মে ২০২০ মাসের এমপিও শিট যেভাবে ডাউনলোড করবেন-

মে ২০২০ মাসের এমপিও শিট যেভাবে ডাউনলোড করবেন-

প্রথমে www.emis.gov.bd লিখে এন্টার দিন। 

তারপরে আসবে

MPO

MPO Sheet/Voucher ক্লিক করুন

তারপর আসবে  Mpo  Salary  May 2020 এ ক্লিক করুন

তারপর ব্যাংকের নাম দেখাবে রাজবাড়ী জেলার জন্য   Agrani  Bank  এ ক্লিক করুন

তারপর  আসবে  MPO  Sheet এ ক্লিক করুন

তারপর  আসবে  Dhaka  Zone এ ক্লিক করুন

তারপর  আসবে জেলার নাম আমার জেলা Rajbari  District  এ ক্লিক করুন

তারপর  আসবে থানার  নাম আমার থানা  Pangsha. PDF  এ ক্লিক করুন

তারপর  আসবে   Pangsha  থানার সকল প্রতিষ্টানের এমপিও সিট

আপনি আপনার প্রতিষ্ঠানের এমপিও সিট বাছাই করে  প্রিন্ট করে বের করবেন।

ধন্যবাদ

কোন সমস্যা হলে ০১৮৭৫-৮৫৬৯২৪ যোগাযোগ করুন। 

শিক্ষা বিষয়ক নতুন নতুন তথ্যের জন্য নিয়মিত www.teachersnews24.com  ভিজিট করুন। 

 




বৃত্তি পাওয়া শিক্ষার্থীদের ব্যাংক একাউন্ট খোলা এবং তথ্য সংশোধন ও সংযোজন ৫ জুনের মধ্যে

২০১৯ সালে পিইসি ও জেএসসি পরীক্ষায় রাজস্ব খাতভুক্ত  বৃত্তিপ্রাপ্ত  শিক্ষার্থীদের ব্যাংক একাউন্ট খোলা এবং তথ্য সংশোধন ও সংযোজন ৫ জুনের মধ্যে পাঠাতে হবে। 

১। ব্যাংক একাউন্ট খোলা সংক্রান্ত তথ্যের  জন্য নিচের লিংকে   ক্লিক করুন –

২০১৯ সালে পিইসি ও জেএসসি পরীক্ষায় রাজস্ব খাতভুক্ত বৃত্তিপ্রাপ্ত ( নিয়মিত) শিক্ষার্থীদের ব্যাংক হিসাব ( Bank Account) খোলা ও প্রেরণ

২। পূর্বের  বৃত্তি প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের তথ্য সংশোধনের জন্য এবং ২০১৯ সালে পিইসি ও জেএসসি  বৃত্তি প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের তথ্য এন্ট্রি করার জন্য নিচের লিংকে ক্লিক করে বিস্তারিত জানুন –

দেশের বিভিন্ন স্কুল, কলেজ, মেডিকেল, প্রকৌশল ও বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত রাজস্ব খাতভুক্ত বৃত্তিপ্রাপ্ত (মেধা ও সাধারণ) নিয়মিত শিক্ষার্থীদের বৃত্তির অর্থ G2P (EFT) পদ্ধতিতে ব্যাংক হিসাবে প্রেরনের লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠান হতে প্রাপ্ত শিক্ষর্থীদের খসড়া তালিকা প্রকাশ এবং ভুল সংশোধন ও নতুন শিক্ষার্থীর তথ্য সংযোজন প্রসংগে

আপনার প্রতিষ্ঠানের ২০১৯ সালে পিইসি ও জেএসসি  বৃত্তি প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের তথ্য এন্ট্রি করার জন্য নিচের লিংকে ক্লিক করলে  ইউজার নেম  এবং পাসওয়ার্ড চাইবে। 

লিংক- http://103.48.16.248:8080/HSPMIS/login

আপনি আপনার প্রতিষ্ঠানের EIIN নম্বর দিবেন ইউজার নেমের জন্য  এবং

পার্সওয়ার্ড দিবেন- 

কোন সমস্যা হলে যোগাযোগ করুন।  ০১৮৭৫-৮৫৬৯২৪  ধন্যবাদ। 




৩১ মে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ

৩১ মে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ

৩১ মে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ সকাল ১০টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ২০২০ খ্রিষ্টাব্দে অনুষ্ঠিত এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল  প্রকাশ করবেন।

ফল সংগ্রহে পরীক্ষার্থীদের জন্য  নির্দেশনা জারি করেছে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব-কমিটি। একই সাথে এসএমএস এর মাধ্যমে ফল পেতে শিক্ষার্থীদের প্রি-রেজিস্ট্রেশন করতে বলা হয়েছে।

পরীক্ষার ফলাফল এস এম এস এর মাধ্যমে যেভাবে পাওয়া যাবে।

এসএসসি/দাখিল/কারিগরী বোর্ডের ফল পেতে প্রি-রেজিস্ট্রেশন করতে যে কোনো মোবাইল অপারেটর থেকে এসএমএস করতে হবে।

এস এস সি পরীক্ষার সকল বোর্ডের জন্য :

SSC লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর অর্থাৎ ঢাকা বোর্ড হলে Dha লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে ২০২০ লিখে ১৬২২২ নম্বরে এসএমএস পাঠিয়ে প্রি-রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। ফল প্রকাশ হলেই ফিরতি এসএমএসে প্রি-রেজিস্ট্রেশন করা পরীক্ষার্থীর ফল জানানো হবে।

দাখিল পরীক্ষার ফলাফলের জন্য :

Dakhil লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর অর্থাৎ Mad লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে ২০২০ লিখে ১৬২২২ নম্বরে এসএমএস পাঠিয়ে প্রি-রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। ফল প্রকাশ হলেই ফিরতি এসএমএসে প্রি-রেজিস্ট্রেশন করা পরীক্ষার্থীর ফল জানানো হবে।

কারিগরী বোর্ডের জন্য :

দাখিল/ ভোকেশনালের ফল পেতে প্রি-রেজিস্ট্রেশন করতে যে কোনো মোবাইল অপারেটর থেকে এসএমএস করতে হবে। এ জন্য SSC লিখে স্পেস দিয়ে কারিগরি বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর অর্থাৎ Tec লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে ২০২০ লিখে ১৬২২২ নম্বরে এসএমএস পাঠিয়ে প্রি-রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। ফল প্রকাশ হলেই ফিরতি এসএমএসে প্রি-রেজিস্ট্রেশন করা পরীক্ষার্থীর ফল জানানো হবে।

বিস্তারিত ফলাফল জানতে এখানে ক্লিক করুন –

২০২০ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের প্রতি নির্দেশনাবলী

২০২০ সালের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠান প্রধানের প্রতি নির্দেশনাবলী




আমাদের করণীয় শবে কদরের ফজিলত ও আমল

শব ফারসি শব্দ, এর অর্থ রাত। আর কদর অর্থ নিবারণ করা বা মর্যাদা। পবিত্র কোরআনে রাতটিকে নাম দেয়া হয়েছে লাইলাতুল কদর। আরবি লাইলাতুন অর্থ রাত। তাহলে শবে কদর বা লাইলাতুল কদরের অর্থ দাঁড়ায় নিবারণের রাত বা মর্যাদার রাত।

এ রাতে মহান আল্লাহ সৃষ্টিকুলের আগামী এক বছরের ভাগ্যলিপি ফেরেশতাদের হাতে অর্পণ করেন, সে জন্য অথবা যেসব ব্যক্তি নিজেদের গুনাহর কারণে মূল্যহীন ছিল, তারা এ রাতের ইবাদত-বন্দেগি আর তাওবা-ইস্তিগফারের মাধ্যমে মহান আল্লাহর দরবারে উঁচু মার্যাদার অধিকারী হন বলেই এ রাতের নামকরণ করা হয়েছে ‘শবেকদর’ বা ‘লাইলাতুল কদর’।

এ রাতের ফজিলত:

আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘রমজান মাস হলো সেই মাস, যাতে নাজিল করা হয়েছে আল-কোরআন, যা মানব জাতির জন্য হেদায়াত ও সুস্পষ্ট পথনির্দেশ এবং ভালো-মন্দ ও ন্যায়-অন্যায়ের পার্থক্যকারী।’ (সূরা: বাকারাহ, আয়াত: ১৮৫)। মহাগ্রন্থ আল কোরআন নাজিল হওয়ার কারণে অন্যসব মাসের চেয়ে রমজান মাস বেশি ফজিলতময় হয়েছে। আর রমজানের রাতগুলোর মধ্যে কোরআন নাজিলের রাত লাইলাতুল কদর সবচেয়ে তাৎপর্যমণ্ডিত একটি রাত। এ সম্পর্কে আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘আমি একে নাজিল করেছি কদরের রাতে। তুমি কি জান কদরের রাত কি? কদরের রাত হাজার মাসের চেয়েও উত্তম। (সূরা: কদর, আয়াত: ১-৩)। এ আয়াতের ব্যাখায় মুফাসসিরকুল শিরোমণি আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন, ‘এ রাতের ইবাদত অন্য হাজার মাসের ইবাদতের চেয়ে উত্তম’। (তানবিরুল মিকবাস মিন তাফসিরে ইবনে আব্বাস : ৬৫৪ পৃষ্ঠা)। তাবেয়ি মুজাহিদ (রা.) বলেন, এর ভাবার্থ হলো, ‘এ রাতের ইবাদত, তেলাওয়াত, কিয়াম ও অন্যান্য আমল লাইলাতুল কদর ছাড়া হাজার মাস ইবাদতের চেয়েও উত্তম।’ মুফাসসিররা এমনই ব্যাখ্যা করেছেন। আর এটিই সঠিক ব্যাখ্যা। (ইবনে কাসির : ১৮ খণ্ড, ২২৩ পৃষ্ঠা)।

সূরা কদরের শানে নুযুল সম্পর্কে ইবনে কাসির (রা.) বলেন, আলী ইবনে উরওয়া (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূল (সা.) বনি ইসরাইলের চারজন আবেদ সম্পর্কে বলছিলেন, তারা আশি বছর ধরে অনবরত আল্লাহর ইবাদত করছিল। এর মধ্যে মুহূর্ত সময়ের জন্যও ইবাদত থেকে তারা বিচ্ছিন্ন হননি। বিখ্যাত এ চারজন আবেদ হলো আল্লাহর নবী জাকারিয়া (আ.), আইউব (আ.), হাজকিল ইবনে আ’জূজ (আ.) এবং ইউশা ইবনে নূহ (আ.)। এমনটি শুনে সাহাবিরা (রা.) রীতিমতো অবাক হলেন। এ সময় জিবরাইল (আ.) এসে বললেন, ‘হে মুহাম্মাদ (সা.)! আপনার উম্মতরা এ কথা শুনে অবাক হচ্ছে? তাদের জন্য আল্লাহতায়ালা এর চেয়ে উত্তম কিছু রেখেছেন। এরপর সূরা কদর পাঠ করা হয়। (ইবনে কাসির : ১৮ খণ্ড, ২২৩ পৃষ্ঠা)।

কদরের রাতের খুঁজে:

একবার রাসূলুল্লাহ (সা.) বনি ঈসরায়েলের একজন মুজাহিদ সম্পর্কে আলোচনা করতে গিয়ে বলেন, তিনি এক হাজার বছর দীর্ঘ হায়াত পেয়েছিলেন। দীর্ঘ এ আয়ুষ্কাল তিনি আল্লাহর রাস্তায় জিহাদে রত ছিলেন। একবারের জন্যও অস্ত্র সংবরণ করেননি। সাহাবায়ে কেরাম (রা.) ঘটনা শুনে বিস্মিত হলেন এবং আফসোস করতে লাগলেন যে, বনি ঈসরায়েল সুদীর্ঘ হায়াত পাওয়ার কারণে অনেক বেশি ইবাদত-বন্দেগি করতে পেরেছে। অনেক সওয়াব অর্জন করতে পেরেছে। আমাদেরও যদি তাদের মতো দীর্ঘ হায়াত দেয়া হতো, তাহলে আমরা তাদের মতো অনেক ইবাদত করতে পারতাম, অনেক বেশি পুণ্য লাভ করতে পারতাম। এ সময় মহান আল্লাহ সূরা কদর নাজিল করেন এবং বুঝিয়ে দেন যে, যদিও উম্মতে মোহাম্মাদিকে হায়াত কম দেয়া হয়েছে, তথাপি তাদের সওয়াব হাসিলের ও মহান আল্লাহর নৈকট্য লাভের এত বেশি সুযোগ দেয়া হয়েছে, যা পূর্ববর্তী কোনো উম্মতকে দেয়া হয়নি। উম্মতে মোহাম্মাদি যদি শুধু একটি রাত (লাইলাতুল কদর) ইবাদত করে, তাহলে তারা এক হাজার মাস ইবাদত করার চেয়েও বেশি সওয়াব প্রাপ্ত হবে। (তাফসিরে ইবনে কাসির)।

হজরত আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন,  ‘তোমরা রমজান মাসের শেষ ১০ দিনের বেজোড় রাতগুলোতে লাইলাতুল কদর অনুসন্ধান করো।’ (বুখারি)। তবে রমজান মাসের ২৭তম রাতটি শবেকদর হিসেবে বিশেষভাবে সমগ্র মুসলিম সমাজে উদ্যাপিত হয়। আর ব্যাপক প্রসিদ্ধ এ মতটিও হাদিস দ্বারা সমর্থিত। কদরের রাত ইবাদতের রাত। তবে নির্দিষ্ট কোনো ইবাদতের জন্য রাতটি নির্ধারিত নয়। যেকোনো ইবাদতই এ রাতে করা যেতে পারে। নফল নামাজ, পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত, জিকির, ইস্তিগফারসহ যেকোনো ইবাদতই করা যেতে পারে। সালাতুত তাসবিহ শবেকদরের জন্য বিশেষভাবে নির্দিষ্ট না হলেও যেহেতু এ নামাজ আদায়ে দীর্ঘ সময় প্রয়োজন হয়, আর লাইলাতুল কদরে সারা রাতই অধিকাংশ মুসলমান জেগে থাকেন, তাই কদরের রাতে সালাতুত তাসবিহ আদায় করা যেতে পারে।

লাইলাতুল কদরের মর্যাদা সম্পর্কে অনেক সহিহ হাদিস রয়েছে। হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রমজান মাস এলে রাসূল (সা.) বলতেন, ‘হে জনমণ্ডলী! তোমাদের কাছে মহিমান্বিত রমজান এসে পড়েছে। এ মাস খুবই বরকতময়। এ মাসে জান্নাতের দরজাসমূহ খুলে দেয়া হয়। আর জাহান্নামের দরজাগুলো বন্ধ করে দেয়া হয়। এ মাসে এমন একটি রাত আছে যা হাজার মাসের চেয়েও উত্তম। যে এর কল্যাণ থেকে বিরত হয়, সে প্রকৃতপক্ষেই হতভাগ্য। (মুসনাদে আহমাদ : ৭১০৮; সুনানে নাসায়ি : ২১০৬)। হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে আরো বর্ণিত হয়েছে, রাসূল (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি ঈমান ও ইহতেসাবের সঙ্গে কদরের রাতে ইবাদত করবে আল্লাহ তায়ালা তার পেছনের জীবনের সব গুনাহ ক্ষমা করে দেবেন। (বুখারি : ৩৫; মুসলিম : ৭৬০ ও ১২৬৮)।

লাইলাতুল কদর পাওয়ার জন্য নবীজি (সা.) শেষের দশ দিন ইতিকাফ করতেন। হজরত আয়শা (রা.) বলেন, ‘ওফাতের আগ পর্যন্ত প্রত্যেক রমজানের শেষের দশ দিন রাসূল (সা.) ইতিকাফ করতেন।’ (বুখারি : ২৩২৬, মুসলিম : ১১৭২)। ‘কিন্তু তিনি যে বছর ওফাত পান, সে বছর বিশ দিন ইতিকাফ করেন।’ (বুখারি : ৪৯৯৮)। ‘রাসূল (সা.) এর ওফাতের পর তাঁর স্ত্রীরা ইতিকাফ করতেন। (বুখারি : ২০২৬, তিরমিজি : ৭৯০।) সুতরাং নারী-পুরুষ সবার উচিত সাধ্য অনুযায়ী লাইলাতুল কদর খোঁজ করা। এ উদ্দেশ্যে ইতিকাফ করা খুবই পুণ্যের কাজ।




আপনি ঈদুল ফিতরের -২০২০ উৎসব ভাতার শীট কিভাবে ডাউনলোড ও প্রিন্ট দিবেন জেনে নিন

২০১৯-২০২০ অর্থবছরের বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (স্কুল ও কলেজ) শিক্ষক-কর্মচারীদের ঈদ-উল-ফিতর/২০২০ উৎসব ভাতার সরকারি অংশের টাকার চেক হস্তান্তর। 

বিস্তারিত জানতে এই লিংকে ক্লিক করুন –

আপনি ঈদুল ফিতরের -২০২০ উৎসব ভাতার শীট কিভাবে ডাউনলোড ও প্রিন্ট দিবেন যেভাবে

প্রথমে আপনি ব্রাউজার  ওপেন করে এড্রেস বারে লিখুন  www.emis.gov.bd  এর পর ই এম আই এস  প্যানেল ওপেন হলে  লগ ইন এ ক্লিক করে আপনার  ইউজার নম্বর ও পার্স ওয়ার্ড  দিয়ে  OK করে আপনার এ্যাডমিন প্যানেল ওপেন করুন ।

এবারে এড্রেস বারে নতুন একটি ট্যাব ওপেন করে নিচের বোনাস সিটটি কপি করে নতুন খোলা ট্যাবে পেষ্ট করে এন্টার দিন তাহলে আপনার বোনাস সিটের প্যানেল চলে আসবে। এখন নিচের দিকে আপনার প্রতিষ্ঠানের নাম লেখা দেখতে পাচ্ছেন  এবং নামের আগে দুইটি বক্স আছে একটি বক্সে ক্লিক করলে দুইটি বক্স সিলেক্ট হয়ে যাবে। তারপর  Print  Bonus  Sheet অপশন দেখতে পাবেন এবং ওখানে ক্লিক করলে -২০২০ উৎসব ভাতার শীট ডাউনলোড হয়ে যাবে তারপর   প্রিন্ট দিবেন।

ঈদুল ফিতরের -২০২০ উৎসব ভাতার শীট  ডাউনলোড লিংক  emis.gov.bd/EMIS/MPO/Reports/BonusSheetGeneration

 

বেতন সিট ডাউনলোড লিংক : 

emis.gov.bd/EMIS/MPO/Reports/SalarySheetGeneration

 

বর্তমানে www.emis.gov.bd সাইটে  ঈদুল ফিতরের -২০২০ উৎসব ভাতা ও বেতন সিট ডাউনলোড করা যাচ্ছে না আমি এই প্রক্রিয়ায় ডাউনলোড করছি।  ভবিষৎতের জন্য লিংক দুইটি রেখে দিন। ধন্যবাদ। 




রমজানে যে ১০টি গুরুত্বপূর্ণ আমল করবেন

রমজানে রোজা রাখা ফরজ। সেজন্য রমজানের প্রধান আমল- সুন্নাহ মোতাবেক রোজা পালন করা। মহান আল্লাহ বলেন, ‘সুতরাং তোমাদের মধ্যে যে এ মাসটিতে উপস্থিত হবে, সে যেন তাতে রোজা রাখে।

১. রোজা রাখা : রমজানে রোজা রাখা ফরজ। সেজন্য রমজানের প্রধান আমল- সুন্নাহ মোতাবেক রোজা পালন করা। মহান আল্লাহ বলেন, ‘সুতরাং তোমাদের মধ্যে যে এ মাসটিতে উপস্থিত হবে, সে যেন তাতে রোজা রাখে।’ (সূরা বাকারা : ১৮৫)।

২. সাহরি খাওয়া : রোজা পালনে সাহরি খাওয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সাহরি খাওয়ার মধ্যে বরকত রয়েছে। অনেকে সাহরি খান না, অনেকে আগ রাতে খেয়েই শুয়ে পড়েন। এটি সুন্নাহ পরিপন্থী। কারণ ইহুদি ও খ্রিস্টানরা সাহরি খায় না। হাদিসে এসেছে, রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘আমাদের ও আহলে কিতাবদের রোজার মধ্যে পার্থক্য হলো সাহরি গ্রহণ।’ (মুসলিম : ২৬০৪)।

৩. ইফতার করা এবং অন্যকে করানো : সিয়ামের পূর্ণ সওয়াব পাওয়ার জন্য দ্রুত ইফতার করতে হবে। সময় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ইফতার করা বিরাট ফজিলত। অন্যদিকে হাদিসে এসেছে, ‘যে ব্যক্তি কোনো রোজাদারকে ইফতার করাবে, সে তার সমপরিমাণ সওয়াব লাভ করবে, তাদের উভয়ের সওয়াব থেকে বিন্দুমাত্র হ্রাস করা হবে না।’ (ইবনে মাজাহ : ১৭৪৬)।

৪. জামাতের সঙ্গে নামাজ আদায় : রমজানে ফরজ নামাজ জামাতের সঙ্গে আদায় করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আমল। অনেকে ফরজ নামাজ আদায়ে উদাসীন থাকেন, যা গ্রহণযোগ্য নয়। কোরআনে বলা হয়েছে, ‘অতএব সেই নামাজ আদায়কারীদের জন্য দুর্ভোগ, যারা নিজদের নামাজে অমনোযোগী।’ (সূরা আল মাউন : ৪-৫)।

৫. তারাবির নামাজ পড়া : তারাবির নামাজ আদায় রমজানের অন্যতম আমল। হাদিসে এসেছে, ‘যে ব্যক্তি ঈমানের সঙ্গে সওয়াব হাসিলের আশায় রমজানে কিয়ামু রমজান (সালাতুত তারাবি) আদায় করবে, তার অতীতের সব গোনাহ মাফ করে দেয়া হবে।’ (বোখারি : ২০০৯)।

৬. বেশি বেশি দান-সদকাহ করা : রোজা-নামাজ ইত্যাদির পাশাপাশি দান-সদকার মাধ্যমেও ফজিলত অর্জন করতে হবে। আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘রাসুল (সা.) ছিলেন মানুষের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দানশীল আর রমজানে তাঁর এ দানশীলতা আরও বেড়ে যেত।’ (বোখারি : ১৯০২)

৭. বেশি বেশি দোয়া-এস্তেগফার করা : এ মাসে বেশি বেশি দোয়া-এস্তেগফার করা উচিত। হাদিসে এসেছে, ‘ইফতারের মুহূর্তে আল্লাহ তায়ালা বহু লোককে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দিয়ে থাকেন। মুক্তির এ প্রক্রিয়াটি রমজানের প্রতি রাতেই চলতে থাকে।’ (আল জামিউস সাগির : ৩৯৩৩)।

৮. ইতিকাফ করা : ইতিকাফ অর্থ অবস্থান করা। অর্থাৎ মানুষ থেকে পৃথক হয়ে সালাত, সিয়াম, কোরআন তেলাওয়াত, দোয়া, ইসতিগফার ও অন্যান্য ইবাদতের মাধ্যমে আল্লাহ তায়ালার সান্নিধ্যে একাকী কিছু সময় যাপন করা। এ ইবাদতের এত মর্যাদা যে, প্রত্যেক রমজানে রাসুল (সা.) শেষ ১০ দিন নিজে এবং তাঁর সাহাবিরা ইতিকাফ করতেন।

৯. লাইলাতুল কদর তালাশ করা : পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, ‘কদরের রাত হাজার মাসের চেয়েও উত্তম।’ (সূরা কদর : ৪)। রাসুল (সা.) আমাদের শেষ ১০ দিন লাইলাতুল কদর তালাশ করার নির্দেশ দিয়ে বলেছেন, ‘তোমরা রমজানের শেষ ১০ দিনের বেজোড় রাতগুলোতে কদরের রাত খোঁজ।’ (বোখারি : ২০২০)।

১০. তাহাজ্জুদ নামাজ পড়া : রমজানে নিয়মিত তাহাজ্জুদ পড়া অত্যন্ত সওয়াবের কাজ। রমজানের কারণে এ ফজিলত বহুগুণে বেড়ে যায়। আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, ‘নবী করিম (সা.) বলেছেন, ‘ফরজ নামাজের পর সর্বোত্তম নামাজ হলো রাতের নামাজ অর্থাৎ তাহাজ্জুদের নামাজ।’ (মুসলিম : ২৮১২)।




জীবন বৃত্তান্ত আহবান

শর্তাবলী : 

A4 সাইজের ১ পৃষ্ঠার পার্সপোর্ট সাইজের ছবি সহ জীবন বৃত্তান্ত (বাংলায়) PDF ফাইল করে নিচের মেইলে পাঠাতে হবে।

teachersnews24@gmail.com

বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ: মোবাইল: ০১৮৭৫-৮৫৬৯২৪

জীবন বৃত্তান্তের নমুনা:

১। নাম :

২। পিতার নাম:

৩। প্রতিষ্ঠানের পূণাংগ ঠিকানা সহ নিজ উপজেলা /জেলার নাম:

৪। পদবী :

৫। যোগদানের তারিখ  ও চাকুরীর বয়স :

৬। বয়স :

৭। সর্বশেষ শিক্ষাগত যোগ্যতা :

৮। মোবাইল নম্বর :

৯। ই-মেইল নম্বর :

১০। ফেসবুক ঠিকানা:

(নাম স্বাক্ষর)




আপনি করোনাভাইরাস প্রতিরোধে যা খাবেন জেনে নিন

উদ্ভিজ্জ খাবার হলো অ্যান্টি–অক্সিডেন্টের সবচেয়ে ভালো উৎস, বিশেষ করে বেগুনি, নীল, কমলা ও হলুদ রংয়ের শাকসবজি ও ফল। ছবি: রজত কান্তি রায়

উদ্ভিজ্জ খাবার হলো অ্যান্টি–অক্সিডেন্টের সবচেয়ে ভালো উৎস, বিশেষ করে বেগুনি, নীল, কমলা ও হলুদ রংয়ের শাকসবজি ও ফল। ছবি: রজত কান্তি রায়করোনাভাইরাস মোকাবিলার প্রস্তুতি চলছে পুরো পৃথিবীতে। আমরাও চেষ্টা করছি। এর প্রাথমিক প্রস্তুতি হিসেবে আমরা প্রচুর খাবারদাবার কিনে রাখছি ঘরে। কিন্তু একবারও কি ভেবে দেখেছি, ঘরে জমা করে রাখার ফলে খাবারগুলোর গুণগত মান আদৌ বজায় থাকবে কি না? যে খাবার আমরা কিনে ঘরে জমা করেছি, সেগুলো আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধব্যবস্থা শক্তিশালী করার পক্ষে যথেষ্ট কি না? কারণ, করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধের জন্য প্রয়োজন শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো। পাশাপাশি যথাযথ কর্তৃপক্ষের দেওয়া স্বাস্থ্যসংক্রান্ত নির্দেশাবলি সঠিকভাবে পালন করা।

করোনাভাইরাস প্রতিরোধের প্রথম ধাপ হলো ব্যক্তিগত সচেতনতা গড়ে তোলা এবং প্রত্যেকের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অর্থাৎ ইমিউন সিস্টেম বাড়িয়ে তোলা। এর ফলে করোনাভাইরাস সংক্রমণের যে মারাত্মক লক্ষ্মণ অর্থাৎ শ্বাসযন্ত্র এবং পরিপাকতন্ত্রের সংক্রমণ, সেগুলো সহজে প্রতিরোধ করা সম্ভব। সহজভাবে বললে, যেকোনো ভাইরাস হলো প্রোটিন যুক্ত অণুজীব, যার কারণে মানুষ জ্বর, কাশি, শ্বাসকষ্ট এমনকি মারাত্মক নিউমোনিয়ায় (নতুনভাবে) আক্রান্ত হতে পারে। তা ছাড়া এই ভাইরাস ভয়ংকর প্রাণঘাতী রোগ তৈরি করতে পারে খুব সহজে। তাই শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য বেশি পরিমাণে অ্যান্টি–অক্সিডেন্টসমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে প্রতিদিন।

অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট হলো কিছু ভিটামিন, মিনারেল ও এনজাইম, যা শরীরের ক্ষতিকর ফ্রি র‌্যাডিক্যালের (দেহের কোষ, প্রোটিন ও DNA ক্ষতি করে এমন কিছু) বিরুদ্ধে লড়াই করে, শরীরের কোষগুলোকে ক্ষতির হাত থেকে বাঁচিয়ে শরীরে জীবাণু সংক্রমণের ঝুঁকি প্রতিরোধ করতে সহায়তা করে। প্রধান অ্যান্টি–অক্সিডেন্টগুলো হলো বিটা ক্যারোটিন, ভিটামিন এ, সি, ই, লাইকোপেন, লুটেইন সেলেনিয়াম ইত্যাদি।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে অ্যান্টি–অক্সিডেন্টসমৃদ্ধ যে খাবারগুলো বেশি করে খেতে হবে, সেগুলো হলো:

বিটা ক্যারোটিন: উজ্জ্বল রংয়ের ফল, সবজি। যেমন গাজর, পালংশাক, আম, ডাল ইত্যাদি।
ভিটামিন এ: গাজর, পালংশাক, মিষ্টি আলু, মিষ্টিকুমড়া, জাম্বুরা, ডিম, কলিজা, দুধজাতীয় খাবার।
ভিটামিন ই: কাঠবাদাম, চিনাবাদাম, পেস্তাবাদাম, বাদাম তেল, বিচিজাতীয় ও ভেজিটেবল অয়েল, জলপাইয়ের আচার, সবুজ শাকসবজি ইত্যাদি।
ভিটামিন সি: আমলকী, লেবু, কমলা, সবুজ মরিচ, করলা ইত্যাদি।

ইত্যাদি।

পেঁপেতে প্রচুর পেপেন এনজাইম আছে, যা মানুষের পাকস্থলীতে আমিষ হজমে সাহায্য করে। আরও আছে পটাশিয়াম, সোডিয়াম, ভিটামিন সি। ছবি: রজত কান্তি রায়

পেঁপেতে প্রচুর পেপেন এনজাইম আছে, যা মানুষের পাকস্থলীতে আমিষ হজমে সাহায্য করে। আরও আছে পটাশিয়াম, সোডিয়াম, ভিটামিন সি। ছবি: রজত কান্তি রায়এ ছাড়া যে খাবার শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে, সেগুলোর একটি তালিকা দেওয়া হলো। এ খাবারগুলো আপনার শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে তো বাড়িয়ে তুলবেই, সেই সঙ্গে আরও বিভিন্নভাবে আপনার শরীরকে সুস্থ থাকতে সহায়তা করবে।

সামগ্রিকভাবে উদ্ভিজ্জ খাবারই হলো অ্যান্টি–অক্সিডেন্টের সবচেয়ে ভালো উৎস, বিশেষ করে বেগুনি, নীল, কমলা ও হলুদ রংয়ের শাকসবজি ও ফল। যে ধরনের খাবারগুলো আপনার প্রয়োজন, সেগুলোর তালিকা দেওয়া হলো।

১. সবজি: করলা (বিটা ক্যারোটিনসমৃদ্ধ), পারপেল/লাল পাতা কপি, বিট, ব্রোকলি, গাজর, টমেটো, মিষ্টি আলু, ক্যাপসিকাম, ফুলকপি।
২. শাক: যেকোনো ধরনের ও রঙের শাক।
৩. ফল: কমলালেবু, পেঁপে, আঙুর, আম, কিউই, আনার, তরমুজ, বেরি, জলপাই, আনারস ইত্যাদি।
৪. মসলা: আদা, রসুন, হলুদ, দারুচিনি, গোলমরিচ।
৫. অন্যান্য: শিম বিচি, মটরশুঁটি, বিচিজাতীয় খাবার, বার্লি, ওটস, লাল চাল ও আটা, বাদাম।
৬. টক দই: এটি প্রোবায়োটিকস, যা শ্বাসযন্ত্র ও পরিপাকতন্ত্র সংক্রমণের ঝুঁকি প্রতিরোধ করে। অন্যদিকে শাকসবজি, ফল, বাদামজাতীয় খাবার শরীরে নিউটোভ্যাক্স ভ্যাকসিনের অ্যান্টিবডি প্রক্রিয়াকে উন্নত করে, যা স্টেপটোকোক্কাস নিউমোনিয়া প্রতিরোধে সক্রিয় ভূমিকা রাখে।
৭. চা: গ্রিন টি, লাল চায়ে এল-থেনিন এবং ইজিসিজি নামক অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট থাকে, যা আমাদের শরীরে জীবাণুর বিরুদ্ধে লড়াইয়ের অনেক যৌগ তৈরি করে শরীরে রোগ প্রতিরোধব্যবস্থাকে শক্তিশালী করে।
৮. এ ছাড়া ভিটামিন বি-৬, জিংক–জাতীয় খাবার (বিচিজাতীয়, বাদাম, সামুদ্রিক খাবার, দুধ ইত্যাদি) শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরির কোষ বৃদ্ধি করে। তাই এ ধরনের খাবার বেশি খেতে হবে।
৯. উচ্চ মানের আমিষজাতীয় খাবার (ডিম, মুরগির মাংস ইত্যাদি) বেশি করে খেতে হবে।
১০. অ্যান্টি–অক্সিডেন্টের খুব ভালো কাজ পেতে হলে খাবার রান্নার সময় অতিরিক্ত তাপে বা দীর্ঘ সময় রান্না না করে প্রয়োজনীয় তাপমাত্রায় রান্না করতে হবে।

লেবুতে আছে ভিটামিন সি। এ ভিটামিন জারণজনিত পীড়ন (oxidative stress) রোধে একটি অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে। ছবি: রজত কান্তি রায়লেবুতে আছে ভিটামিন সি। এ ভিটামিন জারণজনিত পীড়ন (oxidative stress) রোধে একটি অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে। ছবি: রজত কান্তি রায়ওপরের খাবারগুলো ছাড়াও নিউমোনিয়া প্রতিরোধে উচ্চ আমিষযুক্ত খাবার বেশি করে খেতে হবে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত কোষ ও টিস্যু দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবে এবং পাশাপাশি নতুন টিস্যু তৈরি হবে। এর সঙ্গে দরকার পর্যাপ্ত ঘুম। অপর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুম শরীরে কর্টিসল হরমোনের চাপ বাড়িয়ে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয়, তাই পর্যাপ্ত ঘুমাতে হবে।

যে খাবার বাদ দিতে হবে
সব ধরনের কার্বনেটেড ড্রিংকস, বিড়ি, সিগারেট, জর্দা, তামাক, সাদাপাতা, খয়ের ইত্যাদি। এগুলো রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতায় বাধা দিয়ে ফুসফুসে সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ায়, ঠান্ডা খাবার, আইসক্রিম, চিনি ও চিনির তৈরি খাবার (যা ভাইরাসের সংক্রমণে সহায়তা করে)।

এ লেখার উদ্দেশ্য সঠিক পুষ্টির চাহিদা পূরণ করে প্রত্যেকের শরীরে রোগ প্রতিরোধব্যবস্থা উন্নত করতে সহায়তা করা, যাতে শুধু করোনাভাইরাস নয়, সব ধরনের ভাইরাসের সংক্রমণ মোকাবিলায় আপনি শারীরিকভাবে সক্ষম থাকতে পারেন।

লেখক: প্রধান পুষ্টিবিদ ও বিভাগীয় প্রধান, পুষ্টি বিভাগ, বারডেম হাসপাতাল।




আপনি বিপদে আল্লাহর সাহায্য পাবেন যেভাবে

পরিবেশ পরিস্থিতিও অনেক সময় পরিবর্তন হয়। কখনও মানুষের জন্য তা হয়ে উঠে অনুক‚ল আবার কখনও বা প্রতিক‚ল। এটাই আল্লাহর চিরাচরিত নিয়ম। মহান আল্লাহ কুরআনে ইরশাদ করেছেন, (হে রাসুল আপনি) বলুন, হে আল্লাহ! তুমিই সার্বভৌম শক্তির অধিকারী। তুমি যাকে ইচ্ছা রাজ্য দান করো এবং যার কাছ থেকে ইচ্ছা রাজ্য ছিনিয়ে নাও। যাকে ইচ্ছা সম্মান দান করো আর যাকে ইচ্ছা অপমানে পতিত করো। তোমারই হাতে রয়েছে যাবতীয় কল্যাণ। নিশ্চয়ই তুমি সর্ব বিষয়ে ক্ষমতাশীল। (সুরা আল-ইমরান : আয়াত ২৬) জাগোনিউজ

মুমিন বান্দা কখনও কোনও বিপদেই হতাশ হয় না। কোনও পেরেশানিই তাকে বিচলিত করতে পারে না। কারণ বিপদ-আপদ মহান আল্লাহর পক্ষতে মুমিন বান্দার জন্য এক মহাপরীক্ষা। আল্লাহ তাআলা নৈকট্য লাভে এ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার বিকল্প নেই। যুগে যুগে নবি-রাসুল, ওলি-আওলিয়া, আলেম-ওলামাগণ বহু পরীক্ষার সম্মুখীন হয়েছেন। যে যতো বেশি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন, আল্লাহর দরবারে তিনি ততোবেশি মর্যাদার অধিকারী হয়েছেন।

বিপদ যতো ছোট বা বড় হোক। দু’টি কাজের মাধ্যমে মুমিন বান্দার এ সমাধান খুঁজবে। দুই উপায়ে সাহায্য চাইলে আল্লাহ বান্দার সব বিপদ সহজ করে দেবেন। এ কথা মনে প্রাণে বিশ্বাস করে আল্লাহর ওপর ভরসা করতে হবে। ভালোমন্দ সবকিছু আল্লাহর পক্ষ থেকে বান্দার উপকারের জন্যই সংঘটিত হয়। তাই সর্বাবস্থায়, সব ব্যাপারে মহান আল্লাহর কাছে সাহায্য কামনা করা উচিত। বিপদ-আপদ ও সংকট মোকাবেলায় আল্লাহর সাহায্যের কাছে দুনিয়ার কোনও সাহায্যই সমকক্ষ হতে পারে না। রাতের বেলা সাধারণ বাতাসে যদি কারও আলো নিভে যায় কিংবা বিদ্যুৎ চলে যায়, তাতেও আল্লাহকে স্মরণ করা, আর বলা, ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। কোনও হাতাশা বা পেরেশানিতে পরলেও বলা, ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

মনে রাখতে হবে, যদি কোনও ব্যক্তি আল্লাহর কাছে সাহায্য প্রার্থনা কোনও দোয়া না জানেন, তবে তার এটিই যথেষ্ট যে, দুনিয়ার সব বিপদে আল্লাহর সাহায্য পাওয়ার নিয়তে ‘আল্লাহ, আল্লাহ’ জিকির করা। নিঃসন্দেহে আল্লাহ তাআলা তার বান্দার সহজ-কঠিন সব বিপদ দূর করে দেবেন। মহান আল্লাহ তাআলার ঘোষণাও এটি। আল্লাহ তাআলা বান্দাকে লক্ষ্য করে কুরআনে ঘোষণা করেন, তোমাদের পালনকর্তা বলেন, তোমরা আমাকে ডাক, আমি (তোমাদের ডাকে) সাড়া দেবো। যারা আমার ইবাদতে (হুকুম পালনে) অহংকার করে তারা শীঘ্রই লাঞ্জিত হয়ে জাহান্নামে প্রবেশ করবে। (সুরা মুমিন : আয়াত ৬০)

সুতরাং বিপদ যতো বেশি এবং যতো কঠিনই হোক না কেনো, তাকদিরের ওপর অগাধ আস্থা এবং বিশ্বাস রেখে আল্লাহর কাছে অন্তর থেকে সাহায্য প্রার্থনা করতে হবে। তিনিই সবকিছুর উপর ক্ষমতাবান। এমন বিশ্বাসে সাহায্য প্রার্থনা করলে, বান্দার আবেদন বিফলে যাবে না। আল্লাহ তাআলা বান্দার সব বিপদ দূর করে দেবেন।




স্কুল-কলেজ শিক্ষকদের মার্চের চেক ছাড়

বেসরকারি স্কুল ও কলেজের শিক্ষক-কর্মচারীদের মার্চ (২০২০) মাসের এমপিওর চেক ছাড় হয়েছে। আজ রোববার ৫ এপ্রিল

বেতন-ভাতা তোলার শেষ দিন ১২ এপ্রিল।

 

প্রতিষ্ঠান প্রধানদের ওয়েবসাইট (emis.gov.bd) থেকে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের এমপিওর শীট ডাউনলোড করতে বলা হয়েছে।

 

  • সূত্র দৈনিক শিক্ষা



মার্চের এমপিওর চেক ছাড় মাদরাসা শিক্ষকদের

মাদরাসার শিক্ষক-কর্মচারীদের মার্চ (২০২০) মাসের এমপিওর চেক ছাড় হয়েছে।

আদেশের স্মারক নম্বর ৫৭.২৫.০০০০.০০২.০৮.০০৪.১৯-১৬৫

চারটি ব্যাংকে চেক পাঠানো হয়েছে। শিক্ষকরা আগামী ৯ এপ্রিল পর্যন্ত বেতন-ভাতার সরকারি অংশের টাকা তুলতে পারবেন।

বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন = মাদ্রাসা শিক্ষক-কর্মচারীদের মার্চ ২০২০ মাসের এমপিওর চেক ছাড় প্রসঙ্গে।




৩১ ডিসেম্বর ২০১৯ সালের জেএসসি/জেডিসি পরীক্ষার ফলাফল

৩১ ডিসেম্বর ২০১৯ সালের জেএসসি/জেডিসি পরীক্ষার ফলাফল

 

২০১৯ সালের জেএসসি/জেডিসি পরীক্ষার ফলাফল জানতে নিচের লিংকে ক্লিক করুন

ফলাফল কিভাবে পাবেন বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন

ফলাফল পাইতে এখানে ক্লিক করুন




অক্টোবরের এমপিওর চেক ছাড় স্কুল-কলেজ শিক্ষকদের

অক্টোবরের এমপিওর চেক ছাড় স্কুল-কলেজ শিক্ষকদের

অক্টোবর (২০১৯) মাসের এমপিওর চেক ছাড় হয়েছে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের।

স্বারক নং-  ৩৭.০২.০০০০.১০২.৩৭.০০৪.২০১৯/৭২৬৭/০৪।

৬ নভেম্বর পর্যন্ত নিজ নিজ ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে বেতন-ভাতার সরকারি অংশ উত্তোলন করতে পারবেন শিক্ষক-কর্মচারীরা ।




মাধ্যমিকের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বসছে সিসিটিভি

মাধ্যমিক পর্যায়ের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে সিসিটিভি (ক্লোজড সার্কিট ক্যামেরা) ক্যামেরার আওতায় আনা হচ্ছে। প্রথম পর্যায়ে শহরাঞ্চলের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সিসিটিভি বসানো হবে। পর্যায়ক্রমে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে এর আওতায় আনা হবে।শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, গত ১৯ সেপ্টেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সিনিয়র সচিবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মাসিক সমন্বয় সভায় এই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়।

সভায় আলোচনার পর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত উপস্থিতি ও সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যেসব প্রতিষ্ঠানে ডিজিটাল হাজিরা মেশিন নেই বিশেষ করে সেসব প্রতিষ্ঠানে দ্রুত হাজিরা মেশিন স্থাপন করতে হবে। আর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করতে হবে। বিশেষ করে শহরাঞ্চলের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এই দুই প্রযুক্তি যুক্ত করতে হবে। এটি বাস্তবায়ন করবে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের মাধ্যমিক-২ অনুবিভাগ ও মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতর।

এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সিনিয়র সচিব মো: সোহরাব হোসাইন বলেন, ‘দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেই (মাধ্যমিক পর্যায়) সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। আগে শহরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো এর আওতায় নেওয়া হবে।




প্রতিষ্ঠান প্রধানগণ শিক্ষক মূল্যায়নে যে ছক ব্যবহার করবেন

http://www.educationbangla.com/media/PhotoGallery/2019March/jana20190922014954.jpg




সরকারি প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগের ফল প্রকাশ

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এতে মোট ৫৫ হাজার ২৯৫ জন লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন। রোববার (১৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় শিক্ষক নিয়োগের ৪ ধাপে লিখিত পরীক্ষার ফল একযোগে প্রকাশ করে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।  উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মোবাইলে এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানিয়ে দেওয়া হচ্ছে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে ফল জানিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

প্রসঙ্গত, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষার প্রথম ধাপ গত ২৪ মে, দ্বিতীয় ধাপ ৩১ মে, তৃতীয় ধাপ ২১ জুন এবং চতুর্থ ধাপের পরীক্ষা ২৮ জুন অনুষ্ঠিত হয়।

গত বছরের ৩০ জুলাই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। গত ১ থেকে ৩০ আগস্ট পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন কার্যক্রম শেষ হয়। ১২ হাজার আসনের বিপরীতে সারাদেশ থেকে ১৭ লাখ ৭৩ হাজার ৯১৭ প্রার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছিলেন। http://dpe.gov.bd/




২০২১ সাল থেকে প্রাথমিকে তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত পরীক্ষা থাকছে না

আগামী বছর থেকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রথম থেকে তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত বার্ষিক পরীক্ষা নেয়া হবে না। শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন করা হবে ক্লাস পরীক্ষার মাধ্যমে।

বৃহস্পতিবার প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সচিব মো. আকরাম আল হোসেন এসব তথ্য জানান।

তিনি বলেন, আগামী বছর থেকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রথম থেকে তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত বার্ষিক পরীক্ষা না নিয়ে ক্লাস পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন করা হবে। প্রাথমিক পর্যায়ে দেশের ১০০টি বিদ্যালয়ে পাইলটিং হিসেবে এ কার্যক্রম শুরু করা হবে।

এক প্রশ্নের জবাবে সচিব বলেন, শিক্ষার্থীদের ওপর পরীক্ষার চাপ কমাতে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। সে লক্ষ্যে আমরা গত ছয় মাস থেকে কাজ করেছি। ২০২০ সাল থেকে পাইলটিং হিসেবে ১০০ বিদ্যালয়কে এর আওতায় আনা হবে।

তিনি বলেন, পাইলটিং কার্যক্রম শেষে ২০২১ সাল থেকে দেশের সব বিদ্যালয়ে এ পদ্ধতি চালু করা হবে। পাশাপাশি ২০২১ সাল থেকে প্রাথমিক পর্যায়ে নতুন পাঠ্যক্রম প্রণয়ন করা হবে।




আগস্টের এম পি ওর চেক ছাড় স্কুল-কলেজ শিক্ষকদের

আগস্টের এম পি ওর চেক ছাড় স্কুল-কলেজ শিক্ষকদের

 

এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের আগস্ট (২০১৯) মাসের এমপিওর চেক  ছাড় হয়েছে।

  স্মারক নম্বর: ৩৭.০২.০০০০.১০২.৩৭.০০৪.২০১৯/৬৫১২/০৪।

৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নিজ নিজ ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে বেতন-ভাতার সরকারি অংশ তুলতে পারবেন শিক্ষক-কর্মচারীরা।




আগস্টের এম পি ওর চেক ছাড় মাদরাসা শিক্ষকদের

আগস্টের এম পি ওর চেক ছাড় মাদরাসা শিক্ষকদের

আগস্টের এম পি  ওর চেক ছাড় হয়েছে আজ  সোমবার ২৬ আগষ্ট। শিক্ষকরা আগামী ৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বেতন-ভাতার সরকারি অংশের টাকা তুলতে পারবেন।

 

আদেশের স্মারক নম্বর ৫৭.২৫.০০০০.০০২.০৮.০০৪.১৯-৩৪১




সরকারি প্রাথমিকে অতিরিক্ত ২০ শতাংশ শিক্ষক নিয়োগের সিদ্ধান্ত

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নির্ধারিত পদের অতিরিক্ত ২০ শতাংশ সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। এ জন্য প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরকে (ডিপিই) প্রস্তাবনা তৈরির নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

প্রস্তাবনা পাওয়ার পর তা সচিব কমিটির সভায় অনুমোদন দেয়া হবে। অনুমোদনের পর শিক্ষক নিয়োগ কার্যক্রম শুরু হবে বলে মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে।

জানা গেছে, বিভিন্ন সময়ে শিক্ষকদের বিদেশ ভ্রমণ, ব্যক্তিগত ও মেডিকেল ছুটি, নারী শিক্ষকদের মাতৃত্বকালীন ছুটিসহ বিভিন্ন কারণে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষকরা অনুপস্থিত থাকেন। এ কারণে পাঠদান কার্যক্রম চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে। শিক্ষকদের অনুপস্থিতির কারণে অনেক ছাত্রছাত্রী বিদ্যালয় বিমুখ হয়ে পড়ছে। এ সমস্যা দূর করতে বিদ্যালয়ে নির্ধারিত সৃষ্ট পদের অতিরিক্ত ২০ শতাংশ শিক্ষক নিয়োগ দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। বর্তমানে অতিরিক্ত শিক্ষক নিয়োগের জন্য ডিপিইতে প্রস্তাবনা তৈরির কাজ শুরু হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আকরাম আল হোসেন রোববার (১৮ আগস্ট) বলেন, ‘বিভিন্ন সময় ছুটিতে থাকায় অনেক শিক্ষক বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকেন। তাদের শূন্যতা পূরণ করা সম্ভব হচ্ছে না। সারাদেশে শিক্ষকদের সৃষ্ট পদের রাজস্ব খাতভুক্ত ২০ শতাংশ অতিরিক্ত শিক্ষক নিয়োগ দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘২০ শতাংশ হিসাবে অতিরিক্ত কতজন শিক্ষক নিয়োগ দেয়া প্রয়োজন সেটি উল্লেখ করে ডিপিইকে প্রস্তাবনা দিতে বলা হয়েছে। এ প্রস্তাবনা পাওয়ার পর সচিব কমিটিতে পাঠানো হবে। সেখানে অনুমোদন হলে অতিরিক্ত হিসেবে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সাধারণ নিয়োগের মাধ্যমে এসব শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে।’

সম্প্রতি জাতীয়করণসহ সারাদেশে মোট ৬৫ হাজার ৫৯৩টি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এসব বিদ্যালয়ে ৬৫ হাজার ১৭০ প্রধান শিক্ষক ও ৩ লাখ ৩৪ হাজার ৯৫৬ জন সহকারী শিক্ষকের পদ সৃজন থাকলেও সেখানে ৪৯ হাজার ২১৯ জন প্রধান শিক্ষক (চলতি দায়িত্বসহ) ও ৩ লাখ ৩৯ হাজার ৯৮ জন সহকারী শিক্ষক রয়েছেন। অতিরিক্ত ২০ শতাংশ নিয়োগের জন্য নতুন করে আরও ৬০ হাজারের বেশি শিক্ষক নিয়োগ পাবেন।

এডুকেশন বাংলা/




ঈদের ছুটিতেও পরিচ্ছন্ন অভিযান চালাতে হবে শিক্ষকদের

ঈদের ছুটিতে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ডেঙ্গু প্রতিরোধ কার্যক্রম চলবে। এ লক্ষ্যে প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে ৬ সদস্য করে একটি বা একাধিক টিক গঠন করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। ঈদের ছুটিতে প্রতি ৪৮ ঘণ্টা পরপর পরিচ্ছন্ন অভিযান চালাতে বলা হয়েছে এই টিমের সদস্যদের।

মঙ্গলবার রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত রাজধানীর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানদের এক সভায় এই নির্দেশনা দেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. সোহরাব হোসাইন। একই দিনে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত একটি পরিপত্র জারি করা হয়েছে।

সভায় সোহরাব হোসাইন বলেন, সারাদেশের প্রতিষ্ঠানে এই কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে হবে। কার্যক্রম সম্পর্কে নিয়মিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে প্রতিবেদন দেবে। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মককর্তা জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে প্রতিবেদন পাঠাবেন। জেলা থেকে সেই রিপোর্ট সরাসরি মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতরে (মাউশি) ডেঙ্গু প্রতিরোধ সেলে পাঠাতে হবে।

অনুষ্ঠানে নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা, কোথাও যাতে পানি না জমে সেদিকে নজর রাখাসহ অন্যান্য কার্যক্রম চলছে। কিন্তু ঈদের ছুটিতে যদি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এই কার্যক্রম অব্যাহত না রাখা হয় তাহলে ডেঙ্গু মশা বংশ বিস্তার করতে পারে। আর ডেঙ্গুর ডিম যেহেতু ৭২ ঘণ্টায় প্রজনন হয়, তাই ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বা একদিন পরপর এই পরিষ্কার কার্যক্রম অব্যাহত রাখা দরকার। সেই নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

অনুষ্ঠানে সোহরাব হোসাইন শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে বলেন, প্রতীকীভাবে আপনাদের সঙ্গে মতবিনিময় করা হচ্ছে। আসলে আপনাদের মাধ্যমে আমরা সারাদেশের প্রতিষ্ঠান প্রধান ও শিক্ষকদের সঙ্গেই কথা বলছি। আমাদের এই নির্দেশনা সারাদেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্যই প্রযোজ্য।

তিনি বলেন, প্রতি একদিন পরপর প্রতিষ্ঠানের খেলার মাঠ, ঝোপঝাড়, আশপাশ এলাকা এবং যেসব জায়গায় পানি জমতে পারে সেসব এলাকা চিহ্নিত করে পরিষ্কার করতে হবে। প্রয়োজনে হারপিক ব্যবহার করতে হবে বাথরুমে। ১৩ দিনের জন্য ঈদের ছুটি থাকবে। এই ছুটিতে প্রতিষ্ঠান একেবারে বন্ধ থাকতে পারবে না। কমপক্ষে ৬ জনের একটি টিম থাকবে। সেই টিম প্রতিষ্ঠানে ডেঙ্গু প্রতিরোধের কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কারিগরি ও মাদরাসা বিভাগের সচিব মো. মুনশী শাহাবুদ্দীন আহমেদ। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের (মাউশি) মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. এসএম গোলাম ফারুক এতে সভাপতিত্ব করেন। এছাড়া মাউশির পরিচালক অধ্যাপক শাহেদুল খবীর চৌধুরী বক্তৃতা করেন। সভার শুরুতে শিক্ষকদের পক্ষ থেকে ডেঙ্গু প্রতিরোধের ব্যাপারে মতামত গ্রহণ করা হয়। এ সময় মিরপুরের মডেল স্কুলের প্রধান শিক্ষক আনোয়ার হোসেন, মতিঝিল মডেল স্কুল ও কলেজের সিনিয়র শিক্ষক আবুল কাসেম প্রমুখ।

উল্লেখ্য, ডেঙ্গুু প্রতিরোধ কার্যক্রমের জন্য মাউশিতে একটি সেল গঠন করা হয়েছে। এতে একজন উপপরিচালক সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করছেন। ডেঙ্গু প্রতিরোধ কার্যক্রমে একজন মাউশির পরিচালক (প্রশিক্ষণ) অধ্যাপক প্রবীর কুমার ভট্টাচার্যকে ফোকাল পয়েন্ট নিযুক্ত করা হয়েছে। এ ব্যাপারে সার্বক্ষণিক কাজ করছেন তিনি।

এডুকেশন বাংলা/




স্কুল-কলেজ শিক্ষকদের জুলাইয়ের এমপিওর চেক ছাড় (ঈদ বোনাসসহ )

স্কুল-কলেজ শিক্ষকদের জুলাইয়ের এমপিওর চেক ছাড় (ঈদ বোনাসসহ )

 

বেতনের স্মারক নম্বর: ৩৭.০২.০০০০.১০২.৩৭.০০৪.২০১৯/৬২৪৬/০৪

বোনাসের স্মারক নম্বর: ৩৭.০২.০০০০.১০২.৩৭.০০৪.২০১৯/৬২৬৫/০৪

 

বেসরকারি স্কুল-কলেজের এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দের জুলাই মাসের এমপিও ও ঈদুল আযহার উৎসব ভাতার চেক বৃহস্পতিবার (১ আগস্ট) ছাড় হয়েছে।

 

উল্লেখ্য , ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দের ৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি যুক্ত করে শিক্ষকদের জুলাই মাসের বেতন ছাড় করা হয়েছে ।

 

৮ আগস্ট পর্যন্ত নিজ নিজ ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে বেতন-ভাতার সরকারি অংশ তুলতে পারবেন।

 

 




জুলাইয়ের এমপিওর চেক ছাড় মাদরাসা শিক্ষকদের

জুলাইয়ের এমপিওর চেক ছাড় মাদরাসা শিক্ষকদের

স্মারক নম্বর ৫৭.২৫.০০০০.০০২.০৮.০০৪.১৯-৩২২

২০১৯ খ্রিষ্টাব্দের জুলাই মাসের এমপিওর চেক ছাড় হয়েছে। বুধবার (৩১ জুলাই) অনুদান বণ্টনকারী রাষ্ট্রায়াত্ত চারটি ব্যাংকে চেক পাঠানো হয়েছে। শিক্ষক-কর্মচারীরা আগামী ৬ আগস্ট পর্যন্ত বেতন-ভাতার সরকারি অংশের টাকা তুলতে পারবেন।

উল্লেখ্য, ৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি যুক্ত করে মাদরাসা শিক্ষকদের জুলাই মাসের বেতন ছাড় করা হয়েছে।




এইচএসসির ফল প্রকাশ: পাসের হার ৭৩.৯৩%, জিপিএ-৫- ৪৭ হাজার ২৮৬ জন

২০১৯ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এবার পাসের হার ৭৩.৯৩% শতাংশ।  সর্বমোট জিপিএ-৫- পেয়েছে ৪৭ হাজার ২৮৬ জন। গত বছর গড় পাসের হার ছিল ৬৬ দশমিক ৬৪ শতাংশ। সে হিসাবে এবার পাসের হার বেড়েছে ৭ দশমিক ২৯ শতাংশ। গতবার পেয়েছিলেন ২৯ হাজার ২৬২ জন। অর্থাৎ গতবারের চেয়ে এবার জিপিএ-৫ বেড়েছে ১৮ হাজার ৩২৪ জন। বুধবার (১৭ জুলাই) সকাল ১০টার দিকে গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে শিক্ষাবোর্ডগুলোর ফলাফল হস্তান্তর করেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

সকল বোর্ডের চেয়ারম্যানরা সেখানে উপস্থিত ছিলেন। তারাও পৃথকভাবে প্রধানমন্ত্রীর কাছে ফলাফল হস্তান্তর করেন।  এবার মাদ্রাসা বোর্ডে পাশের হার ৮৮.৫৬ শতাংশ, গত বছর পাসের হার ছিল ৭৮ দশমিক ৬৭ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ২হাজার ২৪৩ জন। গত বছর পাসের হার ছিল ৭৮ দশমিক ৬৭ শতাংশ। কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে পাশের হার ৮২.৬২ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ হাজার ২৩৬ জন। গত বছর পাসের হার ছিল হার ৭৫ দশমিক ৫০ শতাংশ।। এ বছর কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার বেড়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, এবারের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পরীক্ষার্থী ছিল ১৩ লাখ ৩৬ হাজার ৫০৫ জন। এর মধ্যে ৮টি সাধারণ বোর্ডের অধীনে এইচএসসি পরীক্ষার্থী ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৫৫০ জন। এছাড়া মাদ্রাসার আলিমে ৮৮ হাজার ৪৫১ এবং কারিগরিতে (বিএম) ১ লাখ ২৪ হাজার ২৬৪ পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। যা গত বছরের তুলনায় ৬৯হাজার ৭শ ৪৮জন বেশি।

আজ দুপুর ১টায় সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত ফলাফল জানাবেন শিক্ষামন্ত্রী। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা  এ তথ্য জানান।

এডুকেশন বাংলা/




যেভাবে এইচএসসির ফল পুনঃনিরীক্ষার আবেদন করতে হবে

চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হবে আজ বুধবার। বেলা ১টায় আনুষ্ঠানিকভাবে শিক্ষার্থীরা মোবাইলের এসএমএস ও অনলাইনের মাধ্যমে ফল জানতে পারবেন। ফলাফলে যেসব শিক্ষার্থীরা সন্তুষ্ট হবেন না তারা ফল পুনঃনিরীক্ষার আবেদন করতে পারবেন।

রাষ্ট্রায়ত্ত মোবাইল অপারেটর টেলিটক থেকে আগামী ১৮ থেকে ২৪ জুলাই পর্যন্ত এইচএসসি ও সমমানের ফল পুনঃনিরীক্ষার আবেদন করা যাবে।

ফল পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন করতে RSC লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে বিষয় কোড লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠাতে হবে।

ফিরতি এসএমএসে ফি বাবদ কত টাকা কেটে নেওয়া হবে তা জানিয়ে একটি পিন নম্বর (পার্সোনাল আইডেন্টিফিকেশন নম্বর-PIN) দেওয়া হবে।

আবেদনে সম্মত থাকলে RSC লিখে স্পেস দিয়ে YES লিখে স্পেস দিয়ে পিন নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে যোগাযোগের জন্য একটি মোবাইল নম্বর লিখে ১৬২২২ নম্বরে এসএমএস পাঠাতে হবে। প্রতিটি বিষয় ও প্রতি পত্রের জন্য দেড়শ’ টাকা হারে চার্জ কাটা হবে।

যে সব বিষয়ের দুটি পত্র (প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র) রয়েছে যে সব বিষয়ের ফল পুনঃনিরীক্ষার আবেদন করলে দুটি পত্রের জন্য মোট ৩০০ টাকা ফি কাটা হবে।

একই এসএমএসে একাধিক বিষয়ের আবেদন করা যাবে, এক্ষেত্রে বিষয় কোড পর্যায়ক্রমে ‘কমা’ দিয়ে লিখতে হবে।

এডুকেশন বাংলা/




কারিগরিতে পাশ ৮২ দশমিক ৬২% জিপিএ-৫- ৩ হাজার ২৩৬ জন

এইচএসসিতে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে এবছর পাসের হার ৮২ দশমিক ৬২ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ হাজার ২৩৬ জন। গত বছর পাসের হার ছিল হার ৭৫ দশমিক ৫০ শতাংশ।। এ বছর কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার বেড়েছে।

বুধবার (১৭ জুলাই) সকালে গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে ফলাফলের অনুলিপি তুলে দেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। পরে দুপুরে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভা কক্ষে সংবাদ সম্মেলন করে ফলের কিছু তথ্য তুলে ধরেন তিনি।

কারিগরি শিক্ষা বোর্ড থেকে এ বছর ১ লাখ ২৪ হাজার ২৬৪ জন শিক্ষার্থী উচ্চ মাধ্যমিক সমমানের পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে ছাত্র ৪১ হাজার ৫০৪ জন এবং ছাত্রী ৮২ হাজার ৭৬০ জন।

 

এডুকেশন বাংলা




সবার আগে এইচ এইচ সি পরীক্ষার ফলাফল ২০১৯ পাবেন যেভাবে

এইচ এস সি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ ১৭ জুলাই 

বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন –

 

এইচ এস সি পরীক্ষার ফলাফল যেভাবে পাবেন ক্লিক করুন –