৩০ নভেম্বরের মধ্যে কর বিবরণী না দিলে বেতনভাতা বন্ধ

image_pdfimage_print

সরকারি, আধাসরকারি বা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের আগামী ৩০ নভেম্বরের মধ্যে কর বিবরণী জমার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তা না হলে সময় বাড়ানোর জন্য আবেদন করতে হবে। কিন্তু দুটির একটিও না করলে স্বয়ংক্রিয়ভাবেই বন্ধ হয়ে যাবে ওই কর্মচারীর বেতনভাতা। এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক্সপেনডিচার ম্যানেজমেন্ট ডিপার্টমেন্ট-১ (ইনকাম ট্যাক্স অ্যাসেসমেন্টট সেল) এক অফিস আদেশ জারি করেছে। ওই আদেশে বলা হয়েছে, ৩০ নভেম্বর জাতীয় আয়কর দিবস। আর সেই তারিখের পরবর্তী সাত কার্যদিবসের মধ্যে আয়কর বিবরণীর প্রাপ্তিস্বীকার পত্রের নম্বর, বিবরণী জমা দেওয়ার তারিখ জমা দেওয়ার অনুরোধ করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। তবে কর দিবসের মধ্যে বিবরণী জমা না দিতে পারলে দেরিতে দেওয়ার অনুমোনদন নম্বর, সার্কেল নম্বর ও কর অঞ্চলের তথ্য জমা দিতে বলা হয়েছে। এ আদেশ পরিপালন না করলে আগামী ডিসেম্বর থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বেতনভাতা বন্ধ হয়ে যাবে বলেও জানানো হয়েছে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সূত্র জানিয়েছে, গত বছরের ২৪ নভেম্বর এনবিআর এক পরিপত্রের মাধ্যমে সরকারি, আধাসরকারি বা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আয়করযোগ্য কর্মচারীদের জন্য আয়কর বিবরণী বাধ্যতামূলক করে। আর এ বছর থেকে বেসরকারি চাকরিজীবীদের বার্ষিক আয়কর বিবরণী বা রিটার্ন জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। করযোগ্য আয় থাকুক বা না থাকুক, তাদের কর বিবরণী জমা দিতে হবে। এমনকি তারা সঠিকভাবে রিটার্ন জমা দিয়েছেন কিনা, তা খতিয়ে দেখবে এনবিআর। ওই করদাতা যে প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন, সেই প্রতিষ্ঠানের ডিসেম্বর মাসের বেতন বাবদ খরচের হিসাব-নিকাশও যাচাই-বাছাই করবেন কর কর্মকর্তারা। এদিকে গত অর্থবছরে ব্যবসা বা পেশার নির্বাহী বা ব্যবস্থাপনা পদে নিয়োজিত বেতনভোগী কর্মীর কর শনাক্তকরণ নম্বর (টিআইএন) নেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছিল। এর ফলে গতবার সাত লাখের বেশি এমন বেসরকারি চাকরিজীবী টিআইএন নিয়েছিলেন। এ বছর তাদের রিটার্ন দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। তাই এবার অনেকেই প্রথমবারের মতো আয়কর বিবরণী জমা দেবেন। ২০১৬ সালের জুলাই থেকে এ বছরের জুনের মধ্যে যত আয়-ব্যয় করেছেন, সেই হিসাব আয়কর বিবরণীতে থাকতে হবে। অন্যদিকে টিআইএন সনদ না নিলে কিংবা রিটার্ন জমা না দিলে প্রতিষ্ঠান থেকে আপনি যে বেতনভাতা পেয়েছেন, তা নিজেদের খরচ হিসেবে দেখাতে পারবেন না।

Print Friendly, PDF & Email

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Please wait...

Subscribe to our Site

Want to be notified when our article is published? Enter your email address and name below to be the first to know.