এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের আয়কর প্রসঙ্গে

মপিওক্তুক্ত শিক্ষকের টিআইএন নম্বর খোলা, আয়কর রিটার্ন দাখিল করা কষ্টসাধ্য।  কেননা তাঁরা শুধু প্রারম্ভিক বেতনের শতভাগ সরকারিভাবে পান। তাঁরা বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট, পূর্ণাঙ্গ মেডিকেল ও উত্সব ভাতা পান না। তাঁরা পদোন্নতি, স্তেচ্ছাঅবসর, বদলি সুবিধাসহ অসংখ্য বঞ্চনার শিকার। তারা পাননি বৈশাখীভাতা ও বার্ষিক ৫% প্রবৃদ্ধি সুবিধা! পদমর্যাদা অনুযায়ী বাড়িভাড়া পান না। প্রিন্সিপাল থেকে পিওন সবাই পান ১০০০ টাকা। এবং চিকিত্সাভাতা ৫০০ টাকা মাত্র, যা নিতান্তই অপ্রতুল।

 

এমপিওভুক্তগণ বেতন না অনুদান পান তা-ই তো অস্পষ্ট, তবু তাঁদের আয়কর দিতে হবে? যাঁদের বার মাসই ‘নুন আনতে পান্তা ফুরায়’ তাঁদেরও আয়কর দিতে হবে? একজন সুনাগরিক হিসেবে আয়কর পরিশোধ একজন শিক্ষকের নৈতিক কর্তব্য। তবে তাঁদের বঞ্চনার অবসান না ঘটিয়েই আয়করের বোঝা ‘মরার ওপর খাঁড়ার ঘা’ তুল্য! কাজেই এমপিওভুক্তদের আয়কর প্রসঙ্গটি পুনর্বিবেচনা করা জরুরি। যদিও বা দিতে হয় তবে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে কেটে নেওয়াই শ্রেয়। তবে নতুন বেতনস্কেলের পরিপ্রেক্ষিতে সর্বনিম্ন কর সীমা পাঁচ লাখ টাকা নির্ধারণও সময়ের দাবি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*