গাইড, প্রাইভেট টিউশন ও কোচিং বন্ধ

image_pdfimage_print

মুসতাক আহমদ 
গাইড ও নোট বই এবং প্রাইভেট টিউশন ও কোচিং বন্ধসহ বিভিন্ন বিষয়ে কঠোর বিধান রেখে দেশে প্রথমবারের মতো শিক্ষা আইন হ”ছে। ৬৫টি বিধান আর ১টি তফসিলসহ ২৫ পৃষ্ঠার এই আইনের খসড়া ইতিমধ্েয প্রকাশ করা হয়েছে। আইনের বিধানগুলো আরও জনসম্পৃক্ত ও যুগোপযোগী করতে সরকার এর ওপর মতামত গ্রহণ করছে। এ জন্য মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে িি(ি.সড়বফঁ.মড়া.নফ) খসড়াটি দেয়া হয়েছে। সর্বসাধারণের মতামত নেয়া হবে ২৫ আগস্ট পর্যন্ত।
জানা গেছে, আইনে গাইড ও নোট বই সরবরাহকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার বিধান রাখা হয়েছে। বিধানের মধ্েয আরও রয়েছে- মুখস্থ বিদ্যাকে নিরুৎসাহিত করতে সৃজনশীল পদ্ধতি, প্রশাসনিক স্বাথর্ েকর্মকর্তা-কর্মচারীদের আন্তঃশিক্ষা বোডর্ েবদলি, উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্র ইউনিয়ন না থাকলেও অন্য স্তরে শিক্ষার মানউন্নয়ন ও নেতৃত্ব সৃষ্টিতে শিক্ষার্থী পরিষদ গঠন, শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে স্বাস্থ্যকার্ড প্রদান, শিক্ষক আচরণবিধি, শিক্ষকদের অজর্তি ছুটি প্রদান, সরকারি অর্থায়নে কেবল প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক শিক্ষা প্রদান, স্থায়ী শিক্ষা কমিশন গঠন, আগের চার স্তরের শিক্ষা ব্যবস্থা ভেঙে তিন স্তর প্রবর্তন, প্রাথমিক শিক্ষার মেয়াদ ৫ বছরের পরিবতর্ ে৮ বছর, এর আগে ২ বছর মেয়াদি প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা, ৫ বছরের পরিবতর্ ে৪ বছর মেয়াদ মাধ্যমিক শিক্ষার স্তর, উচ্চ মাধ্যমিক স্তর বিলুপ্ত ইত্যাদি।
এই আইন লংঘনে ধারা বিশেষে সর্বনিম্ন ১০ হাজার থেকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা আর সর্বনিম্ন ৬ মাস থেকে ১ বছর জেল অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করার বিধান রাখা হয়েছে। আর এই আইনের লংঘনে সরকার বা উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ ছাড়া অন্য কেউ অভিযোগ করতে পারবে না। আর জেলা ম্যাজিস্ট্েরটের অনুমতি ছাড়া অন্য কাউকে বিচারের ক্ষমতা দেয়া হয়নি।
এদিকে প্রস্তাবিত খসড়াটিকে শিক্ষাআইন বলা হলেও এর ধারাগুলো উল­েখ করা হয়েছে অনেকটাই পলিসির (নীতি) মতো। শিক্ষানীতিতে যেসব বিষয় রয়েছে, সেগুলোর উল­েখ দেখা যায় এতে। যেমন ২৯ নম্বর ধারায় প্রধান শিক্ষা পরিদর্শকর কার্যালয় স্থাপনের কথা বলা হয়েছে। ৫৭ ধারায় প্রতি উপজেলায় একটি সরকারি স্কুল ও একটি সরকারি কলেজ স্থাপনের কথা বলা হয়। অথচ এই একই কথা শিক্ষানীতিতেও রয়েছে।
আইনটিতে স্ববিরাধিতাও রয়েছে। উচ্চ মাধ্যমিক স্তর বিলুপ্ত করা হলেও ২২(গ) এর ৯ নম্বর ধারায় উচ্চ মাধ্যমিক সাটর্িিফকেট উত্তীর্ণ ব্যক্তির অ¯—িত্ব স্বীকার করা হয়েছে। ওই ধারায় দেশীয় ও আন্তর্জাতিক চাহিদার পরিপ্েরক্ষিতে দক্ষ জনবল সৃষ্টিতে সরকার কারিগরি বা বৃত্তিমূলক, ইঞ্জিনিয়ারিং, প্যারামেডিকেল, নাসর্ংি, কৃষি, ব্যবসায় প্রশাসন বিষয়ে ডিপ­োমা কোর্স চালুর কথা বলা হয়েছে।
শিক্ষা আইনে বলা হয়, শিক্ষার স্তর হবে চারটি। তবে বিদ্যমান প্রাথমিক, মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক আর উচ্চশিক্ষা নয়- তা হবে প্রাক-প্রাথমিক, প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা। প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষায় শিক্ষার্থীর বয়স ৪ থেকে ৬ বছর। প্রাথমিক শিক্ষা শুরু ৬ বছরে। প্রথম থেকে অষ্টম শ্েরণী পর্যন্ত হবে এই স্তর। নবম থেকে দ্বাদশ শ্েরণী হবে মাধ্যমিক স্তর। এরপর শুরু উচ্চশিক্ষার স্তর।
উচ্চশিক্ষা স্তরে ১০০ নম্বর বা তিন ক্রেডিটের ইংরেজি বিষয় অধ্যয়ন বাধ্যতামূলক। কিন্তু শিক্ষার্থীদের ইংরেজি শেখাতে হলে নিদর্ষ্টিসংখ্যক কোর্স ইংরেজিতে পড়া ও পরীক্ষা দেয়ার বাধ্যতামূলক বিধান করা দরকার বলে মনে করেন সংশ­িষ্টরা।
বাংলাদেশে পরিচালনা করতে চাইলে কিনডার গাটর্নে, ইংরেজি মাধ্যম ও ইবতেদায়ি মাদ্রাসাসহ সবধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে বাধ্যতামূলকভাবে সরকারি কর্তৃপক্ষের কাছে নিবন্ধন করতে হবে। এ লক্ষ্েয সরকার প্রয়োজনীয় বিধিমালা প্রণয়ন করবে। সরকারের অনুমতি ছাড়া কোনোভাবেই বেসরকারিভাবে বিদ্যালয় স্থাপন করা যাবে না।
প্রাক-প্রাথমিক, প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি মাদ্রাসার শিক্ষার জন্য বাণিজ্িযক উদ্দেশ্েয শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন বা পরিচালনা করা যাবে না।
একইভাবে মাধ্যমিক স্তরে সাধারণ, মাদ্রাসা, কারিগরি, বৃত্তিমূলক ও ইংরেজি মাধ্যম বা ও এবং এ লেভেল বা বিদেশী কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশে শাখা খুলতে সরকারের নির্ধারিত কর্তৃপক্ষের বাধ্যতামূলকভাবে অনুমোদন নিতে হবে। ও এবং এ লেভেল পর্যায়ে শিক্ষাদান করতে চাইলে সেখানে অবশ্যই বাংলা ও বাংলাদেশ স্টাডিজ বিষয় বাধ্যতামূলকভাবে পড়াতে হবে। এসব প্রতিষ্ঠানের বেতন ও অন্যান্য ফি সরকার বা উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের অনুমোদন সাপেক্ষে নির্ধারিত হবে।
উচ্চশিক্ষা স্তরে ধারা থাকবে ৫টি। এগুলো হ”ছে- সাধারণ, মাদ্রাসা, চিকিৎসা, প্রকৌশল ও অন্যান্য।
প্রথম ও দ্বিতীয় শ্েরণীতে কোনো পরীক্ষা থাকছে না। এক্ষেত্রে ধারাবাহিক মূল্যায়নের ব্যবস্থা থাকবে। তবে তৃতীয় শ্েরণী থেকে অষ্টম শ্েরণী পর্যন্ত অর্ধ-বাষর্কি ও বাষর্কি এ দুটি পরীক্ষা থাকবে। প্রাথমিক স্তর বা অষ্টম শ্েরণী পর্যন্ত পাবলিক পরীক্ষা হবে দুটি- পঞ্চম শ্েরণীতে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিএসসি) ও অষ্টম শ্েরণীতে জুনিয়র স্কুল সাটর্িিফকেট (জেএসসি) বা জুনিয়র দাখিল সাটর্িিফকেট (জেডিসি) পরীক্ষা।
প্রাথমিক স্তরে শিক্ষার ধারা থাকবে তিনটি : সাধারণ, মাদ্রাসা ও কিনডার গাটর্নে। সব ধারাতেই বাংলা, ইংরেজি, ধর্মীয় ও নিৈতক শিক্ষা, বাংলাদেশ স্টাডিজ, গণিত, পরিবেশ পরিচিতি, তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান বাধ্যতামূলক। এসব বিষয়ের বাইরে কোনো পাঠ্য করতে হলে তা জাতীয় পাঠ্যপুস্তক বোর্ড থেকে অনুমোদন করাতে হবে। তাদের অনুমোদনের বাইরে কোনো পাঠ্য চলবে না।
অপরদিকে মাধ্যমিকেও সাধারণ, মাদ্রাসা আর কারিগরি- এই তিনটি ধারা থাকবে। তিন ধারাতেই অভিন্ন মৌলিক বিষয় থাকবে। বিষয়গুলো হ”ছে- বাংলা, ইংরেজি, বাংলাদেশ স্টাডিজ, সাধারণ গণিত ও তথ্যপ্রযুক্তি। এসব বিষয়ে সব ধারার জন্যই প্রশ্ন হবে অভিন্ন।
যেহেতু ৮ বছর মেয়াদি প্রাথমিক শিক্ষা থাকবে, তাই যেসব স্কুল পঞ্চম শ্েরণী পর্যন্ত, সেগুলিতে অষ্টম শ্েরণী পর্যন্ত খোলা হবে। মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে একাদশ ও দ্বাদশ শ্েরণী খোলা হবে। যদি কোনো কলেজে অনার্স বা ডিগ্ির থাকে, তাহলে তারা কেবল স্নাতক পর্যায়ের শিক্ষা দান করবে।
এই উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে মাদ্রাসা শিক্ষা অধ্যাদেশ ১৯৭৮ সংশোধন করা হবে। মাদ্রাসায় প্রাথমিক ৮ বছর, দাখিল ২ আর আলিম ২ বছর নির্ধারণ করা হবে। মাদ্রাসার শিক্ষকদের বাধ্যতামূলকভাবে বিএমএড (ব্যাচেলর অব মাদ্রাসা এডুকেশন) ডিগ্ির করতে হবে। মাদ্রাসা শিক্ষার জন্য আলাদা অধিদফতর হবে। কওমি মাদ্রাসার শিক্ষার মানোন্নয়নে ও কওমি মাদ্রাসার শিক্ষাকে যুগোপযোগী করার লক্ষ্েয সরকার পদক্ষেপ নেবে।
দক্ষ জনশক্তি সৃষ্টির লক্ষ্েয ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্েরণী পর্যন্ত বৃত্তিমূলক ও তথ্যপ্রযুক্তি শিক্ষা প্রদান করা হবে। অষ্টম শ্েরণী শেষ করার পর ১, ২ ও ৪ বছর মেয়াদি কারিগরি ও বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ নেয়া যাবে জেলা-উপজেলা পর্যায়ের সরকারি বা বেসরকারি টেকনিক্যাল ইন্সটিটিউট থেকে। দেশে ব্যাপকভিত্তিতে শিক্ষানবিস কার্যক্রম প্রবর্তন করা হবে। এ লক্ষ্েয ১৯৬২ সালের আইন সংশোধন করা হবে।
বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগ করবে বেসরকারি শিক্ষক নির্বাচন কমিশন। পঞ্চম শ্েরণী পর্যন্ত শিক্ষকের যোগ্যতা হবে এইচএসসি এবং অষ্টম শ্েরণী পর্যন্ত স্নাতক পাস।
শিক্ষকদের যথাযথ প্রশিক্ষণ নিতে হবে। মাদ্রাসার শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা বৃদ্ধির লক্ষ্েয বিভাগীয় পর্যায়ে প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউিট স্থাপন করা হবে।
প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা কমিটিতে অধিদফতরের প্রতিনিধি, স্থানীয় প্রশাসন এবং অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ও শিক্ষানুরাগী থাকবে।
প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক স্তরের প্রতিষ্ঠানকে অধিকতর কার্যকরী করতে থাকবে বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা বাস্তবায়ন, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন ইউনিট। এটি থাকবে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের অধীনে।
শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের জন্য থাকবে আচরণবিধি।
আনুষ্ঠানিক শিক্ষাবঞ্চিতরা উপানুষ্ঠানিক এবং বয়স্ক শিক্ষা নেবে। উপানুষ্ঠানিক শিক্ষার বয়স ৮ থেকে ১৫ আর বয়স্ক শিক্ষার বয়স ১৫ থেকে ৪৫ বছর পর্যন্ত। এর বাইরে বৃত্তি ও কর্মসংস্থানমূলক প্রশিক্ষণের ব্যবস্থাও থাকবে।
নবম বা একাদশ শ্েরণীতে ভতর্েিত কোনো পরীক্ষা নেয়া যাবে না।
মাধ্যমিকের নবম-দশম শ্েরণীতে স্নাতক আর এর ওপরে পড়ানোর জন্েয স্নাতকোত্তর ডিগ্ির লাগবে। এনটিআরসিএ বিলুপ্ত করে এই স্তরে শিক্ষক নিয়োগে বেসরকারি শিক্ষক নির্বাচন কমিশন গঠন করা হবে।
আইনে এসএসসি, দাখিল, এইচএসসি ও আলিম পরীক্ষা রাখা হয়েছে। তবে এই পরীক্ষা কমানোর ক্ষমতাও আইনে রাখা হয়েছে।
মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে ব্যবস্থাপনা কমিটির বাইরে অভিভাবক-শিক্ষক পরিষদও থাকবে। এক ব্যক্তি দুটির বেশি প্রতিষ্ঠানের সভাপতি বা সদস্য হতে পারবেন না। আর সভাপতিকে কমপক্ষে স্নাতক পাস হতে হবে। শিক্ষক প্রশিক্ষণে জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমির (নায়েম) মতো আঞ্চলিক শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমি স্থাপন, উচ্চ মাধ্যমিকে শিক্ষায় বাংলার পাশাপাশি ইংরেজিও থাকবে। মাতৃভাষায় শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ সম্প্রসারিত করতে ইংরেজিসহ অন্য ভাষার রেফারেন্স বই বাংলায় অনুবাদের ব্যবস্থা জাতীয়ভাবে নেয়া হবে। এই স্তরে ১০০ নম্বর বা তিন ক্রেডিটের ইংরেজি বিষয় অধ্যয়ন করতে হবে বাধ্যতামূলকভাবে।
মাদ্রাসায় ৪ বছর মেয়াদি ফাজিল অনার্স আর ১ বছর মেয়াদি কামিল থাকবে। এরজন্য এফিলিয়েটিং ক্ষমতাসম্পন্ন ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয় থাকবে। মেডিকেল শিক্ষার জন্য মেডিকেল অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিল গঠন করা হবে। কৃষি শিক্ষার জন্য সমš^িত মূল্যায়ন ও পরিবীক্ষণ কমিটি থাকবে। আইন কলেজের শিক্ষার মান নিশ্চিতে বার কাউন্সিল ও শিক্ষাবিদদের সমন্বয়ে বিশেষ তত্ত্বাবধায়ক কমিটি থাকবে।
উচ্চশিক্ষায় স্নাতক স্তরে শিক্ষকতার যোগ্যতা স্নাতক আর স্নাতকোত্তর স্তরে যোগ্যতা স্নাতকোত্তর পাস হতে হবে। উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলির শিক্ষার্থী বেতন ও অন্যান্য ফি যৌক্তিক হারে নির্ধারণে একটি রেগুলেটরি কমিশন থাকবে। অননুমোদিত বেসরকারি বা বিদেশী বিশ্ববিদ্যালয় দেশে চলবে না। ইউজিসি থাকার কথা বলা হলেও একে শক্তিশালী করতে উচ্চশিক্ষা কমিশন গঠনের কথা নেই। অথচ এশিয়ার অন্যান্য দেশে এ ধরনের কমিশন রয়েছে।
বেসরকারি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য বিশেষ করে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন প্রতিষ্ঠানের জন্য বেসরকারি শিক্ষক নির্বাচন কমিশন থাকবে। সরকারি-বেসরকারি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মান নির্ণয়ে অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিল থাকবে।

Print Friendly, PDF & Email

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Please wait...

Subscribe to our Site

Want to be notified when our article is published? Enter your email address and name below to be the first to know.