প্রাথমিক বৃত্তির ফল প্রকাশ

image_pdfimage_print

প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা-২০১৭ এর ফলাফলের উপর ভিত্তি করে বৃত্তিপ্রাপ্তদের নাম ঘোষণা করেছে সরকার।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান মঙ্গলবার (৩ এপ্রিল) সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বৃত্তির ফল ঘোষণা করেন।

ট্যালেন্টপুলে বৃত্তিপ্রাপ্তরা মাসে ৩০০ টাকা করে এবং সাধারণ কোটায় বৃত্তিপ্রাপ্তরা মাসে ২২৫ টাকা করে পাবে।

বৃত্তিপ্রাপ্তদের তালিকা প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে www.dpe.gov.bd  তে পাওয়া যাবে।

ফলাফল পাইতে এখানে ক্লিক করুন – প্রাথমিক শিক্ষা বৃত্তি ফলাফল ২০১৭

 

গণশিক্ষা মন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার মাধ্যমে পূর্বে ৫৫ হাজার শিক্ষার্থীদের মাঝে মেধার ভিত্তিতে বৃত্তি দেয়া হতো। ২০১৫ খ্রিস্টাব্দ থেকে এ সংখ্যা বাড়িয়ে ৮২ হাজার ৫০০ করা হয়েছে। এবার মেধা কোটায় ( ট্যালেন্টপুল) বৃত্তি পাবে ৩৩ হাজার শিক্ষার্থী, যা পূর্বে ছিল ২২ হাজার। সাধারণ কোটায় পাবে ৪৯ হাজার ৫০০ জন পূর্বে পেতো ৩৩ হাজার শিক্ষার্থী। যারা সমাপনী পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে বৃত্তি পাবে তারা ৮ম শ্রেণি পর্যন্ত এই বৃত্তি পাবে।

মোস্তাফিজুর রহমান,বর্তমানে ট্যালেন্টপুল বৃত্তি ৩৩ হাজার। প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় উপজেলায় অংশগ্রহনকারী শিক্ষার্থীর সংখ্যার অনুপাতে সমান সংখ্যক ছাত্র ও ছাত্রীকে এ বৃত্তি বণ্টন করা হয়। সাধারণ কোটায় বৃত্তির সংখ্যা ৪৯ হাজার ৫০০। সেই হিসেবে মোট ৭ হাজার ৯৭০ টি ইউনিয়ন/ পৌরসভার ওয়ার্ডে প্রতিটিতে ৬টি (৩ জন ছাত্র ও ৩ জন ছাত্রী ) সাধারণ বৃত্তি হিসাবে ৪৭ হাজার ৮২০ টি সাধারণ বৃত্তি প্রদান করা হয়েছে। অবশিষ্ট ১৬৮০ টি বৃত্তি হতে প্রতিটি  উপজেলা/থানা হতে আরো ৩টি (১ জন ছাত্র, ১ জন ছাত্রী ও ১ জন উপজেলা মেধার ভিত্তিতে) করে ৫০৯টি উপজেলা/থানায় মোট ১৫২৭ টি সাধারণ বৃত্তি প্রদান করা হয়েছে। বাকি ১৫৩ টি সাধারণ বৃত্তি হতে প্রতিটি জেলায় আরো ২টি ( ১ জন ছাত্র ও ১ জন ছাত্রী) করে ৬৪টি জেলায় আরও ১২৮ টি বৃত্তি বণ্টন করা হয়েছে বলে জানান গণশিক্ষা মন্ত্রী।

 

ঝরে পড়া রোধ, শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি বৃদ্ধি, শিক্ষার্থীদের মেধার স্বীকৃতি স্বরূপ প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় ভাল ফলাফলের ভিত্তিতে বৃত্তি প্রদান করা হয়।

আগে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের বৃত্তি দেয়ার জন্য আলাদা পরীক্ষা নেয়া হতো। ২০১০ খ্রিস্টাব্দ থেকে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের মধ্য থেকে উপজেলা/ওয়ার্ড ভিত্তিক বৃত্তি দেয়া হচ্ছে।

এবার বৃত্তি প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা বৃদ্ধির পাশাপাশি বৃত্তির অর্থের পরিমাণও বাড়ানো হয়েছে।  পঞ্চম শ্রেণিতে বৃত্তি পেলে ৬ষ্ঠ, ৭ম ও ৮ম এই তিন শ্রেণি পর্যন্ত বৃত্তির টাকা ছাড়াও বিনা বেতনে অধ্যয়নের সুযোগ পাবে। বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে টিউশন ফি নেয়া শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

জানা যায়, গত বছর প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষার ফলের ওপর ভিত্তি করে ৮২ হাজার ৫০০ জনকে বৃত্তি দেওয়া হয়। এর মধ্যে মেধা কোটায় (ট্যালেন্টপুল) ৩৩ হাজার এবং সাধারণ কোটায় বৃত্তি পায় সাড়ে ৪৯ হাজার শিক্ষার্থী। মেধা কোটায় বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা মাসে ৩০০ টাকা এবং সাধারণ কোটায় বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা মাসে ২২৫ টাকা করে পেয়ে আসছে।

সূত্র : দৈনিক শিক্ষা

Print Friendly, PDF & Email

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Please wait...

Subscribe to our Site

Want to be notified when our article is published? Enter your email address and name below to be the first to know.