অক্টোবরের এমপিওর চেক ছাড় স্কুল-কলেজ শিক্ষকদের

অক্টোবরের এমপিওর চেক ছাড় স্কুল-কলেজ শিক্ষকদের

অক্টোবর (২০১৯) মাসের এমপিওর চেক ছাড় হয়েছে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের।

স্বারক নং-  ৩৭.০২.০০০০.১০২.৩৭.০০৪.২০১৯/৭২৬৭/০৪।

৬ নভেম্বর পর্যন্ত নিজ নিজ ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে বেতন-ভাতার সরকারি অংশ উত্তোলন করতে পারবেন শিক্ষক-কর্মচারীরা ।




মাধ্যমিকের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বসছে সিসিটিভি

মাধ্যমিক পর্যায়ের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে সিসিটিভি (ক্লোজড সার্কিট ক্যামেরা) ক্যামেরার আওতায় আনা হচ্ছে। প্রথম পর্যায়ে শহরাঞ্চলের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সিসিটিভি বসানো হবে। পর্যায়ক্রমে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে এর আওতায় আনা হবে।শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, গত ১৯ সেপ্টেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সিনিয়র সচিবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মাসিক সমন্বয় সভায় এই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়।

সভায় আলোচনার পর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত উপস্থিতি ও সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যেসব প্রতিষ্ঠানে ডিজিটাল হাজিরা মেশিন নেই বিশেষ করে সেসব প্রতিষ্ঠানে দ্রুত হাজিরা মেশিন স্থাপন করতে হবে। আর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করতে হবে। বিশেষ করে শহরাঞ্চলের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এই দুই প্রযুক্তি যুক্ত করতে হবে। এটি বাস্তবায়ন করবে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের মাধ্যমিক-২ অনুবিভাগ ও মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতর।

এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সিনিয়র সচিব মো: সোহরাব হোসাইন বলেন, ‘দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেই (মাধ্যমিক পর্যায়) সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। আগে শহরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো এর আওতায় নেওয়া হবে।




প্রতিষ্ঠান প্রধানগণ শিক্ষক মূল্যায়নে যে ছক ব্যবহার করবেন

http://www.educationbangla.com/media/PhotoGallery/2019March/jana20190922014954.jpg




সরকারি প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগের ফল প্রকাশ

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এতে মোট ৫৫ হাজার ২৯৫ জন লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন। রোববার (১৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় শিক্ষক নিয়োগের ৪ ধাপে লিখিত পরীক্ষার ফল একযোগে প্রকাশ করে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।  উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মোবাইলে এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানিয়ে দেওয়া হচ্ছে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে ফল জানিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

প্রসঙ্গত, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষার প্রথম ধাপ গত ২৪ মে, দ্বিতীয় ধাপ ৩১ মে, তৃতীয় ধাপ ২১ জুন এবং চতুর্থ ধাপের পরীক্ষা ২৮ জুন অনুষ্ঠিত হয়।

গত বছরের ৩০ জুলাই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। গত ১ থেকে ৩০ আগস্ট পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন কার্যক্রম শেষ হয়। ১২ হাজার আসনের বিপরীতে সারাদেশ থেকে ১৭ লাখ ৭৩ হাজার ৯১৭ প্রার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছিলেন। http://dpe.gov.bd/




২০২১ সাল থেকে প্রাথমিকে তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত পরীক্ষা থাকছে না

আগামী বছর থেকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রথম থেকে তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত বার্ষিক পরীক্ষা নেয়া হবে না। শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন করা হবে ক্লাস পরীক্ষার মাধ্যমে।

বৃহস্পতিবার প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সচিব মো. আকরাম আল হোসেন এসব তথ্য জানান।

তিনি বলেন, আগামী বছর থেকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রথম থেকে তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত বার্ষিক পরীক্ষা না নিয়ে ক্লাস পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন করা হবে। প্রাথমিক পর্যায়ে দেশের ১০০টি বিদ্যালয়ে পাইলটিং হিসেবে এ কার্যক্রম শুরু করা হবে।

এক প্রশ্নের জবাবে সচিব বলেন, শিক্ষার্থীদের ওপর পরীক্ষার চাপ কমাতে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। সে লক্ষ্যে আমরা গত ছয় মাস থেকে কাজ করেছি। ২০২০ সাল থেকে পাইলটিং হিসেবে ১০০ বিদ্যালয়কে এর আওতায় আনা হবে।

তিনি বলেন, পাইলটিং কার্যক্রম শেষে ২০২১ সাল থেকে দেশের সব বিদ্যালয়ে এ পদ্ধতি চালু করা হবে। পাশাপাশি ২০২১ সাল থেকে প্রাথমিক পর্যায়ে নতুন পাঠ্যক্রম প্রণয়ন করা হবে।




আগস্টের এম পি ওর চেক ছাড় স্কুল-কলেজ শিক্ষকদের

আগস্টের এম পি ওর চেক ছাড় স্কুল-কলেজ শিক্ষকদের

 

এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের আগস্ট (২০১৯) মাসের এমপিওর চেক  ছাড় হয়েছে।

  স্মারক নম্বর: ৩৭.০২.০০০০.১০২.৩৭.০০৪.২০১৯/৬৫১২/০৪।

৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নিজ নিজ ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে বেতন-ভাতার সরকারি অংশ তুলতে পারবেন শিক্ষক-কর্মচারীরা।




আগস্টের এম পি ওর চেক ছাড় মাদরাসা শিক্ষকদের

আগস্টের এম পি ওর চেক ছাড় মাদরাসা শিক্ষকদের

আগস্টের এম পি  ওর চেক ছাড় হয়েছে আজ  সোমবার ২৬ আগষ্ট। শিক্ষকরা আগামী ৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বেতন-ভাতার সরকারি অংশের টাকা তুলতে পারবেন।

 

আদেশের স্মারক নম্বর ৫৭.২৫.০০০০.০০২.০৮.০০৪.১৯-৩৪১




সরকারি প্রাথমিকে অতিরিক্ত ২০ শতাংশ শিক্ষক নিয়োগের সিদ্ধান্ত

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নির্ধারিত পদের অতিরিক্ত ২০ শতাংশ সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। এ জন্য প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরকে (ডিপিই) প্রস্তাবনা তৈরির নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

প্রস্তাবনা পাওয়ার পর তা সচিব কমিটির সভায় অনুমোদন দেয়া হবে। অনুমোদনের পর শিক্ষক নিয়োগ কার্যক্রম শুরু হবে বলে মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে।

জানা গেছে, বিভিন্ন সময়ে শিক্ষকদের বিদেশ ভ্রমণ, ব্যক্তিগত ও মেডিকেল ছুটি, নারী শিক্ষকদের মাতৃত্বকালীন ছুটিসহ বিভিন্ন কারণে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষকরা অনুপস্থিত থাকেন। এ কারণে পাঠদান কার্যক্রম চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে। শিক্ষকদের অনুপস্থিতির কারণে অনেক ছাত্রছাত্রী বিদ্যালয় বিমুখ হয়ে পড়ছে। এ সমস্যা দূর করতে বিদ্যালয়ে নির্ধারিত সৃষ্ট পদের অতিরিক্ত ২০ শতাংশ শিক্ষক নিয়োগ দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। বর্তমানে অতিরিক্ত শিক্ষক নিয়োগের জন্য ডিপিইতে প্রস্তাবনা তৈরির কাজ শুরু হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আকরাম আল হোসেন রোববার (১৮ আগস্ট) বলেন, ‘বিভিন্ন সময় ছুটিতে থাকায় অনেক শিক্ষক বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকেন। তাদের শূন্যতা পূরণ করা সম্ভব হচ্ছে না। সারাদেশে শিক্ষকদের সৃষ্ট পদের রাজস্ব খাতভুক্ত ২০ শতাংশ অতিরিক্ত শিক্ষক নিয়োগ দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘২০ শতাংশ হিসাবে অতিরিক্ত কতজন শিক্ষক নিয়োগ দেয়া প্রয়োজন সেটি উল্লেখ করে ডিপিইকে প্রস্তাবনা দিতে বলা হয়েছে। এ প্রস্তাবনা পাওয়ার পর সচিব কমিটিতে পাঠানো হবে। সেখানে অনুমোদন হলে অতিরিক্ত হিসেবে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সাধারণ নিয়োগের মাধ্যমে এসব শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে।’

সম্প্রতি জাতীয়করণসহ সারাদেশে মোট ৬৫ হাজার ৫৯৩টি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এসব বিদ্যালয়ে ৬৫ হাজার ১৭০ প্রধান শিক্ষক ও ৩ লাখ ৩৪ হাজার ৯৫৬ জন সহকারী শিক্ষকের পদ সৃজন থাকলেও সেখানে ৪৯ হাজার ২১৯ জন প্রধান শিক্ষক (চলতি দায়িত্বসহ) ও ৩ লাখ ৩৯ হাজার ৯৮ জন সহকারী শিক্ষক রয়েছেন। অতিরিক্ত ২০ শতাংশ নিয়োগের জন্য নতুন করে আরও ৬০ হাজারের বেশি শিক্ষক নিয়োগ পাবেন।

এডুকেশন বাংলা/




ঈদের ছুটিতেও পরিচ্ছন্ন অভিযান চালাতে হবে শিক্ষকদের

ঈদের ছুটিতে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ডেঙ্গু প্রতিরোধ কার্যক্রম চলবে। এ লক্ষ্যে প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে ৬ সদস্য করে একটি বা একাধিক টিক গঠন করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। ঈদের ছুটিতে প্রতি ৪৮ ঘণ্টা পরপর পরিচ্ছন্ন অভিযান চালাতে বলা হয়েছে এই টিমের সদস্যদের।

মঙ্গলবার রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত রাজধানীর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানদের এক সভায় এই নির্দেশনা দেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. সোহরাব হোসাইন। একই দিনে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত একটি পরিপত্র জারি করা হয়েছে।

সভায় সোহরাব হোসাইন বলেন, সারাদেশের প্রতিষ্ঠানে এই কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে হবে। কার্যক্রম সম্পর্কে নিয়মিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে প্রতিবেদন দেবে। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মককর্তা জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে প্রতিবেদন পাঠাবেন। জেলা থেকে সেই রিপোর্ট সরাসরি মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতরে (মাউশি) ডেঙ্গু প্রতিরোধ সেলে পাঠাতে হবে।

অনুষ্ঠানে নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা, কোথাও যাতে পানি না জমে সেদিকে নজর রাখাসহ অন্যান্য কার্যক্রম চলছে। কিন্তু ঈদের ছুটিতে যদি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এই কার্যক্রম অব্যাহত না রাখা হয় তাহলে ডেঙ্গু মশা বংশ বিস্তার করতে পারে। আর ডেঙ্গুর ডিম যেহেতু ৭২ ঘণ্টায় প্রজনন হয়, তাই ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বা একদিন পরপর এই পরিষ্কার কার্যক্রম অব্যাহত রাখা দরকার। সেই নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

অনুষ্ঠানে সোহরাব হোসাইন শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে বলেন, প্রতীকীভাবে আপনাদের সঙ্গে মতবিনিময় করা হচ্ছে। আসলে আপনাদের মাধ্যমে আমরা সারাদেশের প্রতিষ্ঠান প্রধান ও শিক্ষকদের সঙ্গেই কথা বলছি। আমাদের এই নির্দেশনা সারাদেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্যই প্রযোজ্য।

তিনি বলেন, প্রতি একদিন পরপর প্রতিষ্ঠানের খেলার মাঠ, ঝোপঝাড়, আশপাশ এলাকা এবং যেসব জায়গায় পানি জমতে পারে সেসব এলাকা চিহ্নিত করে পরিষ্কার করতে হবে। প্রয়োজনে হারপিক ব্যবহার করতে হবে বাথরুমে। ১৩ দিনের জন্য ঈদের ছুটি থাকবে। এই ছুটিতে প্রতিষ্ঠান একেবারে বন্ধ থাকতে পারবে না। কমপক্ষে ৬ জনের একটি টিম থাকবে। সেই টিম প্রতিষ্ঠানে ডেঙ্গু প্রতিরোধের কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কারিগরি ও মাদরাসা বিভাগের সচিব মো. মুনশী শাহাবুদ্দীন আহমেদ। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের (মাউশি) মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. এসএম গোলাম ফারুক এতে সভাপতিত্ব করেন। এছাড়া মাউশির পরিচালক অধ্যাপক শাহেদুল খবীর চৌধুরী বক্তৃতা করেন। সভার শুরুতে শিক্ষকদের পক্ষ থেকে ডেঙ্গু প্রতিরোধের ব্যাপারে মতামত গ্রহণ করা হয়। এ সময় মিরপুরের মডেল স্কুলের প্রধান শিক্ষক আনোয়ার হোসেন, মতিঝিল মডেল স্কুল ও কলেজের সিনিয়র শিক্ষক আবুল কাসেম প্রমুখ।

উল্লেখ্য, ডেঙ্গুু প্রতিরোধ কার্যক্রমের জন্য মাউশিতে একটি সেল গঠন করা হয়েছে। এতে একজন উপপরিচালক সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করছেন। ডেঙ্গু প্রতিরোধ কার্যক্রমে একজন মাউশির পরিচালক (প্রশিক্ষণ) অধ্যাপক প্রবীর কুমার ভট্টাচার্যকে ফোকাল পয়েন্ট নিযুক্ত করা হয়েছে। এ ব্যাপারে সার্বক্ষণিক কাজ করছেন তিনি।

এডুকেশন বাংলা/




স্কুল-কলেজ শিক্ষকদের জুলাইয়ের এমপিওর চেক ছাড় (ঈদ বোনাসসহ )

স্কুল-কলেজ শিক্ষকদের জুলাইয়ের এমপিওর চেক ছাড় (ঈদ বোনাসসহ )

 

বেতনের স্মারক নম্বর: ৩৭.০২.০০০০.১০২.৩৭.০০৪.২০১৯/৬২৪৬/০৪

বোনাসের স্মারক নম্বর: ৩৭.০২.০০০০.১০২.৩৭.০০৪.২০১৯/৬২৬৫/০৪

 

বেসরকারি স্কুল-কলেজের এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দের জুলাই মাসের এমপিও ও ঈদুল আযহার উৎসব ভাতার চেক বৃহস্পতিবার (১ আগস্ট) ছাড় হয়েছে।

 

উল্লেখ্য , ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দের ৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি যুক্ত করে শিক্ষকদের জুলাই মাসের বেতন ছাড় করা হয়েছে ।

 

৮ আগস্ট পর্যন্ত নিজ নিজ ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে বেতন-ভাতার সরকারি অংশ তুলতে পারবেন।

 

 




জুলাইয়ের এমপিওর চেক ছাড় মাদরাসা শিক্ষকদের

জুলাইয়ের এমপিওর চেক ছাড় মাদরাসা শিক্ষকদের

স্মারক নম্বর ৫৭.২৫.০০০০.০০২.০৮.০০৪.১৯-৩২২

২০১৯ খ্রিষ্টাব্দের জুলাই মাসের এমপিওর চেক ছাড় হয়েছে। বুধবার (৩১ জুলাই) অনুদান বণ্টনকারী রাষ্ট্রায়াত্ত চারটি ব্যাংকে চেক পাঠানো হয়েছে। শিক্ষক-কর্মচারীরা আগামী ৬ আগস্ট পর্যন্ত বেতন-ভাতার সরকারি অংশের টাকা তুলতে পারবেন।

উল্লেখ্য, ৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি যুক্ত করে মাদরাসা শিক্ষকদের জুলাই মাসের বেতন ছাড় করা হয়েছে।




এইচএসসির ফল প্রকাশ: পাসের হার ৭৩.৯৩%, জিপিএ-৫- ৪৭ হাজার ২৮৬ জন

২০১৯ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এবার পাসের হার ৭৩.৯৩% শতাংশ।  সর্বমোট জিপিএ-৫- পেয়েছে ৪৭ হাজার ২৮৬ জন। গত বছর গড় পাসের হার ছিল ৬৬ দশমিক ৬৪ শতাংশ। সে হিসাবে এবার পাসের হার বেড়েছে ৭ দশমিক ২৯ শতাংশ। গতবার পেয়েছিলেন ২৯ হাজার ২৬২ জন। অর্থাৎ গতবারের চেয়ে এবার জিপিএ-৫ বেড়েছে ১৮ হাজার ৩২৪ জন। বুধবার (১৭ জুলাই) সকাল ১০টার দিকে গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে শিক্ষাবোর্ডগুলোর ফলাফল হস্তান্তর করেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

সকল বোর্ডের চেয়ারম্যানরা সেখানে উপস্থিত ছিলেন। তারাও পৃথকভাবে প্রধানমন্ত্রীর কাছে ফলাফল হস্তান্তর করেন।  এবার মাদ্রাসা বোর্ডে পাশের হার ৮৮.৫৬ শতাংশ, গত বছর পাসের হার ছিল ৭৮ দশমিক ৬৭ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ২হাজার ২৪৩ জন। গত বছর পাসের হার ছিল ৭৮ দশমিক ৬৭ শতাংশ। কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে পাশের হার ৮২.৬২ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ হাজার ২৩৬ জন। গত বছর পাসের হার ছিল হার ৭৫ দশমিক ৫০ শতাংশ।। এ বছর কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার বেড়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, এবারের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পরীক্ষার্থী ছিল ১৩ লাখ ৩৬ হাজার ৫০৫ জন। এর মধ্যে ৮টি সাধারণ বোর্ডের অধীনে এইচএসসি পরীক্ষার্থী ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৫৫০ জন। এছাড়া মাদ্রাসার আলিমে ৮৮ হাজার ৪৫১ এবং কারিগরিতে (বিএম) ১ লাখ ২৪ হাজার ২৬৪ পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। যা গত বছরের তুলনায় ৬৯হাজার ৭শ ৪৮জন বেশি।

আজ দুপুর ১টায় সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত ফলাফল জানাবেন শিক্ষামন্ত্রী। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা  এ তথ্য জানান।

এডুকেশন বাংলা/




যেভাবে এইচএসসির ফল পুনঃনিরীক্ষার আবেদন করতে হবে

চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হবে আজ বুধবার। বেলা ১টায় আনুষ্ঠানিকভাবে শিক্ষার্থীরা মোবাইলের এসএমএস ও অনলাইনের মাধ্যমে ফল জানতে পারবেন। ফলাফলে যেসব শিক্ষার্থীরা সন্তুষ্ট হবেন না তারা ফল পুনঃনিরীক্ষার আবেদন করতে পারবেন।

রাষ্ট্রায়ত্ত মোবাইল অপারেটর টেলিটক থেকে আগামী ১৮ থেকে ২৪ জুলাই পর্যন্ত এইচএসসি ও সমমানের ফল পুনঃনিরীক্ষার আবেদন করা যাবে।

ফল পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন করতে RSC লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে বিষয় কোড লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠাতে হবে।

ফিরতি এসএমএসে ফি বাবদ কত টাকা কেটে নেওয়া হবে তা জানিয়ে একটি পিন নম্বর (পার্সোনাল আইডেন্টিফিকেশন নম্বর-PIN) দেওয়া হবে।

আবেদনে সম্মত থাকলে RSC লিখে স্পেস দিয়ে YES লিখে স্পেস দিয়ে পিন নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে যোগাযোগের জন্য একটি মোবাইল নম্বর লিখে ১৬২২২ নম্বরে এসএমএস পাঠাতে হবে। প্রতিটি বিষয় ও প্রতি পত্রের জন্য দেড়শ’ টাকা হারে চার্জ কাটা হবে।

যে সব বিষয়ের দুটি পত্র (প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র) রয়েছে যে সব বিষয়ের ফল পুনঃনিরীক্ষার আবেদন করলে দুটি পত্রের জন্য মোট ৩০০ টাকা ফি কাটা হবে।

একই এসএমএসে একাধিক বিষয়ের আবেদন করা যাবে, এক্ষেত্রে বিষয় কোড পর্যায়ক্রমে ‘কমা’ দিয়ে লিখতে হবে।

এডুকেশন বাংলা/




কারিগরিতে পাশ ৮২ দশমিক ৬২% জিপিএ-৫- ৩ হাজার ২৩৬ জন

এইচএসসিতে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে এবছর পাসের হার ৮২ দশমিক ৬২ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ হাজার ২৩৬ জন। গত বছর পাসের হার ছিল হার ৭৫ দশমিক ৫০ শতাংশ।। এ বছর কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার বেড়েছে।

বুধবার (১৭ জুলাই) সকালে গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে ফলাফলের অনুলিপি তুলে দেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। পরে দুপুরে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভা কক্ষে সংবাদ সম্মেলন করে ফলের কিছু তথ্য তুলে ধরেন তিনি।

কারিগরি শিক্ষা বোর্ড থেকে এ বছর ১ লাখ ২৪ হাজার ২৬৪ জন শিক্ষার্থী উচ্চ মাধ্যমিক সমমানের পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে ছাত্র ৪১ হাজার ৫০৪ জন এবং ছাত্রী ৮২ হাজার ৭৬০ জন।

 

এডুকেশন বাংলা




সবার আগে এইচ এইচ সি পরীক্ষার ফলাফল ২০১৯ পাবেন যেভাবে

এইচ এস সি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ ১৭ জুলাই 

বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন –

 

এইচ এস সি পরীক্ষার ফলাফল যেভাবে পাবেন ক্লিক করুন –




শুক্রবার বাউবির বিএ-বিএসএস পরীক্ষা শুরু

বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় (বাউবি) পরিচালিত ব্যাচেলর অব আর্টস (বিএ) ও ব্যাচেলর অব সোশ্যাল সায়েন্স (বিএসএস) ২০১৮ সালের পরীক্ষা আগামী ১২ জুলাই (শুক্রবার) থেকে শুরু হচ্ছে।

দেশের বিভিন্ন কলেজে ২৭৩টি পরীক্ষা কেন্দ্রে সেমিস্টার ভিত্তিক এ পরীক্ষায় সর্বমোট ৩ লাখ ৭৭ হাজার ৪৫ জন শিক্ষার্থী অংশ নিচ্ছেন।

নির্ধারিত রুটিন অনুযায়ী চলতি বছরের ১৮ অক্টোবর পরীক্ষা শেষ হবে। শুক্রবার ও শনিবার সকাল ও বিকেলে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার এবং তথ্য ও গণসংযোগ বিভাগের পরিচালক ড. মহা. শফিকুল আলম এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।




৫৮ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিষয় খোলার বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা

৫৮টি বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিষয় খোলার বিষয়ে মন্ত্রণালয় নির্দেশনা প্রদান করেছে। গতকাল ৯ জুলাই মঙ্গলবার এবিষয়ে একটি নির্দেশনা জারি করে মন্ত্রণালয়।

বিস্তারিত:

http://www.educationbangla.com/media/PhotoGallery/2019March/217-120190709143040.jpg

http://www.educationbangla.com/media/PhotoGallery/2019March/217-220190709143122.jpg

 http://www.educationbangla.com/media/PhotoGallery/2019March/217-320190709143231.jpg

এডুকেশন বাংলা/




আজ থেকে উপবৃত্তির টাকা বিকাশ অ্যাকাউন্টে পাঠানো হবে

আজ (৮ জুলাই) থেকে শিক্ষার্থীদের জুলাই-ডিসেম্বর কিস্তির উপবৃত্তির টাকা বিকাশ অ্যাকাউন্টে পাঠানো শুরু হচ্ছে। আগামী ১৪ জুলাইয়ের মধ্যে টাকা ৯টি অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের টাকা বিকাশ অ্যাকাউন্টে পাঠানো হবে। রোববার (৭ জুলাই) মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের জারি করা এক আদেশে তথ্য জানা যায়।

আজ ৮ জুলাই এবং ৯ জুলাই চট্টগ্রাম অঞ্চলের, আগামী ১০ ও ১১ জুলাই ঢাকা অঞ্চলের, ১১ ও ১২ জুলাই রাজশাহী অঞ্চলের, ১২ জুলাই খুলনা অঞ্চলের, ১৩ জুলাই বরিশাল ও সিলেট অঞ্চলের এবং ১৪ জুলাই রংপুর অঞ্চলের উপবৃত্তির টাকা শিক্ষার্থীদের বিকাশ একাউন্টে পাঠাবে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর।




১৭ জুলাই এইচএসসির ফল প্রকাশ

উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে আগামী ১৭ জুলাই। ঢাকা শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক সোমবার এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

রেওয়াজ অনুযায়ী ওইদিন সকাল ১০টার দিকে গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে ফলের অনুলিপি তুলে দেবেন শিক্ষামন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট বোর্ড প্রধানরা। পরে সংবাদ সম্মেলন করে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।

এ বছর এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয় গত ১ এপ্রিল। আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা ও কারিগরি বোর্ড মিলিয়ে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১৩ লাখ ৫১ হাজার ৩০৯ জন।

এর মধ্যে আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৫৫০ জন, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে ৭৮ হাজার ৪৫১ জন এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ১ লাখ ২৪ হাজার ২৬৫ জন। মোট কেন্দ্র সংখ্যা ২ হাজার ৫৮০টি। পরীক্ষা শেষ হয় ১২ মে। আর ১২ থেকে ২১ মের মধ্যে হয় ব্যবহারিক পরীক্ষা।




২০২০ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষার সময়সূচি

২০২০ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে।

 

বিস্তারিত জানার জন্য –

 

২০২০ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষার সময়সূচি দেখতে এখানে ক্লিক করুন – 




জেএসসি পরীক্ষা শুরু ২ নভেম্বর,

আগামী ২ নভেম্বর থেকে ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দের জেএসসি পরীক্ষা শুরু হবে। ১১ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে এ পরীক্ষা। আজ বুধবার (৩ জুলাই) জেএসসি পরীক্ষার প্রস্তাবিত সূচি অনুমোদন করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত আদেশ জারি করা হয়।

 




দ্রুত ঘুমিয়ে পড়ার টিপস!

রাতে বিছানায় শুয়ে এপাশ-ওপাশ করেন? যতই চেষ্টা করুন না কেন কিছুতেই দু’চোখের পাতা এক করতে পারছেন না।তাদের জানা দরকার, মাত্র এক মিনিটেই ঘুমিয়ে পড়া যায়।না কোনো ম্যাজিক নয়, এমনটাই হতে পারে বলে দাবি করেছেন মার্কিন গবেষকরা।
আমেরিকান সাইকোলজিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের গবেষকদের দাবি, দৈনন্দিন জীবনে স্ট্রেস ও ইনসোমনিয়ার গলায় গলায় বন্ধুত্ব! একটা থাকলে অন্যটা নাকি এসে যাবেই আপনার জীবনে। আর রাতে ঘুম না আসার পিছনে নাকি যাবতীয় দায় ওই স্ট্রেস-এর। তবে ঘুমাবেন কী করে? তা-ও আবার এক মিনিটে! এক মিনিটে ঘুমানোর জন্য শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম করা প্রয়োজন। কী ভাবে? জেনে নিন তা—
প্রথমে জিভের ডগাটা রাখুন সামনের দাঁতের সারির মাংসল জায়গায়। পুরো ব্যায়ামের সময় জিভ সেখানেই থাকবে।
এ বার বেশ জোরে ‘হুশশশ’শব্দ করে মুখ দিয়ে নিঃশ্বাস ছাড়ুন।
এ বার মুখ বন্ধ করে আস্তে আস্তে নাক দিয়ে নিঃশ্বাস নিন। এ সময় মনে মনে এক থেকে চার গুনুন।
শ্বাস ধরে রেখে এক থেকে সাত গুনতে শুরু করুন।
আট গুনে শ্বাস পুরোপুরি ছেড়ে দিন। একই ভাবে ‘হুশশশ’ শব্দ করে শ্বাস ছাড়তে থাকুন।
এটা হলো প্রথম বারের ব্যায়াম।এ ভাবেই মোট চার বার ব্যায়ামটা করুন।
গবেষকদের দাবি, এতে স্ট্রেস কমবে।ফলে ঘুমও আসবে তাড়াতাড়ি। মাত্র এক মিনিটেই!



পরীক্ষায় ভালো করার উপায়

ছাত্র জীবনে পরীক্ষাকে ভয় পায়নি এমন সাহসী ছাত্রছাত্রী খোঁজে পাওয়া ভার। পরীক্ষা ছাড়া ছাত্র জীবন শুধুই আনন্দ আর সুখময়! কথায় আছে, ছাত্র জীবন সুখের জীবন, যদি না থাকে এক্সামিনেশন। আর এই পরীক্ষার ভয়ে কত দূর্বল ছাত্র পড়াশুনা থেকে অসময়ে ঝরে গেছে তার শেষ নেই। কলেজে যাওয়া, আড্ডাবাজি আর ঘুরাঘুরি সবারই খুব ভালো লাগে কিন্তু সব আনন্দের মাঝে শুধু পরীক্ষা এসে বাগড়া বাধায়। তাই এই পরীক্ষার ভয় দূর করার জন্য রয়েছে বিশেষজ্ঞ শিক্ষকদের ৯টি দারুণ পরামর্শ। এসব দিকনির্দেশনা অনুসরণ করে নিয়মিত পড়াশুনা করলে পরীক্ষায় ভাল ফল আসবেই, সেই সাথে সমস্ত দুশ্চিন্তা মাথা থেকে পালাবে।

১. বিশেষ অংশ এবং পরিকল্পনায় রঙিন কোড করুনঃ
লেখা-পড়ার অন্যতম কার্যকর ১ টি উপায় এটি। পড়ার কাজটি কীভাবে চালিয়ে যাবেন তার ১ টি পরিকল্পনা নিশ্চয়ই থাকে। এই অংশটিসহ নোটের গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলো রঙিন মার্কার দিয়ে চিহ্নিত করে রাখুন। ভিন্ন ধরনের অংশের জন্য বিভিন্ন রঙ ব্যবহার করা বুদ্ধিমানের কাজ। যেমন- কুইজের অংশ গোলাপি, বিভিন্ন টেস্ট হালকা সবুজ, আন্ডার লাইনে অংশ হালকা নীল ইত্যাদি। এই কালার কোড সিস্টেম গুছিয়ে লেখা-পড়া চালিয়ে যাওয়ার কার্যকর একটি উপায়।

২. সময় বের করুনঃ
সেমিস্টারের আগের রাতে সব পড়ে শেষ করা অসম্ভব ব্যাপার। তাই বেশ কিছু দিন সময় বের করে রাখুন। অল্প সময়ের মধ্যে পড়ে পরীক্ষার ঝামেলা মেটানো যায়। কিন্তু সে পড়ায় শেখা হয় না। ফলে ভবিষ্যতে বিপদে পড়তে হবে। তাই বেশ কিছু দিন হাতে নিয়ে হালকা মেজাজে পড়লেও শিখতে পারবেন। এতে পরীক্ষা হয়ে আসবে আরো সহজ, এবং অনেক ভাল।

৩. শিক্ষকদের সাথে দেখা করুনঃ
আপনার শিক্ষক কখনোই আপনাকে ফিরিয়ে দেবেন না। তাদের কয়েকজন ভীতিকর হতে পারেন। কিন্তু সবকিছুর শেষে তিনিই আপনার শিক্ষক। শেখা বা পরামর্শ নিতে তার কাছে গেলে তিনি তার শিক্ষার্থীকে বহু যত্নে শিখিয়ে দেবেন। আপনার সমস্যা মেটাতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন যেকোনো শিক্ষক। কাজেই পরীক্ষা বিষয়ে পরামর্শ পেতে শিক্ষকদের দ্বারস্থ হন। তাহলেই ভাল রেজাল্ট করা সম্ভম।

৪. বইয়ে কি-পয়েন্ট হাইলাইট করুনঃ
অনেক ধরনের পরীক্ষা রয়েছে সেখানে বই দেখে পরীক্ষা দেওয়া যায়। এসব ক্ষেত্রে বইয়ের কি-পয়েন্টগুলো হাইলাইট করে নিন। আর বই দেখার সুযোগ না থাকলেও পড়াশোনার সুবিধার জন্য নিজের বইয়ের গুরুত্বপূর্ণ অংশ মার্কার দিয়ে হাইলাইট করে রাখুন। সেগুলো বারবার দেখে নিতে সুবিধা হবে।

৫. স্লাইড শো বানিয়ে পড়াশুনা করুনঃ
ডিজিটাল পদ্ধতিতে লেখাপড়া করুন। বিশেষ নোটগুলোকে কম্পিউটারে স্লাইড শো বানিয়ে পড়ুন। এতে মনে ভালোমতো ঢুকে যাবে সবকিছু।

৬. নিজের পরিকল্পনা বানিয়ে পড়াশুনা করুনঃ
পড়াশোনাকে দারুণ কার্যকর করতে হলে পরিকল্পনা দরকার। পড়াশোনার, বিষয় আর পড়ার পদ্ধতি সবকিছু নিয়ে সময়সূচি করে নিন। তারপর সেই সময় অনুযায়ী পড়াশোনা চালিয়ে যান।

৭. নিজের পরীক্ষা নিজেই দিনঃ
প্রতিষ্ঠানের পরীক্ষার মতো করে বন্ধুরা একসাতে বা আপনি একাই পরীক্ষা দিতে পারেন। এতে মূল পরীক্ষা নিয়ে যতো অজানা আশঙ্কা কেটে যাবে আপনার। অধিকাংশ যে ক্ষেত্রে দেখা গেছে এসব পরীক্ষামূলক পরীক্ষা মূল পরীক্ষার কাছাকাছি হয়ে থাকে।

৮. একই পড়া কয়েকবার পড়ুনঃ
কয়েকবার করে দেখে নিন। এতে মাথায় বসে যাবে সবকিছু। নোটের বিশেষ পয়েন্টগুলোতে চোখ বুলিয়ে নিন। বারবার মুখস্থ করতে হবে না। হাইলাট করা অংশগুলোতেও চোখ দিন। একবার মুখস্থ করে কয়েকবার শুধু দেখলেই তা ঠোঁটস্থ হয়ে যাবে।

৯. গড়িমসি করবেন নাঃ
যা পড়তে হবেই তা পড়ছি পড়বো বলে ফেলে রাখবেন না। অন্তত পরীক্ষা এগিয়ে এলে এমনটি করার সুযোগ নেই। এ কাজটির জন্যই পরীক্ষার আগের রাতে মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ে। কাজেই অল্প-বেশি পড়ার কাজ চালিয়ে যান। দেখবেন, পরীক্ষা আগ দিয়ে প্রায় সব প্রস্তুতি গুছিয়ে এনেছেন আপনি।




স্কুলে ক্লাস বাড়াতে ছুটি কমানোর পরিকল্পনা সরকারের

বছরে স্কুলে ক্লাস হয় মাত্র দেড়শ দিন। বাকি সময় উৎসব, সাপ্তাহিক ছুটি ও পরীক্ষার কারণে বন্ধ থাকে। ফলে সিলেবাস শেষ করতে হিমশিম খেতে হয়, অভিযোগ সংশ্লিষ্টদের। এ কারণে ছুটি কমিয়ে আনার পরিকল্পনা করছে সরকার।

নিয়ম অনুযায়ী, সপ্তাহে ৬ দিন ক্লাস হওয়ার কথা। কিন্তু এখনও অনেক বেসরকারি স্কুল ও মাদ্রাসায় ৫দিন ক্লাস নিয়ে দুই দিন সাপ্তাহিক ছুটি কাটায়। সেই সাথে বিভিন্ন উৎসব, দিবস, গ্রীষ্ম ও শরৎকালীন ছুটি উপলক্ষে বন্ধ থাকে ৮৫ দিন। আর পরীক্ষার ছুটি আছে ৩৬ দিন। এছাড়া পিইসি, জেএসসি, এসএসসি, এইচএসসি পরীক্ষায় অনেক প্রতিষ্ঠান গড়ে দুই মাস বন্ধ থাকে।

উদয়ন স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ উম্মে সালেমা বেগম বলেন, ছুটির কারণে অনেক সময়ই আমরা সিলেবাস শেষ করতে পারি না। তাই কিছুটা সমস্যাও হয়।

অভিভাবকরা বলছেন, ক্লাসে সিলেবাস শেষ না হওয়ায় কোচিং করাতে বাধ্য হয় শিক্ষার্থীরা। অভিভাবক ঐক্য ফোরামের সভাপতি জিয়াউল কবির দুলু বলেন, এমনিতেই অনেক শিক্ষক কোচিং করাতে বাধ্য করে। তার ওপর এই ছুটির কারণে আমরাও কোচিংয়ে পাঠাতে বাধ্য হই।

শিক্ষাবিদরা বলছেন, ক্লাস রুটিন এমনভাবে করতে হবে শিক্ষার্থীরা যেন প্রতিষ্ঠানেই বিষয়গুলো ভালভাবে বুঝতে পারে। সেজন্য ছুটির ফাঁদ থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে বের করতে হবে। সেই নিয়মতি ক্লাস যাতে হয় সেজন্য সার্বক্ষনিক নজরদারির পরামর্শ তাদের। শিক্ষা মন্ত্রণালয় বলছে, ছুটি কমাতে পরীক্ষা নেয়ার জন্য জেলা এবং উপজেলা পর্যায়ে আলাদা কেন্দ্র করা হবে।

কোনো প্রতিষ্ঠান সাপ্তাহিক ছুটি বেশি কাটাচ্ছে কিনা সেদিকেও নজরদারি করা হবে বলে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।

এডুকেশন বাংলা/




প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের ফল প্রকাশ চার ধাপে

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার ফল চার ধাপে প্রকাশ করা হবে। আগামী জুলাই মাসের শেষ দিকে প্রথম ধাপের লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশ করার চিন্তা-ভাবনা করছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

জুলাই থেকে আগস্টের মধ্যে চার ধাপে ৬১ জেলার ফল দেয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক নিয়োগ পরীক্ষায় দায়িত্বরত প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত এক সচিব সোমবার বলেন, নিয়োগ পরীক্ষা শুরু করতে বিলম্ব হলেও দ্রুত ফল প্রকাশ করা হবে। সম্প্রতি শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার কেন্দ্রীয় কমিটির সভায় এমন সিদ্ধান্ত হয়। আগামী জুলাই মাসের শেষ দিকে প্রথম ধাপের ফল প্রকাশ করা হবে।
পরবর্তী ১৫ দিন পরপর পর্যায়ক্রমে পরবর্তী ধাপের ফল প্রকাশ করা হতে পারে। যখন যে ধাপের ফল প্রকাশ হবে পরবর্তী ১৫ দিনের মধ্যে সে জেলাগুলোতে মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। তবে চূড়ান্ত ফল একসঙ্গে প্রকাশ করা হবে বলেও জানান এ কর্মকর্তা।

জানা গেছে, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষার প্রথম ধাপে ২৪ মে ও দ্বিতীয় ধাপে ৩১ অনুষ্ঠিত হয়। তৃতীয় ধাপের পরীক্ষা ২১ জুন এবং চতুর্থ ধাপের পরীক্ষা ২৮ জুন হওয়ার কথা রয়েছে।

চার ধাপে শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশের বিষয়টি নিশ্চিত করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আকরাম আল হোসেন বলেন, ‘জুলাই মাসের শেষ দিকে প্রথম ধাপের ফল প্রকাশ করার প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে। পরবর্তী ১৫ দিন পরপর পরবর্তী ধাপের ফল প্রকাশ করা হতে পারে। এরপর পর্যায়ক্রমে মৌখিক পরীক্ষা নেয়া হবে।’ অক্টোবরে মধ্যে নিয়োগ পরীক্ষার চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হতে পারে বলেও জানান সচিব।

গত বছরের ৩০ জুলাই ‘সহকারী শিক্ষক’ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। গত ১ থেকে ৩০ আগস্ট পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন কার্যক্রম শেষ হয়। ১২ হাজার আসনের বিপরীতে সারাদেশ থেকে মোট ২৪ লাখ ৫ জন প্রার্থী আবেদন করেন। সে হিসাবে প্রতি আসনে লড়ছেন ২০০ জন।

এডুকেশন বাংলা




প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আসছে ডিজিটাল হাজিরা

শিক্ষকদের বিদ্যালয়ে উপস্থিতি শতভাগ নিশ্চিত করতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চালু করা হচ্ছে `বায়োমেট্রিক হাজিরা`। যন্ত্রের সাহায্যে আঙুলের ছাপের মাধ্যমে বিদ্যালয়ে শিক্ষকদের হাজিরা নিশ্চিত করা হবে। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তারা মনিটরিং করবেন এ হাজিরার বিষয়টি। চলতি মাসের মধ্যে দেশের প্রতিটি বিদ্যালয়ে হাজিরা যন্ত্র (ডিভাইস) বসাতে হবে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জানা গেছে এ তথ্য।

বর্তমানে ৬৫ হাজার ৬০১টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে দেশে। এগুলোতে শিক্ষক-শিক্ষিকা রয়েছেন তিন লাখ ২২ হাজার ৭৬৬ জন। তাদের প্রত্যেককে এই ডিজিটাল হাজিরার আওতায় আনা হচ্ছে। প্রাথমিক শিক্ষকদের সকাল ৯টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিদ্যালয়ে বাধ্যতামূলকভাবে উপস্থিত থাকতে হয়।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আকরাম আল হোসেন বলেন, `আমরা শিক্ষকদের দায়িত্বশীলতা ও জবাবদিহির মধ্যে এনে বিদ্যালয়ে শতভাগ পাঠদান নিশ্চিত করতে চাই। এ জন্য এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। স্লিপের টাকা থেকে স্কুল কর্তৃপক্ষই ডিভাইস কিনবে। তারা নিজ নিজ বিদ্যালয়ে তা বসাবেন। উপজেলা পর্যায়ের শিক্ষা কর্মকর্তারা এটি দেখভাল করবেন।` তিনি বলেন, `অনেক উপজেলায় এরই মধ্যে ডিভাইসটি কেনা হয়েছে, অনেক উপজেলায় কেনা হচ্ছে। এটি বসানোর মাধ্যমে নিশ্চিত হবে যে কবে কোন তারিখে কোন শিক্ষক বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত ছিলেন। কোন শিক্ষক বিলম্বে বিদ্যালয়ে হাজির হন, সেটিও জানা যাবে। সামগ্রিকভাবে প্রাথমিক শিক্ষার ক্ষেত্রে এ সিদ্ধান্ত ইতিবাচক ফল বয়ে আনবে।`

মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মৌসুমভেদে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বিদ্যালয়ে উপস্থিতি নিয়ে নানা প্রশ্ন ওঠে। হাওর অঞ্চলে ধান কাটার সময় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষক বিদ্যালয়ে গরহাজির থাকেন। আবার পার্বত্য অঞ্চলে জুমচাষের সিজনে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর উপস্থিতি কমে যায় বিদ্যালয়ে। এর বাইরে সামগ্রিকভাবে সারাদেশে অনেক শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তারা বিদ্যালয়ে এসে হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করে চলে যান। অনেকে দপ্তরির মাধ্যমে হাজিরা খাতা বাড়িতে এনে সই করেন। অনেকে আবার দিনের পর দিন বিদ্যালয়ে না গিয়ে ভাড়া করা শিক্ষকদের মাধ্যমে প্রক্সি দিয়ে (প্যারা শিক্ষক বলা হয়) ক্লাস করিয়ে থাকেন। এসব অনিয়ম বন্ধ করতেই মূলত বায়োমেট্রিক হাজিরা চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সূত্র জানায়, গত মার্চে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। এর পর ২৮ এপ্রিল প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে চিঠি দিয়ে সব জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের তা জানিয়ে দেওয়া হয়। অধিদপ্তরের পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) মো. এনামুল কাদের খান স্বাক্ষরিত ওই চিঠিতে সব প্রাথমিক বিদ্যালয়কে তাদের স্লিপ (School Level Improvement Plan- বিদ্যালয় পর্যায়ে উন্নয়ন পরিকল্পনা) ফান্ড থেকে ২০১৮-১৯ অর্থবছরের মধ্যে এই বায়োমেট্রিক হাজিরা মেশিন কেনার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়। বিদ্যালয়গুলো নিজ নিজ দায়িত্বে এই মেশিন আগামী জুনের মধ্যেই কিনবে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. গিয়াস উদ্দিন বলেন, `প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মচারীদের যথাসময়ে আগমন ও প্রস্থান নিশ্চিত করতেই বায়োমেট্রিক হাজিরা। এর অন্যতম সুবিধা হলো- উপজেলা শিক্ষা অফিসে বসেই অনলাইনে শিক্ষক-কর্মচারীদের যথাসময়ে বিদ্যালয়ে উপস্থিতি মনিটর করা যাবে।`

 

সৌজন্যে: সমকাল




সকল ছুটির তালিকা :

সকল ছুটির তালিকা :

১।  প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছুটির তালিকা ২০১৯

২। সরকারী/বে-সরকারী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ছুটির তালিকা ২০১৯

৩। মাদ্ রাসার ছুটির তালিকা ২০১৯

৪। সরকারী/বে-সরকারী কলেজের ছুটির তালিকা ২০১৯

৫। সরকারী টিচার্স  ট্রেনিং কলেজের ছুটির তালিকা ২০১৯