রাউজিং (ওয়েব পেজে মুভেবল কার্সর ইউস করা) করা যায় F7 কী প্রেস করে।

F8

  • উইন্ডোজ স্টার্ট আপ মেনু তে যাবার জন্য F8 কী প্রেস করা হয় আর এটি সাধারণত ইউস করা হয়ে থাকে উইন্ডোজ সেফ মুডে রান করার জন্য।

F9

  • কোয়ার্ক ৫.ও এ মেজারমেন্ট টুলবার ওপেন করা যায়।
  • ম্যাক ওএস 10.3 বা পরবর্তী ভার্সনের সকল ওপেন উইন্ডো গুলো দেখায়।
  • Fn + F9 এপল কম্পিউটারের এর Mac OS X এ Mission Control ওপেন করবে।

F10

  • উইন্ডোজ বা অন্যান্য এপ্লিকেশানে মেনুবার একটিভ হয়।
  • Shift + F10 মাউসের রাইট বাটনের কাজ করে।
  • এইচপি ও সনি কম্পিউটারে হাইড করা রিকভারি পার্টিশান এক্সেস করা যায়।
  • CMOS Setup এ ঢুকতে এ কী প্রেস করতে হয়।
  • Mac OS 10.3 বা পরবর্তী ভার্সনের কোন এপস এর সকল ওপেন উইন্ডো গুলো দেখায়।

F11

  • ব্রাউজার ফুল স্ক্রীনে দেখায়।
  • Ctrl + F11 ডেল কম্পিউটারে হাইড করা রিকভারি পার্টিশান এক্সেস করা যায়।
  • ইমেশিনস, গেটওয়ে ও লেনোভো কম্পিউটারে হাইড করা রিকভারি পার্টিশান এক্সেস করা যায়।
  • Mac OS 10.4 বা পরবর্তী ভার্সনের সকল ওপেন উইন্ডো গুলো হাইড করে ডেস্কটপ দেখায়।
  • Shift + F11 মাইক্রোসফট এক্সেলে নতুন শীট এবং Ctrl + F11 ওয়ার্কবুকে নতুন ম্যাক্রো এড করে।

F12

  • মাইক্রোসফট অফিসে সেভ এস উইন্ডো ওপেন হয়।
  • অভ্রতে কীবোর্ড চেঞ্জ করার জন্য F12 ব্যবহার হয়ে থাকে(এটি পরিবর্তন যোগ্য)। সেক্ষেত্রে মাইক্রোসফট অফিসে সেভ এস উইন্ডোটি দেখায় না।
  • Shift + F12 প্রেস করলে মাইক্রোসফট অফিস এর ডকুমেন্ট সেভ করে।
  • Ctrl + Shift + F12 মাইক্রোসফট অফিসে প্রিন্ট অপশন আসে।
  • মাইক্রোসফট এক্সপ্রেশান ওয়েবে পেজ প্রিভিও করে।
  • ফায়ার বাগ ওপেন করে।
  • এপল কম্পিউটারের ম্যাক ওএস 10.4 বার পরবর্তী ভার্সনে ড্যাশবোর্ড শো ও হাইড করে।

F13 – F24 !!!

  • আগে আইবিএম কম্পিউটারে যদিও এ কী গুলো ছিল কিন্তু বর্তমানে এগুলো কীবোর্ডে থাকে না।

সর্বমোট ফাংশন কী এর ৪৮ টি ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে। তা সত্বেও কিছু বাদ পরাটাই স্বাভাবিক। আশাকরি কাজে এসেছে। ধন্যবাদ।




এবার জেনে নিন, সেরা ২০ টি কম্পিউটার বাংলা টিপস / ট্রিক্স এবং হয়ে উঠুন কম্পিউটার গুরু ! ! !

সেরা ২০ টি কম্পিউটার  টিপস ট্রিক্স বাংলায়↓

কম্পিউটার টিপস /ট্রিক্স▬1▬Computer tips & tricks bangla

পেনড্রাইভ/মেমোরী কার্ডে লুকানো থাকা ফাইল উদ্ধার  করার জন্য search option গিয়ে “.” শুধু ডট লিখে search দিন। সব ফাইল চলে আসবে।

কম্পিউটার টিপস /ট্রিক্স▬কম্পিউটার হয়ে যাক আরও গতিশীল▬Computer tips & tricks bangla

  • GO “ RUN “ – tree লিখে এন্টার করুন।
  • GO “ RUN “ – prefetch লিখে এন্টার করুন।( একটা নতুন উইন্ডো আসবে সব ফোল্ডার এবং ফাইল ডিলিট করুন।
  • GO “ RUN “ – temp লিখে এন্টার করুন। এখন টেম্পোরারী ফাইল গুলো ডিলিট করুন।
  • GO “ RUN “ – %temp% লিখে এন্টার করুন। এখন টেম্পোরারী ফাইল গুলো ডিলিট করুন।

প্রতিটা ড্রাইভের উপর মাউসের রাইট বাটুন ক্লিক করুন তারপুর প্রপারট্রিজ এ ক্লিক করুন ডিস্ক ক্লিনআপ এ ক্লিক করুন। আশা করি আপনার কম্পিটার এ অনেক গতি বেড়ে যাবে। পুরাতন কম্পিউটার এর জন্য বেশী কার্যকরী।

কম্পিউটার টিপস /ট্রিক্স▬ Computer কেন এবং কিভাবে Hang হয়?▬Computer tips & tricks bangla

  • কম্পিউটারের প্রসেসরের মান বা কাজের তুলনায় স্পীড কম হলে ।
  • কম্পিউটার র‌্যামের তুলনায় বেশী পরিমাণ কাজ করলে।আপনার কম্পিউটার র‌্যাম এর পরিমাণ কম কিন্তু আপনি অনেক বড় বড় কয়েকটি প্রোগ্রাম চালু করলেন। তাহলে তো হবেই।
  • কম্পিউটার হার্ডডিক্স এর কানেকশন এবং প্রসেসরের কানেকশন ঠিকমত না হলে, বার বার একই সমস্যা হতে পারে
  • যদি বার বার হ্যাং হয় তাহলে Cooling Fan টা check করেন এটা স্পীডে গুরছে কিনা।
  • hard diskএ Bad sector থাকলে বা অন্য কোন হার্ডওয়্যারে ত্রুটি থাকলে।
  • অপারেটং সিস্টেমে ত্রুটি থাকলে মানে…কোনো সিস্টেম ফাইল file delete হয়ে যাওয়াকে বুঝায়। যার কারণে কম্পিউটারে সমস্যা হতে পারে।
  • কম্পিউটার ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হলে সাধারণত Hang হতে পারে।

এই কারণেই কম্পিউটারে বেশী Hangহয়। আর এই ভাইরাস অপারেটিং সিস্টেমের কিছু ফাইলের কার্যপদ্ধতিকে বন্ধ করে দেয় যার কারণে কম্পিউটার প্রয়ই হ্যাং হয়। কম্পিউটারে অতি উচ্চ মানের এন্টি ভাইরাস ব্যবহার করুন।

  • হাই গ্রাফিক্স সম্পন্ন গেইম চালালে তখন র‌্যাম সম্পূর্ণ লোড হয়ে যায় এবং hang হওয়ার সম্ভনা থকে।
  • কম্পিউটারের ফাইলগুলো এলোমেলোভাবে সাজানো থাকলে তার জন্য hang হওয়ার সম্ভনা থকে। refresh চাপেন এবং RUN এ গিয়ে tree চাপেন।

কম্পিউটার টিপস /ট্রিক্স▬2▬Computer tips & tricks bangla

মনিটর এ ছবি দেখা না গেলে- Confirm হন যে মনিটরটি on. এবং  brightness control চেক করুন , এবং এটি ঠিক মত সেট হয়েছে কিনা খেয়াল করুন।  মনিটর এর সকল কানেকশন চেক করুন এবং  surge protector ও surge protector টি চালু কি না চেক করুন।

কম্পিউটার টিপস /ট্রিক্স▬3▬Computer tips & tricks bangla

কিছু সময় পরপর Start থেকে Run-এ ক্লিক করে tree লিখে ok করুন। এতে র‌্যামের কার্যক্ষমতা বাড়ে।

কম্পিউটার টিপস /ট্রিক্স▬4▬Computer tips & tricks bangla

Ctrl + Alt + Delete চেপে বা টাস্কবারে মাউস রেখে ডান বাটনে ক্লিক করে Task Manager খুলুন।তারপর Processes-এ ক্লিক করুন। অনেকগুলো প্রোগ্রাম-এর তালিকা দেখতে পাবেন। এর মধ্যে বর্তমানে যে প্রোগ্রামগুলো কাজে লাগছে না সেগুলো নির্বাচন করে End Process-এ ক্লিক করে বন্ধ করে দেন। যদি ভুল করে কোনো প্রোগ্রাম বন্ধ করে দেন এবং এতে যদি অপারেটিং সিস্টেম এর কোন সমস্যা হয় তাহলে কম্পিউটার রিস্টার্ট করুন।

কম্পিউটার টিপস /ট্রিক্স▬5▬Computer tips & tricks bangla

প্রতি সপ্তাহ একবার আপনার hard drive Defragment এবং disk cleanup করুন।(1. click start – all programs – accessori – system utility – Defragment drive utility
2. click start – all programs – accessori – disk cleanup)

কম্পিউটার টিপস /ট্রিক্স▬6▬Computer tips & tricks bangla

পিসি সেফ মোডে চালু হলে কি করবেন?

উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম স্বাভাবিকভাবে চালু হতে না পারলে অনেক সময় সেফ মোডে চালু হয়৷ সেফ মোড হলো উইন্ডোজের বিশেষ একটি অবস্থা যখন এটি একেবারে প্রয়োজনীয় ফাইল এবং ড্রাইভারসমূহ নিয়ে লোড হয়৷ বলা যেতে পারে ‘বিপদকালীন‘ অবস্থা যখন নূন্যতম রসদ দিয়ে প্রাণে বেচে থাকাটাই গুরুত্বপূর্ণ৷ সেফ মোডে উইন্ডোজ চালু হলে প্রাথমিক ভাবে রিস্টার্ট করে দেখা যেতে পারে পুনরায় স্বাভাবিকভাবে তা চালু হয় কিনা৷ বার বার করে ব্যর্থ হলে বুঝতে হবে সমস্যাটি গুরুতর৷ উইন্ডোজের কোনো গুরুত্বপূর্ণ ফাইলের ক্ষতি বা হার্ডওয়ারের সমস্যার কারণে তা হতে পারে৷ কোনো নতুন হার্ডওয়্যার সেটিংস পরিবর্তনের ফলে যদি উইন্ডোজ বার বার সেফ মোডে চলে যায় তবে পূর্ববর্তী সেটিংসটি রিভার্স করে ফেলাই শ্রেয়৷ সেফ মোডকে এজন্য ডায়াগনিস্টিক মোডও বলা হয়৷ উইন্ডোজ চালু হওয়ার সময় F8 চাপলে যে মেনু আসে সেখান থেকে সেফ মোড চালু করা যেতে পরে৷ তবে আগেই বলা হয়েছে; এটি ডায়াগনিস্টিক মোড৷ এই মোডে বাড়তি কোনো কিছুই যেমন- সাউন্ড, প্রিন্টার, হাই কালার ডিসপ্লে ইত্যাদি কিছুই কাজ করবে না৷.

কম্পিউটার টিপস /ট্রিক্স▬7▬Computer tips & tricks bangla

আপনার hard disk এ দুইটি partition করুন এবং সেকেন্ড পার্টিশনে Install করুন সব large Softwares (like PSP, Photoshop, 3DS Max etc). Windows এর জন্য আপনার C Drive যথাসম্ভব খালি রাখুন যাতে Windows RAM full হওয়ার পর আপনার C Drive কে virtual memory হিসেবে use করতে পারে।

কম্পিউটার টিপস /ট্রিক্স▬8▬Computer tips & tricks bangla

আপনার পিসি পুরো বুট না হওয়া পযর্ন্ত কোন application open করবেননা।

কম্পিউটার টিপস /ট্রিক্স▬9▬Computer tips & tricks bangla

যে কোন application close করার পর আপনার desktop F5 চেপে refresh করে নিন, যা আপনার পিসির RAM হতে unused files remove করবে।

কম্পিউটার টিপস /ট্রিক্স▬10▬Computer tips & tricks bangla

.ডেস্কটপ wallpaper হিসেবে very large file size image ব্যবহার হতে বিরত থাকুন।
ডেস্কটপে অতিরিক্ত shortcuts রাখবেননা। আপনি জানেন কি ডেস্কটপে ব্যবহৃত প্রতিটি shortcut up to 500 bytes of RAM ব্যবহার করে।

কম্পিউটার টিপস /ট্রিক্স▬11▬Computer tips & tricks bangla

প্রতিদিন আপনার ডেস্কটপের recycle bin Empty করে রাখুন। (The files are not really deleted from your hard drive until you empty the recycle bin.)

কম্পিউটার টিপস /ট্রিক্স▬12▬Computer tips & tricks bangla

অনেক সময় PC’র র‍্যাম কম থাকলে PC slow হয়ে যায়। ভার্চুয়াল মেমোরি বাড়িয়ে কিছুতা গতি বাড়ানো যায়। এর জন্য- My Computer এ মাউস রেখে right button ক্লিক করে properties-e যান। এখন advance এ ক্লিক করে performance এর settings এ ক্লিক করুন। আবার advance -এ ক্লিক করুন। এখন change এ ক্লিক করে নতুন উইন্ডো এলে সেটির Initial size ও Maximum size-এ আপনার ইচ্ছামত size লিখে set-এ ক্লিক করে ok দিয়ে বেরিয়ে আসুন। তবে Initial size এ আপনার PC’র র‍্যামের দ্বিগুণ এবং Maximum size এ র‍্যামের চারগুন দিলে ভাল হয়।

কম্পিউটার টিপস /ট্রিক্স 13▬Computer tips & tricks bangla

এ ছাড়াও কম্পিউটার ভাল রাখার কিছু টিপ্স জেনে নিন

  •  প্রতি ১ বা ২ মাস পর পর কম্পিউটার খুলে সব parts মুছে নতুন করে লাগিয়ে দিন।
  • Ram খুলে পাতলা তুলো দ্বারা মুছে নতুন করে লাগিয়ে নিন।
  • কম্পিউটারের উপর কোন ভারী কিছু রাখবেন না।
  • রাতে ঘুমাবার সময় কম্পিউটার shut down করে দিন।
  • বিদু্ৎ চলে গেলে যেন কম্পিউটার বন্ধ না হয়ে যায় সে জন্য UPS ব্যবহার করা উচিৎ।
  • কম্পিউটার VIRUS দূর করার জন্য অ্যান্টিভাইরাস ব্যবহার করা উচিৎ।
  • কম্পিউটারকে আলো-বাতাসপূর্ণ জায়গায় রাখুন।
  • প্রতিদিন মনিটর, বিশেষ করে LCD মনিটর একবার করে মুছে রাখবেন।
  • অনেকে কম্পিউটার চলার সময়ও CPU-র উপর আলাদা পর্দা দিয়ে রাখেন, যাতে ময়লা প্রবেশ না করে। এতে আরও ক্ষতিই হয়।
  • ওয়ালপেপার হিসেবে এমন ছবি সেট করুন, যা আপনার চোখকে আরাম দেয়। ওয়ালপেপার সাইজে যত ছোট হবে, আপনার কম্পিউটারের গতির জন্য ততই ভাল।
  • নিয়মিত ‘কুলিং ফ্যান’ মুছে পরিষ্কার করে রাখুন।

কম্পিউটার টিপস /ট্রিক্স▬14▬Computer tips & tricks bangla

কম্পিউটারের র‌্যা ম কম থাকলে কম্পিউটার ধীর গতির হয়ে যায়। ভার্চুয়াল মেমোরি বাড়িয়ে কম্পিউটার গতি কিছুটা বাড়ানো যায়। ভার্চুয়াল মেমোরি বাড়ানোর জন্য প্রথমে My computer-এ মাউস রেখে ডান বাটনে ক্লিক করে properties-এ যান। এখন Advance-এ ক্লিক করে performance এর settings-এ ক্লিক করুন। আবার Advance-এ ক্লিক করুন। এখন change-এ ক্লিক করে নতুন উইন্ডো এলে সেটির Initial size ও Maximum size-এ আপনার ইচ্ছামত size লিখে set-এ ক্লিক করে ok দিয়ে বেরিয়ে আসুন। তবে Initial size-এ আপনার কম্পিউটারের র‌্যা মের size-এর দ্বিগুন এবং Maximum size-এ র‌্যা মের size-এর চারগুন দিলে ভাল হয়।

কম্পিউটার টিপস /ট্রিক্স▬15

যে কোন Software uninstall করার সময় ……কন্ট্রোল প্যানেলে যান। Add or Remove-এ দুই ক্লিক করুন। Add/Remove windows components-এ ক্লিক করুন। নতুন যে উইন্ডো আসবে সেটির বাম পাশ থেকে অদরকারি প্রোগ্রামগুলোর পাশের টিক চিহ্ন তুলে দিন। তারপর Accessories and Utilities নির্বাচন করে Details-এ ক্লিক করুন। নতুন যে উইন্ডো আসবে সেটি থেকে যে প্রোগ্রামগুলো আপনার কাজে লাগে না সেগুলোর টিক চিহ্ন তুলে দিয়ে OK করুন। এখন next-এ ক্লিক করুন। Successful meassage আসলে Finish-এ ক্লিক করুন।

কম্পিউটার টিপস /ট্রিক্স▬16

প্রত্যেকবার কম্পিউটার অন করার সময় বিভিন্ন ড্রাইভ চেকিং অপশন আসে যেমনঃ- Checking Drive E:

কম্পিউটার টিপস /ট্রিক্স▬17

Press any key to canceled এর সমাধান…..
>স্টার্ট থেকে রানে লিখুন সিএমডি (cmd) এবার এন্টার চাপুন।
>এরপর লিখুন সিএইচকেএনটিএফএস-স্পেস-ড্রাইভ লেটার (E:) স্পেস ব্যাকস্লাস(/)এক্স অর্থাতঃ (chkntfs E: /X) লিখে এন্টার দিন ব্যাস এবার কম্পিউটার রিস্টার্ট দিন।

কম্পিউটার টিপস /ট্রিক্স▬18

তৈরি করুন একটি অদৃশ্য ফোল্ডার একটি New Folder তৈরি করুন, যখন New Folder লিখাটি নীল রং এ সিলেক্ট করা থাকবে তখন keyboard এর ডান পাশের Alt চেপে ধরে 0160 চাপুন, এবার Alt key থেকে আঙুল সরিয়ে নিন এবং Enter এ ক্লিক করুন। এবার দেখুন একটি নাম ছাড়া ফোল্ডার তৈরি হয়েছে । এখন এই নাম ছাড়া Folder এ mouse এর right buttome ক্লিক করে Properties এ যান, তারপর customize > change icon এ ক্লিক করুন, তারপর icon window থেকে একটি blank icon সিলেক্ট করুন এবং ok তে ক্লিক করুন। এবার দেখুন আপনি একটি অদৃশ্য Folder তৈরি করেছেন।

কম্পিউটার টিপস /ট্রিক্স▬19

অনেক সময় START MENU SHOW করতে দেরি হয় বা LOCAL   DISK ‍এর যে কোন পেজ ওপেন করতে দেরি হয় যা খুব বিরক্তিকর। ‍এ‍ই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে নিচের পথ অনুসরন করুন। প্রথমে START MENU থেকে RUN এ ক্লিক করুন। তাতে REGEDIT.EXE লিখে OK করুন। REGISTRY EDITOR BOX আসবে, সেখান থেকে HKEY_CURRENT_USER ট্যাবে ক্লিক করুন তারপর সেখান থেকে  CONTROL PANEL হয়ে DESKTOP ক্লিক করুন। DESKTOP এ ক্লিক করার পর ডান পাশের BINARY DATA হতে MENUSHOWDELAY তে ডাবল ক্লিক করুন। যে EDIT STRING BOX ‍আসবে তা হতে VALUE DATA “0” করে OK করুন। তারপর কম্পিউটার RESTART করুন। দেখবেন ‍আপনার কম্পিউটার ‍আগের তুলোনায় দ্রুত গতি সম্পন্ন হয়েছে ‍এবং LOCAL DISK পেজ OPEN হতে সময় কম নিচ্ছে।

কম্পিউটার টিপস /ট্রিক্স▬20

কি বোর্ডের সাহায্যে চালু করুন কম্পিউটার
আমরা সাধারণত CPU-এর পাওয়ার বাটন চেপে কম্পিউটার চালু করি। কিন্তু অনেক সময় দেখা যায়, পাওয়ার বাটনে কোনো সমস্যা থাকলে কম্পিউটার চালু করতে অনেক কষ্ট হয়। আমরা ইচ্ছা করলে CPU-এর পাওয়ার বাটন না চেপে কি-বোর্ডের সাহায্যে খুব সহজেই কম্পিউটার চালু করতে পারি। এর জন্য প্রথমে কম্পিউটার চালু হওয়ার সময় কি-বোর্ড থেকে Del বাটন চেপে Bios-এ প্রবেশ করুন। তারপর Power Management Setup নির্বাচন করে Enter চাপুন। এখন Power on my keyboard নির্বাচন করে Enter দিন। Password নির্বাচন করে Enter দিন। Enter Password-এ কোনো একটি কি পাসওয়ার্ড হিসেবে দিয়ে সেভ (F10) করে বেরিয়ে আসুন। এখন কি-বোর্ড থেকে সেই পাসওয়ার্ড কি চেপে কম্পিউটার চালু করতে পারেন। এই পদ্ধতিটি গিগাবাইট মাদারবোর্ডের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। অন্যান্য মাদারবোর্ডেও এই পদ্ধতি পাওয়া যাবে।




যেভাবে google+ থেকে ভিজিটর আনবেন

সবাই কেমন আছেন। আশা করি সবাই ভালো আছেন। আজ আপনাদের মাঝে শেয়ার করব কিভাবে গুগল প্লাস থেকে শতাধিক viewers আপনার youtube চ্যানেল বা কোন ওয়েবসাইট এর জন্য নিবেন।

আমরা সবাই কম বেশি ফেসবুক মার্কেটিং করে থাকি।ফেসবুক থেকে অনেক ভিজিটর আমাদের প্রয়োজনে কাজে লাগায়। সেটা ভালো  তবে কিছুদিন ধরে ফেসবুক কঠোর হয়ে গেছে।যেমন এক টিউন বার বার করলে সেটা spam হিসেবে ধরে নেই।তাই এখন আর ফেসবুকে লিংক শেয়ার করে শান্তি নাই।তাছাড়া লিংক শেয়ার করলে আপনার মূল্যবান আইডী ডিয়াক্টিভ হয়ে যেতে পারে।তাই এখন ফেসবুক থিকে ভিজিটর নেওয়া অনেক ঝামেলার ব্যাপার।

তো এজন্য আমরা এখন বিকল্প চিন্তা করতে পারি।ইদানিং বাংলাদেশ থিকে অনেকে google+ মার্কেটিং শুরু করে দিয়েছে।এখন থিকে এখন অনেক ভিজিটর এখন আনা যায়।

Google+ থেকে ভিজিটর আনার পদ্বতি

আপনারা যারা mb এর অভাবে ভিডিও দেখতে পারবেন না।তাদের জন্য এখন লেখা।তবে যায় বলি ভিডিও দেখলে খুটিনাটি অনেক উপকার হবে।

তো আপনারা প্রথমে plus.google.com  এখানে চলে যাবেন। যাদের google plus আকাউন্ট নাই তারা একটা গুগলে প্লাস আকাউন্ট খুলে নিবেন। বুঝতে সমস্যা হলে ভিডিও দেখুন।

উপরের চিত্রের মত দেখবেন গুগল প্লাসে গেলে সেখান থিকে communities চলে যাবেন।এখানে অনেক কমুনিটিস পাবেন সেখানে জয়েন করে আপনার কাঙ্ক্ষিত টিউন শেয়ার করলে সেখান থিকে ভিজিটর পাবেন।আবার বলছি ব্যাপারটি আপনার কাছে ঝামেলার মনে হলে ভিডিওটি দেখুন সব কিছু সহজ হয়ে যাবে।

আমরা যেমন ফেসবুকে গ্রুপে জয়েন করি তেমনি এই জায়গায় কমুনিটিতে জয়েন করতে হয়।এখান থিকে অনেক ভিজিটর আসে। আজকের মত এখানে বিদায় নিচ্ছি।ভালো থাকবেন।আর ভালো ভালো টিউটোরিয়াল পেতে টেকটিউনস এর সাথেই থাকুন মেতে উঠুন প্রযুক্তির সুরে।




সিঙ্গেল ব্যান্ড রাউটার, ডুয়াল ব্যান্ড রাউটার, ট্রাই ব্যান্ড রাউটার—আপনি কোনটি কিনবেন? বিস্তারিত!

পনি যদি অনেক আগে থেকে ওয়াইফাই রাউটার ব্যবহার করে আসেন তবে অবশ্যই সিঙ্গেল ব্যান্ড রাউটার এবং ডুয়াল ব্যান্ড রাউটারসম্পর্কে জানেন, আবার হতে পারে এর মধ্যে কোন একটি এই মুহূর্তে হয়তো আপনি ব্যবহারও করছেন। যদি আপনার রাউটারটি পুরাতন হয় তবে সেটি সিঙ্গেল ব্যান্ড হতে পারে, কিন্তু আজকের আজকের প্রায় যেকোনো মডার্ন রাউটারই ডুয়াল ব্যান্ড হয়ে থাকে। কিন্তু অনেক কোম্পানি আজকাল ট্রাই ব্যান্ড রাউটার বাজারে আনছে। এই আর্টিকেল থেকে বিভিন্ন ওয়াইফাই ব্যান্ড রাউটার সম্পর্কে জানবো এবং এদের মধ্যে পার্থক্য আর সুবিধা অসুবিধা গুলো সম্পর্কেও অবগত হবো, যাতে নতুন রাউটার কেনার সময় আপনার সঠিক ধারণা থাকে।

সিঙ্গেল ব্যান্ড রাউটার

ওয়াইফাই সহ যেকোনো ওয়্যারলেস কমুনিকেসন সিস্টেম অবশ্যই রেডিও ফিকুয়েন্সির উপর কাজ করে। আর বিশেষ করে কমুনিকেসনের জন্য সবচাইতে কমন ব্যান্ড হচ্ছে, ২.৪  গিগাহার্জ ফ্রিকুয়েন্সি ব্যান্ড। পুরাতন সিঙ্গেল ব্যান্ড রাউটার গুলো ৮০২.১১জি স্ট্যান্ডার্ড ব্যবহার করে, যেটা ২০০৩ সালে প্রথম আমাদের সামনে এসেছিলো। কিন্তু এর সবচাইতে বড় অসুবিধাটি ছিল, এটি মাত্র ৫৪ মেগাবিট/সেকেন্ড পর্যন্ত স্পীড দিতে পারতো।  তবে সৌভাগ্যবসত আজকের দিনের সিঙ্গেল ব্যান্ড রাউটার ৮০২.১১এন স্ট্যান্ডার্ড এর উপর হয়ে থাকে, যেটা ৮০০মেগাবিট/সেকেন্ড পর্যন্ত তাত্ত্বিক স্পীড প্রদান করতে সক্ষম। একে সিঙ্গেল ব্যান্ড বলার কারণ হচ্ছে এটিতে মাত্র একটিই রেডিও ফ্রিকুয়েন্সি ব্যান্ড দেখতে পাওয়া যায়।

২.৪ গিগাহার্জের কিছু সুবিধাও রয়েছে আবার অসুবিধাও রয়েছে। প্রথমত সুবিধা হচ্ছে ২.৪ গিগাহার্জে অনেক ভালো রেঞ্জ পাওয়া যায় এবং সিঙ্গেল ব্যান্ড রাউটারের দাম একটু বেশিই কম। তাছাড়া যেহেতু এটি অনেক পুরাতন ফ্রিকুয়েন্সি ব্যান্ড, তাই প্রায় যেকোনো ডিভাইজ এটিকে সমর্থন করে। কিন্তু লো ফিকুয়েন্সির সবচাইতে বড় সমস্যা হচ্ছে এটি খুব ভালো স্পীড দিতে সক্ষম নয়। আর বহু ডিভাইজ একই ফ্রিকুয়েন্সি ব্যান্ড ইউজ করার জন্য ২.৪ গিগাহার্জে অনেক বেশি সিগন্যাল জ্যাম দেখতে পাওয়া যায়। তাছাড়া সিঙ্গেল ব্যান্ড রাউটারে মডার্ন ফিচার গুলো, যেমন- ডিভাইজ মনিটর, ডিভাইজ অগ্রাধিকার, লেটেস্ট সিকিউরিটি অপশন ইত্যাদি থাকে না।

ডুয়াল ব্যান্ড রাউটার

আগেই বলেছি, আজকের প্রায় যেকোনো মডার্ন ওয়াইফাই রাউটার ডুয়াল ব্যান্ড হয়ে থাকে, যেটি ৮০২.১১এসি স্ট্যান্ডার্ড ব্যবহার করে কাজ করে। এতে ৮০২.১১এন এর ২.৪ গিগাহার্জ ব্যান্ড থাকার পাশাপাশি আরেকটি নতুন এবং আলাদা ব্যান্ড হিসেবে ৫ গিগাহার্জ থাকে। অর্থাৎ আপনার রাউটারটি যদি ডুয়াল ব্যান্ড টেকনোলজির উপর হয়ে থাকে, তবে এটি একসাথে ২.৪ এবং ৫ গিগাহার্জ ব্যান্ড ট্র্যান্সমিট করে। আপনার ডিভাইজ যদি ৫ গিগাহার্জ ব্যান্ড সমর্থন করে, তবে সেটা রাউটারের ৫ গিগাহার্জ ব্যান্ডের সাথে কানেক্টেড হয় এবং ফাস্ট স্পীড কানেকশন তৈরি করে। আর পুরাতন ডিভাইজ গুলো ২.৪ গিগাহার্জ ব্যান্ডের উপরই কাজ করে, যেটার স্পীড অনেক স্লো কিন্তু রেঞ্জ অনেক বেশি। আপনি যদি সিঙ্গেল ব্যান্ড রাউটার কেনেন, সেক্ষেত্রে আপনি হয়তো ২.৪ গিগাহার্জ ব্যান্ড পাবেন, অথবা ৫ গিগাহার্জ, কিন্তু ডুয়াল ব্যান্ড রাউটার আপনাকে একসাথে দুইটিই ব্যবহার করার সুবিধা প্রদান করবে।

বর্তমান মার্কেটে ট্রেন্ড এই রাউটার আপনাকে খুব বেশি চার্জ করবে না, সিঙ্গেল ব্যান্ড রাউটারের দামের সাথে তুলনা করতে গিয়ে এর দাম প্রায় মাঝারি পর্যায়ের, তবে অনেক বেশি দামি রাউটারও বাজারে রয়েছে। আর আজকের প্রায় সকল মডার্ন ডিভাইজ গুলোই ৫ গিগাহার্জ সমর্থন করে, তাই একে তো এতে হাই স্পীড পাওয়া সম্ভব আর দ্বিতীয়ত সিগন্যাল জ্যাম হওয়ার ভয়ও থাকে না। তাছাড়া ডুয়াল ব্যান্ড রাউটারে অবশ্যই সিঙ্গেল ব্যান্ড হতে বেশি ভালো এবং মডার্ন হার্ডওয়্যার ব্যবহৃত হয়।

কিছু অসুবিধা হচ্ছে, ডুয়াল ব্যান্ড রাউটার ধীরেধীরে অনেক জনপ্রিয়তা পাচ্ছে, ফলে ২.৪ গিগাহার্জের মতো ৫ গিগাহার্জ ডিভাইজও অনেক বৃদ্ধি পাচ্ছে, আর এতে সিগন্যাল জ্যাম প্রবলেম সৃষ্টি হচ্ছে। যদিও ৫ গিগাহার্জ ব্যান্ড অনেক বেশি স্পীড সমর্থন করে, তারপরেও একসাথে অনেক গুলো ডিভাইজ কানেক্ট করলে স্পীড ভাগ হয়ে যায়। সাথে ৫ গিগাহার্জ ব্যান্ডে ২.৪ গিগাহার্জের মতো ভালো রেঞ্জ পাওয়া যায় না, দেওয়াল, দরজা, আর ফার্নিচারে সহজেই সিগন্যাল বাঁধা পেয়ে যায়। মানে আপনার রাউটারটি যদি ভিন্ন রুমে থাকে আর আপনার ডিভাইজ যদি আরেক রুমে থাকে তবে সিগন্যালে অনেক সমস্যা দেখতে পাবেন।

ট্রাই ব্যান্ড রাউটার

আজকের দিন থেকে ঠিক কয়েক বছর আগে এই ট্রাই ব্যান্ড রাউটার বাজারে উদয় হয়, যেটার মান শুনেই হয়তো বুঝতে পারছেন এতে তিনটি ব্যান্ড রয়েছে। ডুয়াল ব্যান্ড রাউটারের মতো এতে দুইটি আলাদা ব্যান্ড—২.৪ গিগাহার্জ এবং ৫ গিগাহার্জ রয়েছে, কিন্তু তিন নাম্বারে কোন আলাদা ফ্রিকুয়েন্সি ব্যান্ড না থেকে এতে আরেকটি ৫ গিগাহার্জ ব্যান্ড রয়েছে। এই রাউটারের ৫ গিগাহার্জ ব্যান্ড গুলো গিগাবিট স্পীড সমর্থন করে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, কেন একসাথে দুইটি ৫ গিগাহার্জ ব্যান্ড? দেখুন, রাউটারের সাথে যতো গুলো ডিভাইজ কানেক্ট হবে, স্পীড স্বয়ংক্রিয়ভাবে ডিভাইজ গুলোর মধ্যে ভাগাভাগি হয়ে যাবে। ধরুন আপনি পুরাতন ডিভাইজ গুলোকে ২.৪ গিগাহার্জের সাথে কানেক্ট করে রেখেছেন, এবং ৫  গিগাহার্জ ব্যান্ডে আপনার সকল মডার্ন ডিভাইজ সাথে আপনার টিভি কানেক্ট করা রয়েছে। এখন ধরুন আপনি টিভিতে ৪কে ভিডিও স্ট্রিম করছেন, যেটাতে অনেক হাই ব্যান্ডউইথ প্রয়োজনীয়। তো এই অবস্থায় আলাদা ডিভাইজ গুলো ভালো স্পীড পাবে না।

এখানে ট্রাই ব্যান্ড রাউটারের আরেকটি ৫ গিগাহার্জ ব্যান্ড আপনাকে আলাদা গিগাবিট স্পীড প্রদান করবে। তবে সিঙ্গেল ডিভাইজে আপনি ডাবল স্পীড পাবেন না। মনে করুন আপনার ট্রাই ব্যান্ড রাউটারটি ২.৪ গিগাহার্জ ব্যান্ডে ৮০০মেগাবিট/সেকেন্ড, ৫ গিগাহার্জ ব্যান্ড ১; ১.৩ গিগাবিট/সেকেন্ড, এবং ৫ গিগাহার্জ ব্যান্ড ২; ১.৩ গিগাবিট/সেকেন্ড সমর্থন করে। এখন আপনি যদি ৫ গিগাহার্জ ব্যান্ডে ১টি ডিভাইজ কানেক্ট করেন তবে সেটাতে ১.৩+১.৩= ২.৬ গিগাবিট/সেকেন্ড স্পীড সমর্থন করবে না। কিন্তু একাধিক ডিভাইজ কানেক্ট করলে আর কোন ডিভাইজ যদি হাই ব্যান্ডউইথ ডিম্যান্ড করে, সেক্ষেত্রে সকল ডিভাইজ গুলো ভালো স্পীড পাবে। আশা করছি ব্যাপারটি বুঝাতে পেরেছি।

তো কোনটি কিনবেন?

দেখুন আমি বরাবরের মতোই আপনাকে কমপক্ষে একটি সস্তা হলেও ডুয়াল ব্যান্ড রাউটার কেনার পরামর্শ করবো—আজকের দিনে সত্যিই এটি প্রয়োজনীয়, যেখানে আমাদের ডিভাইজ অনেক বেড়ে গেছে। তবে আপনার ইন্টারনেট স্পীড যদি তেমন ফাস্ট না হয় আর আপনি হয়তো বড় জোর ১-২টি ডিভাইজ কানেক্ট করবেন, সেক্ষেত্রে সিঙ্গেল ব্যান্ড রাউটারেও আপনার কাজ চলে যাবে। যদি বাজেট একেবারেই লো হয়, তবে সিঙ্গেল ব্যান্ড ছাড়া কোন উপায় নেই, কিন্তু তারপরেও আপনি সাজেস্ট করবো একটু বাজেট বাড়িয়ে ডুয়াল ব্যান্ড কিনে ফেলতে। ট্রাই ব্যান্ড রাউটার কি কেনা উচিৎ? হ্যাঁ, অবশ্যই কেনা উচিৎ। যদি আপনার অনেক ডিভাইজ একই নেটওয়ার্কে কানেক্ট করার প্রয়োজন হয় এবং আপনার ইন্টারনেট স্পীড অনেক ফাস্ট হয়, সেক্ষেত্রে ট্রাই ব্যান্ড আপনাকে আলাদা সুবিধা প্রদান করবে। কিন্তু ট্রাই ব্যান্ডের সবচাইতে বড় অসুবিধা হচ্ছে এর দাম প্রচণ্ডই বেশি। আর আমাদের দেশে গিগাবিট ইন্টারনেট স্পীড ওয়ালা কানেকশন খুব কম জনের কাছেই রয়েছে। তবে লোকাল ফাইল শেয়ারিং করার জন্য ট্রাই ব্যান্ড রাউটার অনেক ভালো স্পীড প্রদান করবে, তারপরেও শুধু লোকাল শেয়ারিং এর জন্য এতো টাকা খরচের প্রশ্নই আসে না (অন্তত আমার কাছে!)।


তো ট্রাই ব্যান্ড রাউটার করে মাথা ফাটানোর কোন প্রয়োজন নেই, আজকের ডুয়াল ব্যান্ড রাউটার গুলোই অনেক ভালো সুবিধা প্রদান করে থাকে। যদি আপনার অত্যন্ত ফাস্ট ইন্টারনেট না থাকে তবে ডুয়াল ব্যান্ড রাউটারই যথেষ্ট! তবে আপনি কি ট্রাই ব্যান্ড রাউটারে আপগ্রেড করতে চান?—হ্যাঁ অবশ্যই করা প্রয়োজনীয় যদি আপনার অনেক ডিভাইজ কানেক্ট করার থাকে। নিচে আমাদের টিউমেন্ট করে আপনার বর্তমান রাউটার বা কি ধরনের রাউটার কিনতে চান সে সম্পর্কে জানান।